মো নজরুল ইসলাম : ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মোবাইল ফোন ও তথ্য-প্রমাণ লুকিয়ে মূল অভিযুক্তদের সহায়তাকারী আরেক ব্যক্তি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
আজ রবিবার (২১ জুন) সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম।
এর আগে গতকাল শনিবার (২০ জুন) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া প্রাইমারি স্কুল সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরে একই দিন রাত ৯টার দিকে আশুলিয়া থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন, সিফাত (১৮) জামগড়া প্রাইমারি স্কুলের পেছনের এলাকার মো. জয়নালের ছেলে মো. মমিন শেখ (১৮), ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার চাপখন্ড এলাকার মো. মোবারক শেখের ছেলে মো. সুমন শেখ (১৮), সিরাজগঞ্জ জেলার সলংগা থানার রাউলী এলাকার মো. দেলোয়ার শেখের ছেলে।
এ মামলায় ঘটনার সাথে জড়িত মো. জাকির হোসেন নামে অপর এক অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী ও অন্যান্য আসামিদের মোবাইল ফোন নিজের হেফাজতে নিয়ে তথ্য গোপন এবং আলামত বা প্রমাণ নষ্টের চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গতকাল শনিবার সকাল ১১টার দিকে পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে ভুক্তভোগী কিশোরীকে জামগড়া প্রাইমারি স্কুলের পেছনে সিফাতের ভাড়া বাসায় নিয়ে যায় মমিন। সেখানে সিফাত, মমিন ও সুমন মিলে ওই কিশোরীকে জোরপূর্বক সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। ঘটনার পর বিষয়টি জানাজানি হলে আশুলিয়া জামগড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই রাশেদ ও সঙ্গীয় ফোর্স দ্রুত অভিযান চালিয়ে জামগড়া এলাকা থেকেই অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার পর মোবাইল ফোন ও তথ্য-প্রমাণ লুকিয়ে পালিয়ে যাওয়া অপর অভিযুক্ত জাকিরকে গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুন ২০২৬
মো নজরুল ইসলাম : ঢাকার সাভারের আশুলিয়ায় ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ডেকে নিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে তিন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় মোবাইল ফোন ও তথ্য-প্রমাণ লুকিয়ে মূল অভিযুক্তদের সহায়তাকারী আরেক ব্যক্তি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।
আজ রবিবার (২১ জুন) সকালে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম।
এর আগে গতকাল শনিবার (২০ জুন) সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের জামগড়া প্রাইমারি স্কুল সংলগ্ন একটি ভাড়া বাসায় এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরে একই দিন রাত ৯টার দিকে আশুলিয়া থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন, সিফাত (১৮) জামগড়া প্রাইমারি স্কুলের পেছনের এলাকার মো. জয়নালের ছেলে মো. মমিন শেখ (১৮), ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী উপজেলার চাপখন্ড এলাকার মো. মোবারক শেখের ছেলে মো. সুমন শেখ (১৮), সিরাজগঞ্জ জেলার সলংগা থানার রাউলী এলাকার মো. দেলোয়ার শেখের ছেলে।
এ মামলায় ঘটনার সাথে জড়িত মো. জাকির হোসেন নামে অপর এক অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী ও অন্যান্য আসামিদের মোবাইল ফোন নিজের হেফাজতে নিয়ে তথ্য গোপন এবং আলামত বা প্রমাণ নষ্টের চেষ্টার অভিযোগ রয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, গতকাল শনিবার সকাল ১১টার দিকে পূর্বপরিচয়ের সূত্র ধরে ভুক্তভোগী কিশোরীকে জামগড়া প্রাইমারি স্কুলের পেছনে সিফাতের ভাড়া বাসায় নিয়ে যায় মমিন। সেখানে সিফাত, মমিন ও সুমন মিলে ওই কিশোরীকে জোরপূর্বক সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে। ঘটনার পর বিষয়টি জানাজানি হলে আশুলিয়া জামগড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই রাশেদ ও সঙ্গীয় ফোর্স দ্রুত অভিযান চালিয়ে জামগড়া এলাকা থেকেই অভিযুক্ত তিনজনকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে।
এ বিষয়ে আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার পর মোবাইল ফোন ও তথ্য-প্রমাণ লুকিয়ে পালিয়ে যাওয়া অপর অভিযুক্ত জাকিরকে গ্রেপ্তারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান।

আপনার মতামত লিখুন