বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার ১৩ নং নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের গুলিশাখালি ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবন নির্মাণে মানহীন পাথর ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয় জনগণ, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম উদ্বেগ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত পাথর ও অন্যান্য সামগ্রী নিম্নমানের হওয়ায় ভবনের স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সচেতন মহল মনে করছে, এভাবে কাজ চলতে থাকলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি বরাদ্দে নির্মিত এই গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবনে কোনোভাবেই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার গ্রহণযোগ্য নয়। তারা দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং নির্মাণ কাজের মান যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা বলছেন, বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
সাধারণ জনগণের প্রত্যাশা: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন যেন টেকসই ও নিরাপদ হয়—এটাই সবার কাম্য। তাই অনিয়ম বন্ধে দ্রুত প্রশাসনিক নজরদারি জোরদার করা এখন সময়ের দাবি।

বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ মার্চ ২০২৬
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার ১৩ নং নিশানবাড়িয়া ইউনিয়নের গুলিশাখালি ফাজিল মাদ্রাসার নতুন ভবন নির্মাণে মানহীন পাথর ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এতে স্থানীয় জনগণ, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম উদ্বেগ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নির্মাণ কাজে ব্যবহৃত পাথর ও অন্যান্য সামগ্রী নিম্নমানের হওয়ায় ভবনের স্থায়িত্ব ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সচেতন মহল মনে করছে, এভাবে কাজ চলতে থাকলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
এলাকাবাসীর দাবি, সরকারি বরাদ্দে নির্মিত এই গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবনে কোনোভাবেই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার গ্রহণযোগ্য নয়। তারা দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং নির্মাণ কাজের মান যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়রা বলছেন, বিষয়টি তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি।
সাধারণ জনগণের প্রত্যাশা: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভবন যেন টেকসই ও নিরাপদ হয়—এটাই সবার কাম্য। তাই অনিয়ম বন্ধে দ্রুত প্রশাসনিক নজরদারি জোরদার করা এখন সময়ের দাবি।

আপনার মতামত লিখুন