মোরেলগঞ্জ প্রতিনিধি : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল হোসেন মুফতির বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্বাস্থ্যসেবায় অবহেলার অভিযোগ এনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী, ভুক্তভোগী পরিবার ও সচেতন নাগরিকরা।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তার ব্যক্তিগত ক্লিনিকে রোগী ভর্তি করিয়ে সরকারি হাসপাতালের ওষুধ সরবরাহ করেন এবং সরকারি বরাদ্দের অর্থ অনিয়মের মাধ্যমে উত্তোলন ও অপব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবায় অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বে অবহেলার কারণে বহু রোগী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তারা।
বক্তারা বলেন, সরকারি হাসপাতাল সাধারণ মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল। কিন্তু অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলার কারণে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। এতে দরিদ্র ও সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ডা. কামাল হোসেন মুফতিকে অবিলম্বে দায়িত্ব থেকে অপসারণের দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে আইনের আওতায় এনে মোরেলগঞ্জ থেকে প্রত্যাহার করা হোক।
বক্তারা আরও বলেন, জনগণের করের টাকায় পরিচালিত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে কোনোভাবেই ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করা যাবে না। স্বাস্থ্য খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
মানববন্ধনে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, নারী-পুরুষ এবং ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তবে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কামাল হোসেন মুফতির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংবাদে সংযুক্ত করা হবে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ জুলাই ২০২৬
মোরেলগঞ্জ প্রতিনিধি : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামাল হোসেন মুফতির বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার ও স্বাস্থ্যসেবায় অবহেলার অভিযোগ এনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন স্থানীয় এলাকাবাসী, ভুক্তভোগী পরিবার ও সচেতন নাগরিকরা।
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগ করেন, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তার ব্যক্তিগত ক্লিনিকে রোগী ভর্তি করিয়ে সরকারি হাসপাতালের ওষুধ সরবরাহ করেন এবং সরকারি বরাদ্দের অর্থ অনিয়মের মাধ্যমে উত্তোলন ও অপব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যসেবায় অব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বে অবহেলার কারণে বহু রোগী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তারা।
বক্তারা বলেন, সরকারি হাসপাতাল সাধারণ মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল। কিন্তু অনিয়ম, দুর্নীতি ও প্রশাসনিক বিশৃঙ্খলার কারণে স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। এতে দরিদ্র ও সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ডা. কামাল হোসেন মুফতিকে অবিলম্বে দায়িত্ব থেকে অপসারণের দাবি জানান। একই সঙ্গে তারা বলেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে আইনের আওতায় এনে মোরেলগঞ্জ থেকে প্রত্যাহার করা হোক।
বক্তারা আরও বলেন, জনগণের করের টাকায় পরিচালিত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে কোনোভাবেই ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করা যাবে না। স্বাস্থ্য খাতে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
মানববন্ধনে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, নারী-পুরুষ এবং ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
তবে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. কামাল হোসেন মুফতির বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বক্তব্য পাওয়া গেলে তা সংবাদে সংযুক্ত করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন