নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ২২ জুলাই ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাদানীনগর এলাকায় আল-আমিন গার্মেন্টসের বিপরীতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা একত্রিত হয়ে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড, মিছিল ও স্লোগানের পরিকল্পনা করছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে সদস্যদের পরিচয় সংগ্রহ করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই (নিঃ) মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করেন। এজাহারে নামীয় ১৮ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৪০ জনকে আসামি করা হয়। এ ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ (সংশোধিত ২০১৩)-এর ৯, ১০, ১১ ও ১২ ধারায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশনায় এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এমদাদুল হকের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সমাবেশে নেতৃত্বদানকারী অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মাসুদ মিয়া (২৮), পিতা: আসাব উদ্দিন, সাং- নিমাই কাশারী, মাদানীনগর, ৩ নম্বর ওয়ার্ড, থানা- সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা- নারায়ণগঞ্জ। তাকে ২৩ জুলাই ২০২৬ সকাল আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে নিমাইকাশাড়ি মাদানীনগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অপর গ্রেপ্তারকৃত রাহুল (২৫), পিতা: মাসুম, সাং- নূরবাগ, ৩ নম্বর ওয়ার্ড, থানা- সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা- নারায়ণগঞ্জ। পুলিশ জানায়, তিনি ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক। তাকে একই দিন রাত আনুমানিক ৮টা ২০ মিনিটে বাগমারা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিধি মোতাবেক আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জুলাই ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের দুই সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্ত্রাস বিরোধী আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ২২ জুলাই ২০২৬ সকাল আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মাদানীনগর এলাকায় আল-আমিন গার্মেন্টসের বিপরীতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চট্টগ্রামমুখী লেনে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের সদস্যরা একত্রিত হয়ে সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ড, মিছিল ও স্লোগানের পরিকল্পনা করছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
পরবর্তীতে উপস্থিত সাক্ষীদের জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে সদস্যদের পরিচয় সংগ্রহ করে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই (নিঃ) মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে এজাহার দায়ের করেন। এজাহারে নামীয় ১৮ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৩০ থেকে ৪০ জনকে আসামি করা হয়। এ ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় সন্ত্রাস বিরোধী আইন, ২০০৯ (সংশোধিত ২০১৩)-এর ৯, ১০, ১১ ও ১২ ধারায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর নির্দেশনায় এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ এমদাদুল হকের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে সমাবেশে নেতৃত্বদানকারী অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মাসুদ মিয়া (২৮), পিতা: আসাব উদ্দিন, সাং- নিমাই কাশারী, মাদানীনগর, ৩ নম্বর ওয়ার্ড, থানা- সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা- নারায়ণগঞ্জ। তাকে ২৩ জুলাই ২০২৬ সকাল আনুমানিক ১১টা ১৫ মিনিটে নিমাইকাশাড়ি মাদানীনগর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
অপর গ্রেপ্তারকৃত রাহুল (২৫), পিতা: মাসুম, সাং- নূরবাগ, ৩ নম্বর ওয়ার্ড, থানা- সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা- নারায়ণগঞ্জ। পুলিশ জানায়, তিনি ৩ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক। তাকে একই দিন রাত আনুমানিক ৮টা ২০ মিনিটে বাগমারা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃতদের বিধি মোতাবেক আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন