নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট : সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনের কথা থাকলেও বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দিবসটি পালিত হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) সরেজমিনে গিয়ে একটি বিদ্যালয় সারাদিন তালাবদ্ধ এবং অন্য বিদ্যালয়ে কর্মসূচির দৃশ্যমান কোনো আলামত না পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে উপজেলা শিক্ষা বিভাগ সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চেয়ে তদন্ত শুরু করেছে।
অভিযোগের আওতায় থাকা বিদ্যালয় দুটি হলো ১০৯ নম্বর উত্তর সুতালড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ২৩৭ নম্বর শহীদনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
সরেজমিনে ১০৯ নম্বর উত্তর সুতালড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলছে। কোনো শিক্ষক, শিক্ষার্থী কিংবা কর্মচারীর উপস্থিতি ছিল না। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রহিমা আক্তার জানান, তিনি কয়েকদিন ধরে মেডিকেল ছুটিতে রয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী জাহিদ ফরাজি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন সংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা তাকে দেওয়া হয়নি। সহকারী শিক্ষিকা শারমিন আক্তার ও মারজানা জানান, প্রতিদিনের মতো সকালে বিদ্যালয়ে এসে তালাবদ্ধ দেখতে পান। দিবসটি উপলক্ষে কোনো কর্মসূচির বিষয়ে তাদের আগে থেকে জানানো হয়নি। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে তারা বাড়ি ফিরে যান।
অন্যদিকে, ২৩৭ নম্বর শহীদনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ওমর ফারুক তালুকদার দাবি করেন, তিনি অন্যান্য শিক্ষকদের নিয়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা করেছেন। তবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী উপস্থিত না হওয়ায় আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি সীমিত ছিল। কর্মসূচির ব্যানার, ছবি বা অন্য কোনো তথ্য-প্রমাণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে ব্যানার প্রদর্শন কিংবা ছবি তোলা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার মো. শেফাইনুর আরেফিন বলেন, সংশ্লিষ্ট দুই বিদ্যালয়কে কর্মসূচি পালনের প্রমাণপত্র দাখিল করতে বলা হয়েছে। কর্মসূচি পালন না হয়ে থাকলে তার কারণ লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবস পালনে এমন অনিয়মের অভিযোগে শিক্ষা অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এখন তদন্তের ফলাফল এবং শিক্ষা বিভাগের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর সংশ্লিষ্ট সবার।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট : সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সারাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনের কথা থাকলেও বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দিবসটি পালিত হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (৫ আগস্ট) সরেজমিনে গিয়ে একটি বিদ্যালয় সারাদিন তালাবদ্ধ এবং অন্য বিদ্যালয়ে কর্মসূচির দৃশ্যমান কোনো আলামত না পাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ঘটনাটি জানাজানি হলে উপজেলা শিক্ষা বিভাগ সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কাছে লিখিত ব্যাখ্যা চেয়ে তদন্ত শুরু করেছে।
অভিযোগের আওতায় থাকা বিদ্যালয় দুটি হলো ১০৯ নম্বর উত্তর সুতালড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ২৩৭ নম্বর শহীদনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
সরেজমিনে ১০৯ নম্বর উত্তর সুতালড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে তালা ঝুলছে। কোনো শিক্ষক, শিক্ষার্থী কিংবা কর্মচারীর উপস্থিতি ছিল না। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক রহিমা আক্তার জানান, তিনি কয়েকদিন ধরে মেডিকেল ছুটিতে রয়েছেন। এ বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
বিদ্যালয়ের নৈশপ্রহরী জাহিদ ফরাজি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন সংক্রান্ত কোনো নির্দেশনা তাকে দেওয়া হয়নি। সহকারী শিক্ষিকা শারমিন আক্তার ও মারজানা জানান, প্রতিদিনের মতো সকালে বিদ্যালয়ে এসে তালাবদ্ধ দেখতে পান। দিবসটি উপলক্ষে কোনো কর্মসূচির বিষয়ে তাদের আগে থেকে জানানো হয়নি। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে তারা বাড়ি ফিরে যান।
অন্যদিকে, ২৩৭ নম্বর শহীদনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ওমর ফারুক তালুকদার দাবি করেন, তিনি অন্যান্য শিক্ষকদের নিয়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত থেকে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা করেছেন। তবে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী উপস্থিত না হওয়ায় আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি সীমিত ছিল। কর্মসূচির ব্যানার, ছবি বা অন্য কোনো তথ্য-প্রমাণের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে ব্যানার প্রদর্শন কিংবা ছবি তোলা সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার মো. শেফাইনুর আরেফিন বলেন, সংশ্লিষ্ট দুই বিদ্যালয়কে কর্মসূচি পালনের প্রমাণপত্র দাখিল করতে বলা হয়েছে। কর্মসূচি পালন না হয়ে থাকলে তার কারণ লিখিতভাবে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা মিললে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবস পালনে এমন অনিয়মের অভিযোগে শিক্ষা অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এখন তদন্তের ফলাফল এবং শিক্ষা বিভাগের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর সংশ্লিষ্ট সবার।

আপনার মতামত লিখুন