মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে চাঞ্চল্যকর এক অভিযানে গোয়ালঘরে গড়ে তোলা অবৈধ সিগারেট তৈরির কারখানা থেকে বিপুল পরিমাণ নকল সিগারেট, চোরাই যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
শুক্রবার দিবাগত রাতে মোরেলগঞ্জ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সানকিভাসা এলাকায় মৃত রতন আলী খানের বাড়ির একটি গোয়ালঘরে পরিচালিত অভিযানে প্রায় ৫০ লাখ শলাকা নকল ডার্বি সিগারেট, সিগারেট তৈরির মেশিন, কাঁচামাল এবং বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। স্থানীয়ভাবে “ক্রাউন টোব্যাকো ইন্ডাস্ট্রিজ” নাম ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে অবৈধভাবে সিগারেট উৎপাদনের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জেলা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. নজরুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেজবাহ উদ্দিন, মোরেলগঞ্জ থানার ওসি মো. মাহমুদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তম কুমারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রীন বাংলা টোবাকো কারখানার মালিক সোমনাথ দে অভিযোগ করেছেন যে, তার প্রতিষ্ঠানের সাবেক ম্যানেজার বদরুল ইসলাম খান দায়িত্বে থাকা অবস্থায় কারখানার মূল্যবান মেশিন, যন্ত্রপাতি ও বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল আত্মসাৎ করে নিয়ে যান। গত আগস্ট মাসে কোটি টাকার এসব মালামাল চুরির ঘটনায় মামলা দায়েরের পর থেকে তদন্ত চলছিল।
দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর আদালতের নির্দেশে পরিচালিত অভিযানে বদরুল ইসলাম খানের আপন ভাই মৃত রতন খানের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে চুরি হওয়া মালামালের একটি বড় অংশ উদ্ধার করা হয় বলে জানা গেছে।
ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “বিপুল পরিমাণ চোরাই মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এগুলো চুরি হওয়া শিল্পকারখানার যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল বলে প্রতীয়মান হয়েছে। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং আরও মালামাল উদ্ধারের সম্ভাবনা রয়েছে।”
মোরেলগঞ্জ থানার ওসি মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, “আদালতের নির্দেশে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মালামাল জব্দ করা হয়েছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে গোয়ালঘরকে আড়াল হিসেবে ব্যবহার করে অবৈধভাবে সিগারেট উৎপাদন ও বাজারজাত করা হলেও বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসেনি। এখন পুরো ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ জুন ২০২৬
মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে চাঞ্চল্যকর এক অভিযানে গোয়ালঘরে গড়ে তোলা অবৈধ সিগারেট তৈরির কারখানা থেকে বিপুল পরিমাণ নকল সিগারেট, চোরাই যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল উদ্ধার করেছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। উদ্ধারকৃত মালামালের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ কোটি টাকা বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
শুক্রবার দিবাগত রাতে মোরেলগঞ্জ পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সানকিভাসা এলাকায় মৃত রতন আলী খানের বাড়ির একটি গোয়ালঘরে পরিচালিত অভিযানে প্রায় ৫০ লাখ শলাকা নকল ডার্বি সিগারেট, সিগারেট তৈরির মেশিন, কাঁচামাল এবং বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। স্থানীয়ভাবে “ক্রাউন টোব্যাকো ইন্ডাস্ট্রিজ” নাম ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে অবৈধভাবে সিগারেট উৎপাদনের অভিযোগ রয়েছে।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন জেলা ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. নজরুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেজবাহ উদ্দিন, মোরেলগঞ্জ থানার ওসি মো. মাহমুদুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উত্তম কুমারসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রীন বাংলা টোবাকো কারখানার মালিক সোমনাথ দে অভিযোগ করেছেন যে, তার প্রতিষ্ঠানের সাবেক ম্যানেজার বদরুল ইসলাম খান দায়িত্বে থাকা অবস্থায় কারখানার মূল্যবান মেশিন, যন্ত্রপাতি ও বিপুল পরিমাণ কাঁচামাল আত্মসাৎ করে নিয়ে যান। গত আগস্ট মাসে কোটি টাকার এসব মালামাল চুরির ঘটনায় মামলা দায়েরের পর থেকে তদন্ত চলছিল।
দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর আদালতের নির্দেশে পরিচালিত অভিযানে বদরুল ইসলাম খানের আপন ভাই মৃত রতন খানের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে চুরি হওয়া মালামালের একটি বড় অংশ উদ্ধার করা হয় বলে জানা গেছে।
ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “বিপুল পরিমাণ চোরাই মালামাল উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এগুলো চুরি হওয়া শিল্পকারখানার যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল বলে প্রতীয়মান হয়েছে। তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং আরও মালামাল উদ্ধারের সম্ভাবনা রয়েছে।”
মোরেলগঞ্জ থানার ওসি মো. মাহমুদুর রহমান বলেন, “আদালতের নির্দেশে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মালামাল জব্দ করা হয়েছে এবং তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে গোয়ালঘরকে আড়াল হিসেবে ব্যবহার করে অবৈধভাবে সিগারেট উৎপাদন ও বাজারজাত করা হলেও বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসেনি। এখন পুরো ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন