ঢাকা, বাংলাদেশ    বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ    বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অগ্নিশিখা

বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের



বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের

বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর তদারকিতে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন জাতীয় প্রতিষ্ঠান গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে মানবাধিকার পরিষদের ৬৩তম অধিবেশনে বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে হালনাগাদ প্রতিবেদন পেশকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

তুর্ক বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর ওপর তদারকির জন্য একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন জাতীয় প্রতিষ্ঠান গঠনের আহ্বান জানিয়ে আসছি।’

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধানী প্রতিবেদনে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার স্বাধীন তদন্ত, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, বেসামরিক তদারকি ও জবাবদিহির ব্যবস্থার সুপারিশ করা হয়েছিল। জাতিসংঘের সুপারিশগুলোতেও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে এটি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর তদন্ত চালাতে পারে।

জাতিসংঘের সনদভিত্তিক সংস্থাগুলোর (ট্রিটি বডি) সুপারিশে বিশেষভাবে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগগুলো সরাসরি তদন্ত করার এখতিয়ার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

অগ্নিশিখা

বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর স্বাধীন তদারকির আহ্বান জাতিসংঘের

প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর তদারকিতে একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন জাতীয় প্রতিষ্ঠান গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘ কার্যালয়ে মানবাধিকার পরিষদের ৬৩তম অধিবেশনে বৈশ্বিক পরিস্থিতি নিয়ে হালনাগাদ প্রতিবেদন পেশকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

তুর্ক বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর ওপর তদারকির জন্য একটি শক্তিশালী ও স্বাধীন জাতীয় প্রতিষ্ঠান গঠনের আহ্বান জানিয়ে আসছি।’

২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধানী প্রতিবেদনে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনার স্বাধীন তদন্ত, প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, বেসামরিক তদারকি ও জবাবদিহির ব্যবস্থার সুপারিশ করা হয়েছিল। জাতিসংঘের সুপারিশগুলোতেও জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী করার আহ্বান জানানো হয়েছে, যাতে এটি স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলোর তদন্ত চালাতে পারে।

জাতিসংঘের সনদভিত্তিক সংস্থাগুলোর (ট্রিটি বডি) সুপারিশে বিশেষভাবে জোর দিয়ে বলা হয়েছে, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগগুলো সরাসরি তদন্ত করার এখতিয়ার জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে দিতে হবে।


অগ্নিশিখা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মোর্শেদ আলম
সম্পাদক কর্তৃক “তুহিন প্রেস”, ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় । সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ করিম চেম্বার (৪র্থ তলা) ৯৯ মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
কপিরাইট © ২০২৬ অগ্নিশিখা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত