বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম লক্ষ্য ছিল বৈষম্যহীন, মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠা। কিন্তু গত দুই বছরে ধনী-গরিবের বৈষম্যের পাশাপাশি শিক্ষাক্ষেত্রেও বৈষম্য আরও প্রকট হয়েছে।
তিনি বলেন, “শিক্ষা নিয়ে যথেচ্ছ পরীক্ষা-নিরীক্ষা বন্ধ করতে হবে। শিক্ষাকে কেনাবেচার পণ্য বানানো যাবে না।”
সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংহতি মিলনায়তনে বিপ্লবী ছাত্র সংহতির ঢাকা মহানগরের শিক্ষাক্রম উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন সাইফুল হক। অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর উত্তরের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
সাইফুল হক বলেন, গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ছিল সামাজিক, অর্থনৈতিক ও চাকরির ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করা। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে বৈষম্য আরও বেড়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রেও নানা ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে, যা বন্ধ করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, শিক্ষা কোনো কেনাবেচার পণ্য হতে পারে না। শিক্ষা সবার অধিকার। শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারকে দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। শিক্ষাক্ষেত্রের বৈষম্য যেমন সমাজের বৈষম্য বাড়াচ্ছে, তেমনি সামাজিক বৈষম্যও শিক্ষার বৈষম্যকে আরও তীব্র করে তুলছে।
একটি যুগোপযোগী, মানবিক, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক শিক্ষানীতি ও কারিকুলাম প্রণয়নে সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
তরুণ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি সমাজ, অর্থনীতি ও মানুষের জীবন সম্পর্কে জানার আহ্বান জানিয়ে সাইফুল হক বলেন, জ্ঞানচর্চা, সাংস্কৃতিক বিকাশ ও মানবিক মূল্যবোধের মধ্য দিয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত করতে হবে।
বিপ্লবী ছাত্র সংহতির কেন্দ্রীয় সংগঠক মামুন উদ্দিন সৈকতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন দীপংকর চন্দ্র কর, মাহমুদ আলভী, রাজু আহমেদ, ইমরান হোসেন সরকার ও ইভা আকতার প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বিপ্লবী ছাত্র সংহতির নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বক্তব্য দেন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম লক্ষ্য ছিল বৈষম্যহীন, মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠা। কিন্তু গত দুই বছরে ধনী-গরিবের বৈষম্যের পাশাপাশি শিক্ষাক্ষেত্রেও বৈষম্য আরও প্রকট হয়েছে।
তিনি বলেন, “শিক্ষা নিয়ে যথেচ্ছ পরীক্ষা-নিরীক্ষা বন্ধ করতে হবে। শিক্ষাকে কেনাবেচার পণ্য বানানো যাবে না।”
সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংহতি মিলনায়তনে বিপ্লবী ছাত্র সংহতির ঢাকা মহানগরের শিক্ষাক্রম উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন সাইফুল হক। অনুষ্ঠানে ঢাকা মহানগর উত্তরের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।
সাইফুল হক বলেন, গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ছিল সামাজিক, অর্থনৈতিক ও চাকরির ক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করা। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে বৈষম্য আরও বেড়েছে। শিক্ষাক্ষেত্রেও নানা ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে, যা বন্ধ করা প্রয়োজন।
তিনি বলেন, শিক্ষা কোনো কেনাবেচার পণ্য হতে পারে না। শিক্ষা সবার অধিকার। শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে সরকারকে দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। শিক্ষাক্ষেত্রের বৈষম্য যেমন সমাজের বৈষম্য বাড়াচ্ছে, তেমনি সামাজিক বৈষম্যও শিক্ষার বৈষম্যকে আরও তীব্র করে তুলছে।
একটি যুগোপযোগী, মানবিক, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক শিক্ষানীতি ও কারিকুলাম প্রণয়নে সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
তরুণ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি সমাজ, অর্থনীতি ও মানুষের জীবন সম্পর্কে জানার আহ্বান জানিয়ে সাইফুল হক বলেন, জ্ঞানচর্চা, সাংস্কৃতিক বিকাশ ও মানবিক মূল্যবোধের মধ্য দিয়ে নিজেদের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত করতে হবে।
বিপ্লবী ছাত্র সংহতির কেন্দ্রীয় সংগঠক মামুন উদ্দিন সৈকতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন দীপংকর চন্দ্র কর, মাহমুদ আলভী, রাজু আহমেদ, ইমরান হোসেন সরকার ও ইভা আকতার প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বিপ্লবী ছাত্র সংহতির নেতৃবৃন্দের পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বক্তব্য দেন।

আপনার মতামত লিখুন