অবৈধ চেয়ারম্যানের অপসারণ, আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, গ্রাহকদের স্বার্থ সংরক্ষণ, এস আলম ও ফ্যাসিবাদের দোসরদের বয়কট এবং গ্রাহকদের ওপর আরোপিত নির্যাতনমূলক নীতির প্রতিবাদে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের উদ্যোগে এক ঘণ্টার কলম বিরতি কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাজধানীর বাসাবো শাখার সামনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে ব্যাংকের গ্রাহক, সচেতন নাগরিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
কর্মসূচিতে বক্তারা অভিযোগ করেন, ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের আমানতের নিরাপত্তা ও স্বার্থ হুমকির মুখে পড়েছে। তারা ব্যাংকের পরিচালনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গ্রাহকবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।
বক্তারা বলেন, দেশের ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম, দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। একই সঙ্গে গ্রাহকদের ন্যায্য অধিকার ও আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা, ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
এ সময় উপস্থিত ব্যক্তিরা কর্মসূচির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে ব্যাংকিং খাতে জনআস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জুন ২০২৬
অবৈধ চেয়ারম্যানের অপসারণ, আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, গ্রাহকদের স্বার্থ সংরক্ষণ, এস আলম ও ফ্যাসিবাদের দোসরদের বয়কট এবং গ্রাহকদের ওপর আরোপিত নির্যাতনমূলক নীতির প্রতিবাদে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের উদ্যোগে এক ঘণ্টার কলম বিরতি কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাজধানীর বাসাবো শাখার সামনে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে ব্যাংকের গ্রাহক, সচেতন নাগরিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
কর্মসূচিতে বক্তারা অভিযোগ করেন, ব্যাংকের বর্তমান পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের আমানতের নিরাপত্তা ও স্বার্থ হুমকির মুখে পড়েছে। তারা ব্যাংকের পরিচালনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও গ্রাহকবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।
বক্তারা বলেন, দেশের ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম, দুর্নীতি ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পরিবেশ প্রতিষ্ঠা করা জরুরি। একই সঙ্গে গ্রাহকদের ন্যায্য অধিকার ও আমানতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান তারা।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষা, ব্যাংকিং খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
এ সময় উপস্থিত ব্যক্তিরা কর্মসূচির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে ব্যাংকিং খাতে জনআস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।

আপনার মতামত লিখুন