মোঃ রকিবুল ইসলাম : সিরাজগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, এনটিভি ও দৈনিক আমার দেশ-এর জেলা প্রতিনিধি শরীফুল ইসলাম ইন্না এবং তার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি ও অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও পরিবারের সার্বিক নিরাপত্তার দাবিতে আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক শরীফুল ইসলাম ইন্নার স্ত্রী শাপলা আহমেদ এসব অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শাপলা আহমেদ জানান, সিরাজগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছানোয়ার হোসেন সানু তার ছেলে শাফিন আহমেদ জিসানকে ফোনে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হত্যা এবং স্বামী শরীফুল ইসলাম ইন্নার পা কেটে ফেলার হুমকি দেন। একই সঙ্গে পরিবারটিকে উদ্দেশ্য করে অত্যন্ত অশ্লীল ও শ্লীলতাহানিকর মন্তব্য করা হয়। ইতিমধ্যে এই ঘটনার একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
বিরোধের কারণ হিসেবে তিনি জানান, সম্প্রতি সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্ট এবং তাতে ছেলের দেওয়া প্রতিক্রিয়াকে কেন্দ্র করে এই হুমকির সূচনা। এরপর থেকেই একটি প্রভাবশালী মহল তার স্বামী ও পরিবারকে লক্ষ্য করে ভুয়া ফেসবুক আইডি থেকে মানহানিকর অপপ্রচার চালাচ্ছে ও প্রাণনাশের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। এতে বর্তমানে পুরো পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে।
শাপলা আহমেদ অভিযোগ করেন, নিরাপত্তার স্বার্থে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, জেলা পুলিশ সুপার ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন করা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
তিনি ঘোষণা দেন, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১০টার মধ্যে অভিযুক্ত ছানোয়ার হোসেন সানু, তার ভাই সনি আহমেদ শামীমসহ সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সিরাজগঞ্জ শহরের স্বাধীনতা স্কয়ারে পরিবারসহ আমরণ অনশনে বসবেন।
সংবাদ সম্মেলনে শাফিন আহমেদ জিসানের দাদি ও সাবেক কাউন্সিলর বেগম খালেদা মান্নান, জেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম মিন্টু, সহ-প্রচার সম্পাদক ও সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক শফিকুল ইসলাম জিন্নাসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় ভুক্তভোগী পরিবারটির পক্ষ থেকে সাংবাদিক সমাজ, মানবাধিকার সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জুলাই ২০২৬
মোঃ রকিবুল ইসলাম : সিরাজগঞ্জ জেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক, এনটিভি ও দৈনিক আমার দেশ-এর জেলা প্রতিনিধি শরীফুল ইসলাম ইন্না এবং তার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি ও অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও পরিবারের সার্বিক নিরাপত্তার দাবিতে আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৭ জুলাই) দুপুরে সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক শরীফুল ইসলাম ইন্নার স্ত্রী শাপলা আহমেদ এসব অভিযোগ করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে শাপলা আহমেদ জানান, সিরাজগঞ্জ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছানোয়ার হোসেন সানু তার ছেলে শাফিন আহমেদ জিসানকে ফোনে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে হত্যা এবং স্বামী শরীফুল ইসলাম ইন্নার পা কেটে ফেলার হুমকি দেন। একই সঙ্গে পরিবারটিকে উদ্দেশ্য করে অত্যন্ত অশ্লীল ও শ্লীলতাহানিকর মন্তব্য করা হয়। ইতিমধ্যে এই ঘটনার একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
বিরোধের কারণ হিসেবে তিনি জানান, সম্প্রতি সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি পোস্ট এবং তাতে ছেলের দেওয়া প্রতিক্রিয়াকে কেন্দ্র করে এই হুমকির সূচনা। এরপর থেকেই একটি প্রভাবশালী মহল তার স্বামী ও পরিবারকে লক্ষ্য করে ভুয়া ফেসবুক আইডি থেকে মানহানিকর অপপ্রচার চালাচ্ছে ও প্রাণনাশের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। এতে বর্তমানে পুরো পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছে।
শাপলা আহমেদ অভিযোগ করেন, নিরাপত্তার স্বার্থে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, জেলা পুলিশ সুপার ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে লিখিত আবেদন করা হলেও এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
তিনি ঘোষণা দেন, মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সকাল ১০টার মধ্যে অভিযুক্ত ছানোয়ার হোসেন সানু, তার ভাই সনি আহমেদ শামীমসহ সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে সিরাজগঞ্জ শহরের স্বাধীনতা স্কয়ারে পরিবারসহ আমরণ অনশনে বসবেন।
সংবাদ সম্মেলনে শাফিন আহমেদ জিসানের দাদি ও সাবেক কাউন্সিলর বেগম খালেদা মান্নান, জেলা বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক খোরশেদ আলম মিন্টু, সহ-প্রচার সম্পাদক ও সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক শফিকুল ইসলাম জিন্নাসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় ভুক্তভোগী পরিবারটির পক্ষ থেকে সাংবাদিক সমাজ, মানবাধিকার সংগঠন ও সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন