মো নজরুল ইসলাম : জাবিতে ২১ দিনে প্রার ২০ হাজার পিস ওষুধ গায়েব। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) মেডিকেল সেন্টারের ওষুধের মজুদে ও বিতরণে গরমিলের অভিযোগ তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে তদন্ত কার্যক্রমের স্বার্থে মেডিকেল সেন্টারের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (স্টোর) মো. নুর-এ-কামাল ওরফে পিংকু কে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সন্দেহ করা হচ্ছে তিনি দীর্ঘদিন ধরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারের ওষুধ সরিয়ে আসছেন এবং সাভারের রেডিও কলোনি তে কয়েক কোটি টাকার বাড়ি এবং সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। এর আগে তার বাবা মো আবুল হোসেনও উক্ত পদের দায়িত্বে ছিলেন। ফ্যাসিস্ট হাসিনার শুরুতে ই তিনি এই চাকরি বাগিয়ে নেন ততকালীন আওয়ামী দোসর এবং মেডিক্যাল চিফ ড. এ টি এম আব্দুল হান্নানের মাধ্যমে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, মেডিক্যাল সেন্টারের ওষুধের মজুদে গরমিলের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন, ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের দায় নির্ধারণপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী দক্ষতা ও শৃঙ্খলা অধ্যাদেশের ধারা ৫(ক)(১) অনুযায়ী একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
চার সদস্যের কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারকে সভাপতি করা হয়েছে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সালেকুল ইসলাম এবং দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবদুছ ছাত্তার। কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে আছেন রেজিস্ট্রার অফিসের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (কাউন্সিল শাখা) আলাউদ্দিন মোল্লা।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, কমিটিকে আগামী ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
এছাড়াও তদন্ত কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে এবং চিকিৎসা কেন্দ্রের উপদেষ্টা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে মেডিক্যাল সেন্টারের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (স্টোর) মো. নুর-এ-কামাল পিংকু কে বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী দক্ষতা ও শৃঙ্খলা অধ্যাদেশের ১০(ক)(২) ধারা অনুযায়ী ২৩ জুলাই পূর্বাহ্ন থেকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত (সাসপেন্ড) করা হয়েছে।
বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি জীবিকা নির্বাহ (সাবসিস্টেন্স) ভাতা হিসেবে সর্বশেষ মূল বেতনের অর্ধেক পাবেন। এ ছাড়া তদর্থক সাহায্য (অ্যাডহক রিলিফ) প্রযোজ্য থাকলে তা এবং অন্যান্য সব ভাতা সম্পূর্ণভাবে প্রাপ্য হবেন বলে অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এর আগে ৩০ জুন থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত মাত্র ২১ দিনের ব্যবধানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টার থেকে ১৯ হাজার ৫৬৭টি ওষুধের হিসাব নেই বলে অভিযোগ উঠে। নিখোঁজ এসব ওষুধের আনুমানিক বাজারমূল্য কয়েক লক্ষ টাকা।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
মো নজরুল ইসলাম : জাবিতে ২১ দিনে প্রার ২০ হাজার পিস ওষুধ গায়েব। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) মেডিকেল সেন্টারের ওষুধের মজুদে ও বিতরণে গরমিলের অভিযোগ তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে তদন্ত কার্যক্রমের স্বার্থে মেডিকেল সেন্টারের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (স্টোর) মো. নুর-এ-কামাল ওরফে পিংকু কে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সন্দেহ করা হচ্ছে তিনি দীর্ঘদিন ধরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টারের ওষুধ সরিয়ে আসছেন এবং সাভারের রেডিও কলোনি তে কয়েক কোটি টাকার বাড়ি এবং সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। এর আগে তার বাবা মো আবুল হোসেনও উক্ত পদের দায়িত্বে ছিলেন। ফ্যাসিস্ট হাসিনার শুরুতে ই তিনি এই চাকরি বাগিয়ে নেন ততকালীন আওয়ামী দোসর এবং মেডিক্যাল চিফ ড. এ টি এম আব্দুল হান্নানের মাধ্যমে।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান স্বাক্ষরিত পৃথক দুটি অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, মেডিক্যাল সেন্টারের ওষুধের মজুদে গরমিলের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন, ঘটনার সত্যতা যাচাই এবং এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তি বা ব্যক্তিদের শনাক্ত করে তাদের দায় নির্ধারণপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী দক্ষতা ও শৃঙ্খলা অধ্যাদেশের ধারা ৫(ক)(১) অনুযায়ী একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
চার সদস্যের কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারারকে সভাপতি করা হয়েছে। সদস্য হিসেবে রয়েছেন মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সালেকুল ইসলাম এবং দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবদুছ ছাত্তার। কমিটির সদস্যসচিব হিসেবে আছেন রেজিস্ট্রার অফিসের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (কাউন্সিল শাখা) আলাউদ্দিন মোল্লা।
অফিস আদেশ অনুযায়ী, কমিটিকে আগামী ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
এছাড়াও তদন্ত কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার স্বার্থে এবং চিকিৎসা কেন্দ্রের উপদেষ্টা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে মেডিক্যাল সেন্টারের ডেপুটি রেজিস্ট্রার (স্টোর) মো. নুর-এ-কামাল পিংকু কে বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী দক্ষতা ও শৃঙ্খলা অধ্যাদেশের ১০(ক)(২) ধারা অনুযায়ী ২৩ জুলাই পূর্বাহ্ন থেকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত (সাসপেন্ড) করা হয়েছে।
বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি জীবিকা নির্বাহ (সাবসিস্টেন্স) ভাতা হিসেবে সর্বশেষ মূল বেতনের অর্ধেক পাবেন। এ ছাড়া তদর্থক সাহায্য (অ্যাডহক রিলিফ) প্রযোজ্য থাকলে তা এবং অন্যান্য সব ভাতা সম্পূর্ণভাবে প্রাপ্য হবেন বলে অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, এর আগে ৩০ জুন থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত মাত্র ২১ দিনের ব্যবধানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিক্যাল সেন্টার থেকে ১৯ হাজার ৫৬৭টি ওষুধের হিসাব নেই বলে অভিযোগ উঠে। নিখোঁজ এসব ওষুধের আনুমানিক বাজারমূল্য কয়েক লক্ষ টাকা।

আপনার মতামত লিখুন