বিনোদন অঙ্গনে ভালো কিছু কাজ উপহার দেওয়ার স্বপ্ন নিয়েই পথচলা শুরু করেছিলেন রাইসা সুলতানা। তবে সেই পথ মোটেও সহজ ছিল না। প্রায় দুই বছর ধরে অডিশন, ছোট চরিত্রের প্রস্তাব আর নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে অবশেষে ‘ফেস অব টুমরো’ ট্রফি জিতে নিজের স্বপ্নের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন তিনি।
রাইসা জানান, ইন্ডাস্ট্রিতে শুরুর দিকে বেশিরভাগ সময়ই ছোট চরিত্রের প্রস্তাব পেতেন। আর বড় চরিত্রের কথা উঠলেই শুনতে হতো, তুমি তো নতুন, তোমাকে কেন সুযোগ দেব? কখনো আবার কাজের বদলে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করার ইঙ্গিতও দেওয়া হতো।
তার ভাষায়, আমি প্রথম থেকেই ঠিক করে রেখেছিলাম, কাজের জন্য যত পরিশ্রমই করতে হোক, নিজের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করব না। ত্যাগ থাকলে সেটা হবে কাজের জন্য, নিজের মর্যাদার জন্য নয়।
তিনি আরও বলেন, এই সময়ের মধ্যে ধারাবাহিক নাটকে কাজ করলেও একক নাটকে প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পাননি। পরে ‘চলো ঘুরে আসি’ প্রজেক্টের জন্য নিবন্ধন করেন, যেখানে ১০ জন নির্মাতা ১০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য গল্প নির্মাণ করবেন। নিবন্ধনের পর বুট ক্যাম্পে অংশ নিয়ে পাঁচ ধাপের এলিমিনেশন পেরিয়ে জায়গা করে নেন চূড়ান্ত পর্বে।
শেষ পর্যন্ত ‘ফেস অব টুমরো’ বিজয়ী হওয়ার অনুভূতি জানিয়ে রাইসা বলেন, এই ট্রফিটা শুধু একটি পুরস্কার নয়, এটা আমার নিজের কাছে করা সবচেয়ে বড় প্রশ্নের উত্তর। আমি পারব কি না, সেই উত্তর আমি এই ট্রফি জয়ের মধ্যেই খুঁজে পেয়েছি।
রাইসা সুলতানার বিশ্বাস, এই অর্জন তাকে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে এবং সামনে দর্শকদের জন্য আরও মানসম্মত কাজ উপহার দিতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিনোদন অঙ্গনে ভালো কিছু কাজ উপহার দেওয়ার স্বপ্ন নিয়েই পথচলা শুরু করেছিলেন রাইসা সুলতানা। তবে সেই পথ মোটেও সহজ ছিল না। প্রায় দুই বছর ধরে অডিশন, ছোট চরিত্রের প্রস্তাব আর নানা প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে অবশেষে ‘ফেস অব টুমরো’ ট্রফি জিতে নিজের স্বপ্নের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন তিনি।
রাইসা জানান, ইন্ডাস্ট্রিতে শুরুর দিকে বেশিরভাগ সময়ই ছোট চরিত্রের প্রস্তাব পেতেন। আর বড় চরিত্রের কথা উঠলেই শুনতে হতো, তুমি তো নতুন, তোমাকে কেন সুযোগ দেব? কখনো আবার কাজের বদলে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করার ইঙ্গিতও দেওয়া হতো।
তার ভাষায়, আমি প্রথম থেকেই ঠিক করে রেখেছিলাম, কাজের জন্য যত পরিশ্রমই করতে হোক, নিজের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করব না। ত্যাগ থাকলে সেটা হবে কাজের জন্য, নিজের মর্যাদার জন্য নয়।
তিনি আরও বলেন, এই সময়ের মধ্যে ধারাবাহিক নাটকে কাজ করলেও একক নাটকে প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পাননি। পরে ‘চলো ঘুরে আসি’ প্রজেক্টের জন্য নিবন্ধন করেন, যেখানে ১০ জন নির্মাতা ১০টি স্বল্পদৈর্ঘ্য গল্প নির্মাণ করবেন। নিবন্ধনের পর বুট ক্যাম্পে অংশ নিয়ে পাঁচ ধাপের এলিমিনেশন পেরিয়ে জায়গা করে নেন চূড়ান্ত পর্বে।
শেষ পর্যন্ত ‘ফেস অব টুমরো’ বিজয়ী হওয়ার অনুভূতি জানিয়ে রাইসা বলেন, এই ট্রফিটা শুধু একটি পুরস্কার নয়, এটা আমার নিজের কাছে করা সবচেয়ে বড় প্রশ্নের উত্তর। আমি পারব কি না, সেই উত্তর আমি এই ট্রফি জয়ের মধ্যেই খুঁজে পেয়েছি।
রাইসা সুলতানার বিশ্বাস, এই অর্জন তাকে আরও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে এবং সামনে দর্শকদের জন্য আরও মানসম্মত কাজ উপহার দিতে পারবেন।

আপনার মতামত লিখুন