নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে গার্মেন্টস কর্মী সাদিয়া আক্তার হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত পরকীয়া প্রেমিক আব্দুর রাজ্জাক ওরফে আরিয়ানাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গ্রেফতারের পর তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
মঙ্গলবার দুপুরে ফতুল্লার সাইনবোর্ড এলাকায় পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পিবিআইয়ের পরিদর্শক মিন্টু কুমার।
তিনি জানান, গত ১২ জুলাই সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি বাতেনপাড়া এলাকায় সংঘটিত সাদিয়া আক্তার হত্যা মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাক ওরফে আরিয়ানাকে ২১ জুলাই ঢাকার কেরানীগঞ্জের জিনজিরা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহত সাদিয়ার বিক্রি করা স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে।
পিবিআই জানায়, ঘটনার পরপরই সন্দেহভাজন হিসেবে নিহতের সাবেক স্বামী ইব্রাহিমকে ঘটনার চার ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তবে পরবর্তী তদন্তে হত্যার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটিত হয় এবং মূল অভিযুক্ত হিসেবে আব্দুর রাজ্জাকের সংশ্লিষ্টতা সামনে আসে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, স্বামী ইব্রাহিমের সঙ্গে দাম্পত্য কলহের জেরে সাদিয়া আক্তার তাকে তালাক দেন। পরে আব্দুর রাজ্জাক ওরফে আরিয়ানের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। একপর্যায়ে সাদিয়া বিয়ের জন্য চাপ দিলে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিরোধের এক পর্যায়ে আব্দুর রাজ্জাক শ্বাসরোধ করে সাদিয়াকে হত্যা করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে পিবিআই জানিয়েছে।
পিবিআই আরও জানায়, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে গার্মেন্টস কর্মী সাদিয়া আক্তার হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত পরকীয়া প্রেমিক আব্দুর রাজ্জাক ওরফে আরিয়ানাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। গ্রেফতারের পর তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
মঙ্গলবার দুপুরে ফতুল্লার সাইনবোর্ড এলাকায় পিবিআই কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পিবিআইয়ের পরিদর্শক মিন্টু কুমার।
তিনি জানান, গত ১২ জুলাই সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি বাতেনপাড়া এলাকায় সংঘটিত সাদিয়া আক্তার হত্যা মামলার তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাক ওরফে আরিয়ানাকে ২১ জুলাই ঢাকার কেরানীগঞ্জের জিনজিরা এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহত সাদিয়ার বিক্রি করা স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে।
পিবিআই জানায়, ঘটনার পরপরই সন্দেহভাজন হিসেবে নিহতের সাবেক স্বামী ইব্রাহিমকে ঘটনার চার ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তবে পরবর্তী তদন্তে হত্যার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটিত হয় এবং মূল অভিযুক্ত হিসেবে আব্দুর রাজ্জাকের সংশ্লিষ্টতা সামনে আসে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, স্বামী ইব্রাহিমের সঙ্গে দাম্পত্য কলহের জেরে সাদিয়া আক্তার তাকে তালাক দেন। পরে আব্দুর রাজ্জাক ওরফে আরিয়ানের সঙ্গে স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস শুরু করেন। একপর্যায়ে সাদিয়া বিয়ের জন্য চাপ দিলে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। বিরোধের এক পর্যায়ে আব্দুর রাজ্জাক শ্বাসরোধ করে সাদিয়াকে হত্যা করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান বলে পিবিআই জানিয়েছে।
পিবিআই আরও জানায়, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

আপনার মতামত লিখুন