মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পৌরসভার মেইন রোড নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্মাণস্থলে নিম্নমানের ও ভাঙা ইট ব্যবহারের অভিযোগে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়ক নির্মাণকাজে ব্যবহারের জন্য বিপুল পরিমাণ ভাঙা ও নিম্নমানের ইট মজুদ রাখা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হলে সড়কের স্থায়িত্ব ও গুণগত মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, কাজের শুরু থেকেই নির্মাণসামগ্রীর মান নিয়ে প্রশ্ন ছিল। তারা অভিযোগ করেন, যথাযথ তদারকির অভাবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের ইট ব্যবহার করছে, যা ভবিষ্যতে সড়কটির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত নির্মাণসামগ্রী পরীক্ষা করে কাজের মান নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের মতে, অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে সরকারি অর্থের অপচয় হবে এবং সাধারণ মানুষ দীর্ঘমেয়াদে ভোগান্তির শিকার হবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও পৌর কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুন ২০২৬
মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পৌরসভার মেইন রোড নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নির্মাণস্থলে নিম্নমানের ও ভাঙা ইট ব্যবহারের অভিযোগে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সড়ক নির্মাণকাজে ব্যবহারের জন্য বিপুল পরিমাণ ভাঙা ও নিম্নমানের ইট মজুদ রাখা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্পে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হলে সড়কের স্থায়িত্ব ও গুণগত মান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসী জানান, কাজের শুরু থেকেই নির্মাণসামগ্রীর মান নিয়ে প্রশ্ন ছিল। তারা অভিযোগ করেন, যথাযথ তদারকির অভাবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিম্নমানের ইট ব্যবহার করছে, যা ভবিষ্যতে সড়কটির জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত নির্মাণসামগ্রী পরীক্ষা করে কাজের মান নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের মতে, অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে সরকারি অর্থের অপচয় হবে এবং সাধারণ মানুষ দীর্ঘমেয়াদে ভোগান্তির শিকার হবে।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও পৌর কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন