ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে নিহত আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (এআইইউবি) কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ওয়াজেদ আলম সীমান্ত হত্যা মামলায় তিন ছিনতাইকারীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—অনিক, আকাশ খান ও চান্দি বাবু।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাজিবুল্লাহ বিপু জানান, ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর ভোর ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে শহরের দেওভোগ এলাকায় মর্গ্যান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন শিক্ষার্থী ওয়াজেদ আলম সীমান্ত। ছিনতাইয়ে বাধা দিলে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে আসামিরা তাকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করে। পরে তার ব্যাগ ও মুঠোফোন নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা সীমান্তকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা হাজী আলম বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
মামলায় ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাজিবুল্লাহ বিপু বলেন, তারা উচ্চ আদালতেও এ রায় বহাল থাকবে এবং দ্রুত কার্যকর হবে বলে প্রত্যাশা করেন।
অন্যদিকে নিহতের বাবা হাজী আলমও আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি দণ্ড দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ আগস্ট ২০২৬
ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে নিহত আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (এআইইউবি) কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ওয়াজেদ আলম সীমান্ত হত্যা মামলায় তিন ছিনতাইকারীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আবু শামীম আজাদ আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—অনিক, আকাশ খান ও চান্দি বাবু।
মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাজিবুল্লাহ বিপু জানান, ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর ভোর ৬টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে শহরের দেওভোগ এলাকায় মর্গ্যান বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন শিক্ষার্থী ওয়াজেদ আলম সীমান্ত। ছিনতাইয়ে বাধা দিলে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে আসামিরা তাকে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছুরিকাঘাত করে। পরে তার ব্যাগ ও মুঠোফোন নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা সীমান্তকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৪ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা হাজী আলম বাদী হয়ে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারকৃতরা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
মামলায় ২৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাজিবুল্লাহ বিপু বলেন, তারা উচ্চ আদালতেও এ রায় বহাল থাকবে এবং দ্রুত কার্যকর হবে বলে প্রত্যাশা করেন।
অন্যদিকে নিহতের বাবা হাজী আলমও আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি দণ্ড দ্রুত কার্যকর করার দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন