ঢাকা: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে পাওনা আদায়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রাজধানীর চিনিশিল্প ভবনের ৮ম তলার হলরুমে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমিতির সভাপতি ফেরদৌস ইমামের সভাপতিত্বে এবং নূরুর ইসলাম পলাশের সঞ্চালনায় সমাবেশে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উৎসব বোনাসসহ দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া থাকা সকল পাওনা দ্রুত পরিশোধের জোর দাবি জানানো হয়।
সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল রক্ষা সংগ্রাম জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক কামরুজ্জামান ফিরোজ এবং যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজুল ইসলামসহ অন্যান্য অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক কামরুজ্জামান ফিরোজ বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চাকরি শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যে বকেয়াসহ উৎসব ভাতা ও চিকিৎসা ভাতা প্রদান করা রাষ্ট্রের অন্যতম মূল দায়িত্ব। আপনারা জীবনের দীর্ঘ সময় এই শিল্পে শ্রম দিয়েছেন, অথচ আজ পাওনা আদায়ে আন্দোলন করতে হচ্ছে। এটিই প্রমাণ করে রাষ্ট্র সাধারণ শ্রমিক, কৃষক ও মজলুম মানুষের প্রতিনিধিত্ব করছে না।
চিনিকলগুলোকে বেসরকারীকরণ (বি-রাষ্ট্রীয়করণ) করার চক্রান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ভারী শিল্পকে রক্ষা করা সকলের দায়িত্ব। তিনি অবসরপ্রাপ্তদের উদ্দেশ্যে পরবর্তী প্রজন্মের সুরক্ষায় চিনিকল রক্ষায় রাজপথে সোচ্চার হওয়া, গর্জে ওঠা ও জোর প্রতিবাদ জানানোর আহ্বান জানান।
শ্রমিক শ্রেণির মুক্তির লড়াইয়ে পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি আগামী ১০ আগস্ট দেশের চিনিশিল্প রক্ষা ও পাওনা আদায়ের দাবিতে ঘোষিত ‘মার্চ টু পিএমও’ (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা) কর্মসূচি সর্বাত্মকভাবে সফল করার আহ্বান জানান।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
ঢাকা: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির উদ্যোগে পাওনা আদায়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রাজধানীর চিনিশিল্প ভবনের ৮ম তলার হলরুমে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমিতির সভাপতি ফেরদৌস ইমামের সভাপতিত্বে এবং নূরুর ইসলাম পলাশের সঞ্চালনায় সমাবেশে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উৎসব বোনাসসহ দীর্ঘদিন ধরে বকেয়া থাকা সকল পাওনা দ্রুত পরিশোধের জোর দাবি জানানো হয়।
সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল রক্ষা সংগ্রাম জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক কামরুজ্জামান ফিরোজ এবং যুগ্ম আহ্বায়ক হাফিজুল ইসলামসহ অন্যান্য অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
প্রধান বক্তার বক্তব্যে জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক কামরুজ্জামান ফিরোজ বলেন, অবসরপ্রাপ্ত শ্রমিক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের চাকরি শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যে বকেয়াসহ উৎসব ভাতা ও চিকিৎসা ভাতা প্রদান করা রাষ্ট্রের অন্যতম মূল দায়িত্ব। আপনারা জীবনের দীর্ঘ সময় এই শিল্পে শ্রম দিয়েছেন, অথচ আজ পাওনা আদায়ে আন্দোলন করতে হচ্ছে। এটিই প্রমাণ করে রাষ্ট্র সাধারণ শ্রমিক, কৃষক ও মজলুম মানুষের প্রতিনিধিত্ব করছে না।
চিনিকলগুলোকে বেসরকারীকরণ (বি-রাষ্ট্রীয়করণ) করার চক্রান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি আরও বলেন, দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ভারী শিল্পকে রক্ষা করা সকলের দায়িত্ব। তিনি অবসরপ্রাপ্তদের উদ্দেশ্যে পরবর্তী প্রজন্মের সুরক্ষায় চিনিকল রক্ষায় রাজপথে সোচ্চার হওয়া, গর্জে ওঠা ও জোর প্রতিবাদ জানানোর আহ্বান জানান।
শ্রমিক শ্রেণির মুক্তির লড়াইয়ে পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে তিনি আগামী ১০ আগস্ট দেশের চিনিশিল্প রক্ষা ও পাওনা আদায়ের দাবিতে ঘোষিত ‘মার্চ টু পিএমও’ (প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা) কর্মসূচি সর্বাত্মকভাবে সফল করার আহ্বান জানান।

আপনার মতামত লিখুন