ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অগ্নিশিখা

হত্যাকাণ্ডের ৬ ঘণ্টার মধ্যে বন্দর পুলিশের অভিযানে ১১ জন গ্রেফতার, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার



হত্যাকাণ্ডের ৬ ঘণ্টার মধ্যে বন্দর পুলিশের অভিযানে ১১ জন গ্রেফতার, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার
ছবি: প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার সালেহ নগর এলাকায় ব্যবসায়ী জাহিদ আল আমিন ওরফে বুলবুল (৪০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৬ ঘণ্টার মধ্যে ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, নিহত জাহিদ আল আমিন ওরফে বুলবুল পেশায় একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় তিনি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের খাবার সরবরাহ করতেন। এ ঘটনায় শেখ সিফাতসহ তার সহযোগীরা তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ২৩ জুলাই রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে শেখ সিফাতসহ তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র, চাপাতি, লোহার পাইপ ও রড নিয়ে বেআইনি জনতায় দলবদ্ধ হয়ে বন্দর থানাধীন শাহী মসজিদ এলাকার ভিকটিমের অটোরিকশার গ্যারেজে প্রবেশ করে। সেখানে থাকা অটোরিকশা, চার্জার, ব্যাটারিসহ মোট ১৮ লাখ ১৭ হাজার ৪০০ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় জাহিদ আল আমিন বাদী হয়ে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকেই তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ২০ আগস্ট ২০২৬ রাত আনুমানিক ৮টা ৪০ মিনিটে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বন্দর থানাধীন সালেহ নগর এলাকায় তাহের আলী প্রধানের বাড়ির সামনে পাকা রাস্তায় পৌঁছালে শেখ সিফাতসহ অন্যান্য আসামি ও অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জন তার পথরোধ করে। এ সময় শেখ সিফাতের প্রকাশ্য নির্দেশ ও নেতৃত্বে সহযোগীরা ধারালো অস্ত্র, লোহার এসএস পাইপ, রামদা, চাপাতি, সুইচ গিয়ার ও চাকু দিয়ে জাহিদ আল আমিনকে হত্যার উদ্দেশ্যে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপায়। এতে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন।

পরে নিহতের ভাই লোকমুখে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় জাহিদ আল আমিনকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় বন্দর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটির নম্বর ৪০, তারিখ ২১ আগস্ট ২০২৬; মামলা করা হয়েছে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায়।

হত্যাকাণ্ডের খবর পাওয়ার পর নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তারেক আল মেহেদীর নেতৃত্বে পুলিশ লাইন্স থেকে অতিরিক্ত ফোর্স ও জেলা গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করেন।

একই সময়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ‘খ’ সার্কেল দীপংকর ঘোষের তদারকিতে এবং বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে বন্দর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযান চালায়। রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে পাক পাঞ্জাতন সিটি জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকা থেকে শেখ সিফাতসহ ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের নাম-ঠিকানা

১. শেখ সিফাত (৩২), পিতা- শেখ শাহিন ওরফে রিং শাহিন, মাতা- ডালিয়া আক্তার, সাং- শাহী মসজিদ।

২. জুম্মন ওরফে হোয়াইট জুম্মন (২৯), পিতা- আলী আকবর, মাতা- জরিনা বেগম, সাং- কদম রসুল ফকিরবাড়ী।

৩. মাহবুব হোসেন ওরফে মাহাফুজ (৩২), পিতা- রবিউল হোসেন, মাতা- মমি বেগম, সাং- বারপাড়া।

৪. রিয়াদ (৩৩), পিতা- সোবাহান, মাতা- নাজমা, সাং- বন্দর শাহী মসজিদ।

৫. মো. সিয়াম (২৫), পিতা- মো. সুলাইমান, মাতা- মোছা. শাহনাজ, সাং- কদম রসুল কলেজ মাঠ পানির ট্যাংকি।

৬. মোছা. মিনারা (৩৫), স্বামী- পারভেজ, পিতা- বাবু মিয়া, সাং- সালেহ নগর।

৭. নাসিমা (৩৬), স্বামী- মাসুদ মিয়া, পিতা- মুনছুর আলম, সাং- সালেহ নগর।

৮. রুমা (৩৬), স্বামী- মো. দেলোয়ার হোসেন, পিতা- মৃত হানিফ, মাতা- আমিনা বেগম, সাং- সালেহ নগর।

৯. ইফরান (২৯), পিতা- ইমরান আলী, মাতা- ফাতেমা বেগম, সাং- চিতাশাল।

১০. ইয়াসমিন (৪০), পিতা- মো. মিজান, মাতা- মাসুদা বেগম, স্বামী- দ্বীন ইসলাম, সাং- শাহী মসজিদ বৌ-বাজার।

১১. সিজান ওরফে জিসান (২৬), পিতা- সোহেল, মাতা- মোছা. আইরিন বেগম, সাং- চৌধুরীবাড়ী কাজীবাড়ী কলোনী।

গ্রেফতারকৃত সবাই বন্দর থানা, নারায়ণগঞ্জ জেলার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, গ্রেফতারকৃত শেখ সিফাতের বিরুদ্ধে ১৪টি, জুম্মন ওরফে হোয়াইট জুম্মনের বিরুদ্ধে ৯টি এবং রিয়াদের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শেখ সিফাত ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযানে ১টি ছ্যানদা, ১টি সুইচ গিয়ার চাকু, ১টি স্টিলের চাপাতি, ১টি স্টিলের সুইচ গিয়ার চাকু, ১টি লোহার পাইপ, ১টি প্লাস্টিকের বাটযুক্ত স্টিলের ছুরি, ১টি ওয়াকিটকি এবং ৪টি এসএসের লোহার পাইপ উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন

অগ্নিশিখা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


হত্যাকাণ্ডের ৬ ঘণ্টার মধ্যে বন্দর পুলিশের অভিযানে ১১ জন গ্রেফতার, দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার

প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার সালেহ নগর এলাকায় ব্যবসায়ী জাহিদ আল আমিন ওরফে বুলবুল (৪০) হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ৬ ঘণ্টার মধ্যে ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, নিহত জাহিদ আল আমিন ওরফে বুলবুল পেশায় একজন ব্যবসায়ী ছিলেন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় তিনি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরনের খাবার সরবরাহ করতেন। এ ঘটনায় শেখ সিফাতসহ তার সহযোগীরা তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ২৩ জুলাই রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে শেখ সিফাতসহ তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র, চাপাতি, লোহার পাইপ ও রড নিয়ে বেআইনি জনতায় দলবদ্ধ হয়ে বন্দর থানাধীন শাহী মসজিদ এলাকার ভিকটিমের অটোরিকশার গ্যারেজে প্রবেশ করে। সেখানে থাকা অটোরিকশা, চার্জার, ব্যাটারিসহ মোট ১৮ লাখ ১৭ হাজার ৪০০ টাকার মালামাল চুরি করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় জাহিদ আল আমিন বাদী হয়ে বন্দর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকেই তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ জানায়, গত ২০ আগস্ট ২০২৬ রাত আনুমানিক ৮টা ৪০ মিনিটে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে বন্দর থানাধীন সালেহ নগর এলাকায় তাহের আলী প্রধানের বাড়ির সামনে পাকা রাস্তায় পৌঁছালে শেখ সিফাতসহ অন্যান্য আসামি ও অজ্ঞাতনামা আরও ১০ থেকে ১৫ জন তার পথরোধ করে। এ সময় শেখ সিফাতের প্রকাশ্য নির্দেশ ও নেতৃত্বে সহযোগীরা ধারালো অস্ত্র, লোহার এসএস পাইপ, রামদা, চাপাতি, সুইচ গিয়ার ও চাকু দিয়ে জাহিদ আল আমিনকে হত্যার উদ্দেশ্যে শরীরের বিভিন্ন স্থানে কোপায়। এতে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন।

পরে নিহতের ভাই লোকমুখে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় জাহিদ আল আমিনকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় বন্দর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটির নম্বর ৪০, তারিখ ২১ আগস্ট ২০২৬; মামলা করা হয়েছে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায়।

হত্যাকাণ্ডের খবর পাওয়ার পর নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) তারেক আল মেহেদীর নেতৃত্বে পুলিশ লাইন্স থেকে অতিরিক্ত ফোর্স ও জেলা গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করেন।

একই সময়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ‘খ’ সার্কেল দীপংকর ঘোষের তদারকিতে এবং বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে বন্দর থানা পুলিশের একটি চৌকস দল অভিযান চালায়। রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে পাক পাঞ্জাতন সিটি জামে মসজিদ সংলগ্ন এলাকা থেকে শেখ সিফাতসহ ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র ও অন্যান্য আলামত উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদের নাম-ঠিকানা

১. শেখ সিফাত (৩২), পিতা- শেখ শাহিন ওরফে রিং শাহিন, মাতা- ডালিয়া আক্তার, সাং- শাহী মসজিদ।

২. জুম্মন ওরফে হোয়াইট জুম্মন (২৯), পিতা- আলী আকবর, মাতা- জরিনা বেগম, সাং- কদম রসুল ফকিরবাড়ী।

৩. মাহবুব হোসেন ওরফে মাহাফুজ (৩২), পিতা- রবিউল হোসেন, মাতা- মমি বেগম, সাং- বারপাড়া।

৪. রিয়াদ (৩৩), পিতা- সোবাহান, মাতা- নাজমা, সাং- বন্দর শাহী মসজিদ।

৫. মো. সিয়াম (২৫), পিতা- মো. সুলাইমান, মাতা- মোছা. শাহনাজ, সাং- কদম রসুল কলেজ মাঠ পানির ট্যাংকি।

৬. মোছা. মিনারা (৩৫), স্বামী- পারভেজ, পিতা- বাবু মিয়া, সাং- সালেহ নগর।

৭. নাসিমা (৩৬), স্বামী- মাসুদ মিয়া, পিতা- মুনছুর আলম, সাং- সালেহ নগর।

৮. রুমা (৩৬), স্বামী- মো. দেলোয়ার হোসেন, পিতা- মৃত হানিফ, মাতা- আমিনা বেগম, সাং- সালেহ নগর।

৯. ইফরান (২৯), পিতা- ইমরান আলী, মাতা- ফাতেমা বেগম, সাং- চিতাশাল।

১০. ইয়াসমিন (৪০), পিতা- মো. মিজান, মাতা- মাসুদা বেগম, স্বামী- দ্বীন ইসলাম, সাং- শাহী মসজিদ বৌ-বাজার।

১১. সিজান ওরফে জিসান (২৬), পিতা- সোহেল, মাতা- মোছা. আইরিন বেগম, সাং- চৌধুরীবাড়ী কাজীবাড়ী কলোনী।

গ্রেফতারকৃত সবাই বন্দর থানা, নারায়ণগঞ্জ জেলার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, গ্রেফতারকৃত শেখ সিফাতের বিরুদ্ধে ১৪টি, জুম্মন ওরফে হোয়াইট জুম্মনের বিরুদ্ধে ৯টি এবং রিয়াদের বিরুদ্ধে ৪টি মামলা বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, শেখ সিফাত ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযানে ১টি ছ্যানদা, ১টি সুইচ গিয়ার চাকু, ১টি স্টিলের চাপাতি, ১টি স্টিলের সুইচ গিয়ার চাকু, ১টি লোহার পাইপ, ১টি প্লাস্টিকের বাটযুক্ত স্টিলের ছুরি, ১টি ওয়াকিটকি এবং ৪টি এসএসের লোহার পাইপ উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃত আসামিদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।


অগ্নিশিখা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মোর্শেদ আলম
সম্পাদক কর্তৃক “তুহিন প্রেস”, ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় । সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ করিম চেম্বার (৪র্থ তলা) ৯৯ মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
কপিরাইট © ২০২৬ অগ্নিশিখা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত