ঢাকা রেশনিং দপ্তর কর্তৃক ঢাকা মহানগরীর উত্তর / দক্ষিণে ও এম এস ডিলার নিয়োগ ২০২৫ ইং মিথ্যা তথ্য, ট্রেড লাইসেন্স টেম্পারিং সহ একই পরিবারের একাধিক ডিলার ও তথ্য গোপনে ব্যাপক অসঙ্গতি প্রকাশ পেয়েছে। ঢাকা রেশনিং দপ্তরের ০২/১১/২০২৫ ইং ও ২৬/১/২০২৬ ইং তারিখে (ও এমএস) ডিলারের নীতিমালা ২০২৪ইং ২০২৫ ইং সংশোধনীর আলোকে সরকারি খাদ্য নীতিমালা বহির্ভূত একই পরিবারের একাধিক ডিলার, সরকারি চাকরিজীবী , সরকারি খাদ্য পরিবহন ঠিকাদার নিয়োগ ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার এমনকি অপ্রাপ্তবয়স্কদের নাম ব্যবহার করে আবেদন করার মত গুরুতর অনিয়ম ঘটেছে এতে প্রকৃত যোগ্য আবেদনকারীরা বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঢাকা রেশনিং ও ওএমএস কার্যক্রম মূলত নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সহায়ক একটি উদ্যোগ। সেখানে অনিয়ম হলে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সরকারের উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়।
ঢাকা রেশনিংয়ে ডিলার নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দ্রুত তদন্ত ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। তদন্তে আরো প্রতিয়মান হয়েছে যে,ডি /১,ডি/২,ডি/৩,ডি/৪,ডি/৫,ডি/৬,ডি/৭,ডি/৯ সহ নানাবিধ অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছে যা সরকারি নীতিমালা বহির্ভূত।ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করার কথা থাকলেও তা সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়নি। বরং প্রভাবশালী মহলের সুপারিশে অনেক অযোগ্য ব্যক্তি ডিলার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।একাধিক ভুক্তভোগী জানান,
“আমরা বিষয়টি খাদ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকা জেলা প্রশাসন, খাদ্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিতভাবে জানিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে করে অনিয়মের সাথে জড়িতরা আরও উৎসাহিত হচ্ছে।”
অভিযোগে আরও বলা হয়, অনেক ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্সের ঠিকানা ও বাস্তব অবস্থানের মধ্যে কোনো মিল নেই। কোথাও দোকানই নেই, তবুও ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে। আবার কোথাও সরকারি চাকরিজীবী বা সরকারি ঠিকাদার হয়েও ডিলার হিসেবে নিয়োগ নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে যে,
ডি/১ এর ডিলার মোঃ বাদল খান পিতা মোঃ হাসান আলী ঠিকানা :আনোয়ার জেনারেল স্টোর ৫৩/৫ মুরাদপুর মাদ্রাসা রোড, কদমতলী ঢাকা -১২০৪। তাসকিনা খানম জলি পিতা:মোহাম্মদ হাসান আলী খান ।ঠিকানা মাহিতা জেনারেল ষ্টোর, ১৪১/৬ দনিয়া ,যাত্রাবাড়ী, ঢাকা -১২৩৬ উভয় ডিলার একই পরিবারের। অপরপক্ষে ডি /১ এর স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ নাদিম ,পিতা: জাকির হোসেন ।ঠিকানা: মেসার্স আরফা এন্টারপ্রাইজ, ১৩২ আফসার করিম রোড কদমতলী, ঢাকা। মোহাম্মদ জাকির হোসেন, পিতা :আব্দুস সামাদ ঠিকানা :জাকির স্টোর ।৭৬ পূর্ব দোলাই পাড় ,কদমতলী ঢাকা ১২০৪।
অসংগতি রেশনিং এলাকা ডি/১,একই পরিবারের পিতা পুত্র। অপরপক্ষে ডি/১ মোঃ নজরুল ইসলাম পিতা:আব্দুস সামাদ ১৩৭ মোহাম্মদ ,কদমতলী ,ঢাকা। যাহার রেশনিং কার্যক্রমে অসংগতি পাওয়ায় শ্যামপুর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে যাহার মামলা নং ২২(১২)১৯ ধারা ২৫(১) ২৫ এর ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইন।ডি/২ সুজিত কুমার সূত্রধর ২৫ /১,স্বামীবাগ রোড গেন্ডারিয়া ঢাকা। যাহার আবেদনের সাথে হোল্ডিং নাম্বারের কোন সম্পৃক্ততা নেই ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে আবেদন করেছে এবং মুদি দোকানও নেই। ডি/২, আবু সাঈদ সরদার ঠিকানা:আবু সাঈদের স্টোর ২৫/১১ গোলাপবাগ, যাত্রাবাড়ি ঢাকা। অসংগতি গেন্ডারিয়া থানার মামলা নং ০৫(০৫)২৫ ইং আবেদনকারী ডি/২ তে আবেদন করে কিন্তু ডিলারশিপ পরিচালনা করে ডি/১ এ যাহা খাদ্য অধিদপ্তরের আইন বহির্ভূত। ডি/২ মোহাম্মদ মোর্শেদ মাহমুদ ,মেসার্স মা-বাবার দোয়া এন্টারপ্রাইজ ১৯, নারিন্দা লেন ,গেন্ডারিয়া ঢাকা ১১০০। অসঙ্গতি রেশনিং কর্মকর্তা ডি/২, নাইয়া রানুর দায়িত্বে থাকা অবস্থায় নিজ স্বামীকে ওএমএস ডিলার আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন যাহা নিয়োগ কার্যক্রমের নীতিমালা বহির্ভূত। ডি/৩ মোঃ সামিউল্লাহ পলাশ নুহাস স্টোর ভজহরি সাহা স্ট্রিট, ওয়ারি, ঢাকা। লাবিব উল্লাহ নুহাশ,মেসার্স সোহা স্টোর ৬৬, ডাক্তার রাধাশ্যাম সাহা স্ট্রিট ,ওয়ারী, ঢাকা। যাহারা একই পরিবারের এবং পিতা পুত্র, (অবিবাহিত) যেটা খাদ্য অধিদপ্তর আইন বহির্ভূত। অপরপক্ষে ডি/৩,মোঃ শাহজাহান মেসার্স শাহজাহান রাইস এজেন্সি, ৫৭/১, কাপ্তান বাজার ঢাকা ।শাহীন আক্তার পিতা মোঃ শাহজাহান, মেসার্স শাহিন স্টোর ।তাহারাও একই পরিবারের পিতা ও কন্যা যাহা খাদ্য অধিদপ্তরে আইন-বহির্ভূত।ডি/৩, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মেসার্স লুবনা এন্টারপ্রাইজ ৬৬/৭, নবদ্বীপ বসাক লেন লক্ষ্মীবাজার ঢাকা মুদি দোকান না থাকা সত্ত্বেও তিনি রেশনিং এলাকার ডি/৩ এর ডিলার। মোঃ আসাদুর রহমান ডি/৫পিতা :হারুন অর রশিদ ঠিকানা :এ আর স্টোর, ৬৭ /সি গ্রীনরোড, কলাবাগান, ঢাকা ১২০৫ ।রাশেদুল ইসলাম পারভেজ ডি/৫পিতা :হারুনুর রশিদ ঠিকানা: ৪৩১/১ মালিবাগ ,মালিবাগ বাজার, শাহজাহানপুর, ঢাকা। যাহারা একই পরিবারের এবং সম্পর্কে পিতা পুত্র যেটা খাদ্য অধিদপ্তরের আইন বহির্ভূত।
ইব্রাহিম হাওলাদার ডি/৬, পিতা:কারী আব্দুর রহমান ঠিকানা: রহমানিয়া এন্টারপ্রাইজ, প্লট-১ ,রোড ১২ ,মনসুরাবাদ হাউজিং ,আদাবর ,ঢাকা শাহনাজ, ডি/৬, ঠিকানা ২৭২/২ জাফরাবাদ শেরেবাংলা রোড ঢাকা ।সানোয়ার হোসেন ডি/৬ পিতা মোঃ মহিবুল আলম (ওরফে আনোয়ার হোসেন )ঠিকানা :বরিশাল ৪৫/২ জিহরুল মহল্লা মোহাম্মদপুর, ঢাকা। রবিউল ইসলামডি/৬, পিতা মোঃ আকবর হোসেন ।ঠিকানা :রবিউল স্টোর ,১০৪ /২ নুরজাহান রোড মোহাম্মদপুর ঢাকা। জুবায়ের হোসেন ডি/২,পিতা :মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান ,২৪/৩ হুমায়ুন রোড ক্যাম্পের বাজার ঢাকা। উভয়ই একই পরিবারের আত্মীয়-স্বজন এবং বোন জামাই ওএমএস ডিলারের আবেদন করার সময় তাহার বয়স ছিল ১৭ বছর যাহা আইন বহির্ভূত এবং ওয়ার্ড নাম্বার উল্লেখ করা সত্ত্বেও ওই ওয়ার্ডের ট্রেড লাইসেন্স ও ঠিকানা কোনটাই পাওয়া যায় নাই। অলিপ মন্ডল ডি/৬,পিতা মোঃ আইয়ুব মন্ডল ঠিকানা :অলিভ এন্টারপ্রাইজ, বাড়ি -১৪/১ রোড -২ ,ব্লক- ডি ঢাকা উদ্যান, মোহাম্মদপুর ঢাকা -১২০৭। ফারজানা ইয়াসমিন ডি/১,ঠিকানা :ফারজানা এন্টারপ্রাইজ ৩/১,৩/২ সানরাইজ প্লাজা, মোহাম্মদপুর ঢাকা -১২০৭। এস এম দোলনডি/৬, পিতা: দিল মোহাম্মদ ,ঠিকানা: ২৯২ /১ পূর্ব জাফরাবাদ শেরেবাংলা রোড ঢাকা ।শাহনাজ ডি/৬, ঠিকানা ২৭২ / ২ জাফরাবাদ, শেরেবাংলা রোড ঢাকা (ও এম এস ডিলার ২০২৫ ইংরেজি নিয়োগের আবেদনে পাওয়া যায়নি) জুবায়ের আহমেদ ডি/৬, পিতা মোঃ আবুল হোসেন। ঠিকানা: আব্দুল্লাহ এন্টারপ্রাইজ, ৫৯ নাখালপাড়া বাজার, তেজগাঁও ঢাকা ১২০৭। মোঃ সিরাজুল ইসলাম ভি/৬, পিতা মোঃ আবুল হোসেন ঠিকানা : আরশ এন্টারপ্রাইজ ,১০৯ পশ্চিম আগারগাঁও তালতলা শেরেবাংলা নগর ঢাকা -১২০৭ ।মোঃ জাবের হোসেন ডি/৬,পিতা মোঃ আবুল হোসেন ,মেসার্স নুর স্টোর বাড়ি-৮৫৯/১ ,রোড- ১৩ ,বাইতুল জামান হাউজিং সোসাইটি আদাবর ঢাকা- ১২০৭ ।মোঃ হারুন অর রশিদ ডি/৬, পিতা: আব্দুল মজিদ ঠিকানা :মেসার্স রিমি এন্টারপ্রাইজ ,প্লট নং ১/২ দোকান নং -২ ব্লক-এ, রোড -২ বসিলা গার্ডেন সিটি লিমিটেড মোহাম্মদপুর ঢাকা- ১২০৭ ।গাজী মোহাম্মদ রাশেদ ডি/৬, পিতা:মৃত গাজী হায়াত আলী, ঠিকানা: মেসার্স রাশেদ এন্টারপ্রাইজ, বাসা -৫ রোড- ৭ ,নবীনগর হাউসিং মোহাম্মদপুর ঢাকা। মোঃ শাহাবুদ্দিন খন্দকার ডি/৬,পিতা: মৃত আদমশা খন্দকার, ৭৫/ সি ,এভিনিউ ঢাকা ।আনোয়ার হোসেন ডি/৬, মুদি দোকান নাই এবং ভূয়া ট্রেড লাইসেন্স এর মাধ্যমে নিয়োগ যাহা নীতিমালা পরিপন্থী।আনোয়ার হোসেন ডি/৬, মুদি দোকান নাই ভূয়া ট্রেড লাইসেন্সের মাধ্যমে নিয়োগ যাহা-নীতিমালার পরিপন্থী এবং একই পরিবারের একাধিক লাইসেন্স প্রাপ্ত।
আইয়ুব মন্ডল ডি/৬, আইয়ুব স্টোর, বাড়ি নং- ১ ,দোকান নং -১,রোড নং -৩ ,নবীনগর হাউজিং মোহাম্মদপুর -১ ঢাকা -১২০৭। মরিয়ম বেগম ডি/৬,মেসার্স তামান্না এন্টারপ্রাইজ,প্লট নং -৬ ,রোড -২ ,ব্লকে-এ, চাঁদ উদ্যান হাউজিং মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭। মোঃ আসাদুজ্জামান ডি/৮, মেসার্স বিশ্বাস এন্টারপ্রাইজ বাড়ি নং -৩৫, রোড নং -১৩ ,দোকান নং -১, নেওয়াজবাগ খিলগাঁও ঢাকা। যাহার ডেমরা থানায় মামলা নং ২৫( ০৬)২৩, কেরানীগঞ্জ মডেল থানার মামলা নং ৭৭(৩)২৩ এবং তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা সহ যশোর জেলায় কেশবপুর থানায় নারীর শ্লীলতাহানির মামলা রয়েছে। মোহম্মদ রাজন হোসেন ডি/৯ পিতা একে হুমায়ুন রেজা ১৩ নং সেক্টর উত্তরা ঢাকা। শাহরিয়ার রেজা ডি/৯,পিতা :একেম হুমায়ুন রেজা, ১৩ নং সেক্টর ঢাকা। উপরে উল্লেখিত ডিলার গানের মধ্যে দেখা যাচ্ছে অলিপ মন্ডল আপন দুই ভাই যা খাদ্য অধিদপ্তর আইন বহির্ভূত ফারজানা ইয়াসমিন কে ২৯/০৯/২০২৫ ইংরেজি তারিখের পর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ডিলার রফিকুল ইসলাম বুদ্ধিজীবী রোড রায়ের বাজার ঠিকানায় দরখাস্ত করিয়াছেন তাকে জালিয়াতি করে নিয়োগ দিয়েছে শ্যামলীতে যাহা ঠিকানা থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে অপর পক্ষে ৪৩ জন আবেদনকারীকে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে ডিলার নিয়োগ প্রদান নিষেধ করা সত্ত্বেও নিয়ম বহির্ভূত ভাবে কিছু অসাধু ব্যক্তি ডিলার নিয়োগ প্রদান করেছেন । উপরোক্ত ডিলারগণের পর্যাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করলে আরো অনেক অনিয়ম প্রকাশিত হবে ভুক্তভোগী ডিলার মোঃ তারিকুল ইসলাম জানান ফারজানা ইয়াসমিন ৩২ নং ওয়ার্ড উত্তর সিটি কর্পোরেশনের কোন ট্রেড লাইসেন্স নাই এবং হোল্ডিং নাম্বার ও ভূয়া । ওএমএস ডিলার ০২/১১/২০২৫ ইংরেজি নিয়োগ আদেশ পাওয়া যায়নি তাছাড়া সিরাজুল ইসলাম জাবের হোসেন একই পরিবারের। রেশনিং এলাকা ডি/৭ কেন্দ্র প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে আবেদনকারীর নং ১০৬৬ কে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বের বিজয়ী ঘোষণা করে কিন্তু ওই আবেদনকারী লাইসেন্স না দিয়ে ২৮২৩ সিরিয়াল কোথা থেকে দেওয়া হলো তিনি এককভাবে উপরোক্ত অনিয়মের প্রতিরোধ করতে গেলে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হন তারই ধারাবাহিকতায় খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর এবং মন্ত্রী খাদ্য মন্ত্রণালয় সচিব খাদ্য মন্ত্রণালয় বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা বিভাগ প্রধান নিয়ন্ত্রক এর অনুকূলে অনেকবার প্রতিকার চেয়েও ব্যর্থ হয়েছেন সবশেষে তিনি দুঃস্থ মানবতার কল্যাণে ওএমএস নীতিমালা পর্যালোচনা সাপেক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ খাদ্য অধিদপ্তরের সকলের নিকট উপরোক্ত অনিয়মের সুষ্ঠু সমাধানের জন্য আবেদন জানিয়েছেন।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ মে ২০২৬
ঢাকা রেশনিং দপ্তর কর্তৃক ঢাকা মহানগরীর উত্তর / দক্ষিণে ও এম এস ডিলার নিয়োগ ২০২৫ ইং মিথ্যা তথ্য, ট্রেড লাইসেন্স টেম্পারিং সহ একই পরিবারের একাধিক ডিলার ও তথ্য গোপনে ব্যাপক অসঙ্গতি প্রকাশ পেয়েছে। ঢাকা রেশনিং দপ্তরের ০২/১১/২০২৫ ইং ও ২৬/১/২০২৬ ইং তারিখে (ও এমএস) ডিলারের নীতিমালা ২০২৪ইং ২০২৫ ইং সংশোধনীর আলোকে সরকারি খাদ্য নীতিমালা বহির্ভূত একই পরিবারের একাধিক ডিলার, সরকারি চাকরিজীবী , সরকারি খাদ্য পরিবহন ঠিকাদার নিয়োগ ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার এমনকি অপ্রাপ্তবয়স্কদের নাম ব্যবহার করে আবেদন করার মত গুরুতর অনিয়ম ঘটেছে এতে প্রকৃত যোগ্য আবেদনকারীরা বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঢাকা রেশনিং ও ওএমএস কার্যক্রম মূলত নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সহায়ক একটি উদ্যোগ। সেখানে অনিয়ম হলে প্রকৃত সুবিধাভোগীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং সরকারের উদ্দেশ্য ব্যাহত হয়।
ঢাকা রেশনিংয়ে ডিলার নিয়োগে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দ্রুত তদন্ত ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। তদন্তে আরো প্রতিয়মান হয়েছে যে,ডি /১,ডি/২,ডি/৩,ডি/৪,ডি/৫,ডি/৬,ডি/৭,ডি/৯ সহ নানাবিধ অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছে যা সরকারি নীতিমালা বহির্ভূত।ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী যাচাই-বাছাই করার কথা থাকলেও তা সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়নি। বরং প্রভাবশালী মহলের সুপারিশে অনেক অযোগ্য ব্যক্তি ডিলার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।একাধিক ভুক্তভোগী জানান,
“আমরা বিষয়টি খাদ্য মন্ত্রণালয়, ঢাকা জেলা প্রশাসন, খাদ্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিতভাবে জানিয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে করে অনিয়মের সাথে জড়িতরা আরও উৎসাহিত হচ্ছে।”
অভিযোগে আরও বলা হয়, অনেক ক্ষেত্রে ট্রেড লাইসেন্সের ঠিকানা ও বাস্তব অবস্থানের মধ্যে কোনো মিল নেই। কোথাও দোকানই নেই, তবুও ডিলারশিপ দেওয়া হয়েছে। আবার কোথাও সরকারি চাকরিজীবী বা সরকারি ঠিকাদার হয়েও ডিলার হিসেবে নিয়োগ নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অনুসন্ধানে দেখা গেছে যে,
ডি/১ এর ডিলার মোঃ বাদল খান পিতা মোঃ হাসান আলী ঠিকানা :আনোয়ার জেনারেল স্টোর ৫৩/৫ মুরাদপুর মাদ্রাসা রোড, কদমতলী ঢাকা -১২০৪। তাসকিনা খানম জলি পিতা:মোহাম্মদ হাসান আলী খান ।ঠিকানা মাহিতা জেনারেল ষ্টোর, ১৪১/৬ দনিয়া ,যাত্রাবাড়ী, ঢাকা -১২৩৬ উভয় ডিলার একই পরিবারের। অপরপক্ষে ডি /১ এর স্বত্বাধিকারী মোহাম্মদ নাদিম ,পিতা: জাকির হোসেন ।ঠিকানা: মেসার্স আরফা এন্টারপ্রাইজ, ১৩২ আফসার করিম রোড কদমতলী, ঢাকা। মোহাম্মদ জাকির হোসেন, পিতা :আব্দুস সামাদ ঠিকানা :জাকির স্টোর ।৭৬ পূর্ব দোলাই পাড় ,কদমতলী ঢাকা ১২০৪।
অসংগতি রেশনিং এলাকা ডি/১,একই পরিবারের পিতা পুত্র। অপরপক্ষে ডি/১ মোঃ নজরুল ইসলাম পিতা:আব্দুস সামাদ ১৩৭ মোহাম্মদ ,কদমতলী ,ঢাকা। যাহার রেশনিং কার্যক্রমে অসংগতি পাওয়ায় শ্যামপুর থানায় মামলা দায়ের হয়েছে যাহার মামলা নং ২২(১২)১৯ ধারা ২৫(১) ২৫ এর ১৯৭৪ সনের বিশেষ ক্ষমতা আইন।ডি/২ সুজিত কুমার সূত্রধর ২৫ /১,স্বামীবাগ রোড গেন্ডারিয়া ঢাকা। যাহার আবেদনের সাথে হোল্ডিং নাম্বারের কোন সম্পৃক্ততা নেই ভুয়া ঠিকানা ব্যবহার করে আবেদন করেছে এবং মুদি দোকানও নেই। ডি/২, আবু সাঈদ সরদার ঠিকানা:আবু সাঈদের স্টোর ২৫/১১ গোলাপবাগ, যাত্রাবাড়ি ঢাকা। অসংগতি গেন্ডারিয়া থানার মামলা নং ০৫(০৫)২৫ ইং আবেদনকারী ডি/২ তে আবেদন করে কিন্তু ডিলারশিপ পরিচালনা করে ডি/১ এ যাহা খাদ্য অধিদপ্তরের আইন বহির্ভূত। ডি/২ মোহাম্মদ মোর্শেদ মাহমুদ ,মেসার্স মা-বাবার দোয়া এন্টারপ্রাইজ ১৯, নারিন্দা লেন ,গেন্ডারিয়া ঢাকা ১১০০। অসঙ্গতি রেশনিং কর্মকর্তা ডি/২, নাইয়া রানুর দায়িত্বে থাকা অবস্থায় নিজ স্বামীকে ওএমএস ডিলার আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন যাহা নিয়োগ কার্যক্রমের নীতিমালা বহির্ভূত। ডি/৩ মোঃ সামিউল্লাহ পলাশ নুহাস স্টোর ভজহরি সাহা স্ট্রিট, ওয়ারি, ঢাকা। লাবিব উল্লাহ নুহাশ,মেসার্স সোহা স্টোর ৬৬, ডাক্তার রাধাশ্যাম সাহা স্ট্রিট ,ওয়ারী, ঢাকা। যাহারা একই পরিবারের এবং পিতা পুত্র, (অবিবাহিত) যেটা খাদ্য অধিদপ্তর আইন বহির্ভূত। অপরপক্ষে ডি/৩,মোঃ শাহজাহান মেসার্স শাহজাহান রাইস এজেন্সি, ৫৭/১, কাপ্তান বাজার ঢাকা ।শাহীন আক্তার পিতা মোঃ শাহজাহান, মেসার্স শাহিন স্টোর ।তাহারাও একই পরিবারের পিতা ও কন্যা যাহা খাদ্য অধিদপ্তরে আইন-বহির্ভূত।ডি/৩, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, মেসার্স লুবনা এন্টারপ্রাইজ ৬৬/৭, নবদ্বীপ বসাক লেন লক্ষ্মীবাজার ঢাকা মুদি দোকান না থাকা সত্ত্বেও তিনি রেশনিং এলাকার ডি/৩ এর ডিলার। মোঃ আসাদুর রহমান ডি/৫পিতা :হারুন অর রশিদ ঠিকানা :এ আর স্টোর, ৬৭ /সি গ্রীনরোড, কলাবাগান, ঢাকা ১২০৫ ।রাশেদুল ইসলাম পারভেজ ডি/৫পিতা :হারুনুর রশিদ ঠিকানা: ৪৩১/১ মালিবাগ ,মালিবাগ বাজার, শাহজাহানপুর, ঢাকা। যাহারা একই পরিবারের এবং সম্পর্কে পিতা পুত্র যেটা খাদ্য অধিদপ্তরের আইন বহির্ভূত।
ইব্রাহিম হাওলাদার ডি/৬, পিতা:কারী আব্দুর রহমান ঠিকানা: রহমানিয়া এন্টারপ্রাইজ, প্লট-১ ,রোড ১২ ,মনসুরাবাদ হাউজিং ,আদাবর ,ঢাকা শাহনাজ, ডি/৬, ঠিকানা ২৭২/২ জাফরাবাদ শেরেবাংলা রোড ঢাকা ।সানোয়ার হোসেন ডি/৬ পিতা মোঃ মহিবুল আলম (ওরফে আনোয়ার হোসেন )ঠিকানা :বরিশাল ৪৫/২ জিহরুল মহল্লা মোহাম্মদপুর, ঢাকা। রবিউল ইসলামডি/৬, পিতা মোঃ আকবর হোসেন ।ঠিকানা :রবিউল স্টোর ,১০৪ /২ নুরজাহান রোড মোহাম্মদপুর ঢাকা। জুবায়ের হোসেন ডি/২,পিতা :মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান ,২৪/৩ হুমায়ুন রোড ক্যাম্পের বাজার ঢাকা। উভয়ই একই পরিবারের আত্মীয়-স্বজন এবং বোন জামাই ওএমএস ডিলারের আবেদন করার সময় তাহার বয়স ছিল ১৭ বছর যাহা আইন বহির্ভূত এবং ওয়ার্ড নাম্বার উল্লেখ করা সত্ত্বেও ওই ওয়ার্ডের ট্রেড লাইসেন্স ও ঠিকানা কোনটাই পাওয়া যায় নাই। অলিপ মন্ডল ডি/৬,পিতা মোঃ আইয়ুব মন্ডল ঠিকানা :অলিভ এন্টারপ্রাইজ, বাড়ি -১৪/১ রোড -২ ,ব্লক- ডি ঢাকা উদ্যান, মোহাম্মদপুর ঢাকা -১২০৭। ফারজানা ইয়াসমিন ডি/১,ঠিকানা :ফারজানা এন্টারপ্রাইজ ৩/১,৩/২ সানরাইজ প্লাজা, মোহাম্মদপুর ঢাকা -১২০৭। এস এম দোলনডি/৬, পিতা: দিল মোহাম্মদ ,ঠিকানা: ২৯২ /১ পূর্ব জাফরাবাদ শেরেবাংলা রোড ঢাকা ।শাহনাজ ডি/৬, ঠিকানা ২৭২ / ২ জাফরাবাদ, শেরেবাংলা রোড ঢাকা (ও এম এস ডিলার ২০২৫ ইংরেজি নিয়োগের আবেদনে পাওয়া যায়নি) জুবায়ের আহমেদ ডি/৬, পিতা মোঃ আবুল হোসেন। ঠিকানা: আব্দুল্লাহ এন্টারপ্রাইজ, ৫৯ নাখালপাড়া বাজার, তেজগাঁও ঢাকা ১২০৭। মোঃ সিরাজুল ইসলাম ভি/৬, পিতা মোঃ আবুল হোসেন ঠিকানা : আরশ এন্টারপ্রাইজ ,১০৯ পশ্চিম আগারগাঁও তালতলা শেরেবাংলা নগর ঢাকা -১২০৭ ।মোঃ জাবের হোসেন ডি/৬,পিতা মোঃ আবুল হোসেন ,মেসার্স নুর স্টোর বাড়ি-৮৫৯/১ ,রোড- ১৩ ,বাইতুল জামান হাউজিং সোসাইটি আদাবর ঢাকা- ১২০৭ ।মোঃ হারুন অর রশিদ ডি/৬, পিতা: আব্দুল মজিদ ঠিকানা :মেসার্স রিমি এন্টারপ্রাইজ ,প্লট নং ১/২ দোকান নং -২ ব্লক-এ, রোড -২ বসিলা গার্ডেন সিটি লিমিটেড মোহাম্মদপুর ঢাকা- ১২০৭ ।গাজী মোহাম্মদ রাশেদ ডি/৬, পিতা:মৃত গাজী হায়াত আলী, ঠিকানা: মেসার্স রাশেদ এন্টারপ্রাইজ, বাসা -৫ রোড- ৭ ,নবীনগর হাউসিং মোহাম্মদপুর ঢাকা। মোঃ শাহাবুদ্দিন খন্দকার ডি/৬,পিতা: মৃত আদমশা খন্দকার, ৭৫/ সি ,এভিনিউ ঢাকা ।আনোয়ার হোসেন ডি/৬, মুদি দোকান নাই এবং ভূয়া ট্রেড লাইসেন্স এর মাধ্যমে নিয়োগ যাহা নীতিমালা পরিপন্থী।আনোয়ার হোসেন ডি/৬, মুদি দোকান নাই ভূয়া ট্রেড লাইসেন্সের মাধ্যমে নিয়োগ যাহা-নীতিমালার পরিপন্থী এবং একই পরিবারের একাধিক লাইসেন্স প্রাপ্ত।
আইয়ুব মন্ডল ডি/৬, আইয়ুব স্টোর, বাড়ি নং- ১ ,দোকান নং -১,রোড নং -৩ ,নবীনগর হাউজিং মোহাম্মদপুর -১ ঢাকা -১২০৭। মরিয়ম বেগম ডি/৬,মেসার্স তামান্না এন্টারপ্রাইজ,প্লট নং -৬ ,রোড -২ ,ব্লকে-এ, চাঁদ উদ্যান হাউজিং মোহাম্মদপুর, ঢাকা-১২০৭। মোঃ আসাদুজ্জামান ডি/৮, মেসার্স বিশ্বাস এন্টারপ্রাইজ বাড়ি নং -৩৫, রোড নং -১৩ ,দোকান নং -১, নেওয়াজবাগ খিলগাঁও ঢাকা। যাহার ডেমরা থানায় মামলা নং ২৫( ০৬)২৩, কেরানীগঞ্জ মডেল থানার মামলা নং ৭৭(৩)২৩ এবং তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা সহ যশোর জেলায় কেশবপুর থানায় নারীর শ্লীলতাহানির মামলা রয়েছে। মোহম্মদ রাজন হোসেন ডি/৯ পিতা একে হুমায়ুন রেজা ১৩ নং সেক্টর উত্তরা ঢাকা। শাহরিয়ার রেজা ডি/৯,পিতা :একেম হুমায়ুন রেজা, ১৩ নং সেক্টর ঢাকা। উপরে উল্লেখিত ডিলার গানের মধ্যে দেখা যাচ্ছে অলিপ মন্ডল আপন দুই ভাই যা খাদ্য অধিদপ্তর আইন বহির্ভূত ফারজানা ইয়াসমিন কে ২৯/০৯/২০২৫ ইংরেজি তারিখের পর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ডিলার রফিকুল ইসলাম বুদ্ধিজীবী রোড রায়ের বাজার ঠিকানায় দরখাস্ত করিয়াছেন তাকে জালিয়াতি করে নিয়োগ দিয়েছে শ্যামলীতে যাহা ঠিকানা থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দূরে অপর পক্ষে ৪৩ জন আবেদনকারীকে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে ডিলার নিয়োগ প্রদান নিষেধ করা সত্ত্বেও নিয়ম বহির্ভূত ভাবে কিছু অসাধু ব্যক্তি ডিলার নিয়োগ প্রদান করেছেন । উপরোক্ত ডিলারগণের পর্যাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করলে আরো অনেক অনিয়ম প্রকাশিত হবে ভুক্তভোগী ডিলার মোঃ তারিকুল ইসলাম জানান ফারজানা ইয়াসমিন ৩২ নং ওয়ার্ড উত্তর সিটি কর্পোরেশনের কোন ট্রেড লাইসেন্স নাই এবং হোল্ডিং নাম্বার ও ভূয়া । ওএমএস ডিলার ০২/১১/২০২৫ ইংরেজি নিয়োগ আদেশ পাওয়া যায়নি তাছাড়া সিরাজুল ইসলাম জাবের হোসেন একই পরিবারের। রেশনিং এলাকা ডি/৭ কেন্দ্র প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে আবেদনকারীর নং ১০৬৬ কে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বের বিজয়ী ঘোষণা করে কিন্তু ওই আবেদনকারী লাইসেন্স না দিয়ে ২৮২৩ সিরিয়াল কোথা থেকে দেওয়া হলো তিনি এককভাবে উপরোক্ত অনিয়মের প্রতিরোধ করতে গেলে বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হন তারই ধারাবাহিকতায় খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর এবং মন্ত্রী খাদ্য মন্ত্রণালয় সচিব খাদ্য মন্ত্রণালয় বিভাগীয় কমিশনার ঢাকা বিভাগ প্রধান নিয়ন্ত্রক এর অনুকূলে অনেকবার প্রতিকার চেয়েও ব্যর্থ হয়েছেন সবশেষে তিনি দুঃস্থ মানবতার কল্যাণে ওএমএস নীতিমালা পর্যালোচনা সাপেক্ষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ খাদ্য অধিদপ্তরের সকলের নিকট উপরোক্ত অনিয়মের সুষ্ঠু সমাধানের জন্য আবেদন জানিয়েছেন।এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন