নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত আলোচিত জুয়েল ওরফে বালু জুয়েল হত্যা মামলার এজাহারনামীয় দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে বন্দর থানা পুলিশ।
নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর দিকনির্দেশনায় এবং বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম মোস্তফা আশরাফ উদ্দিন-এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মে দুপুরে বন্দর থানাধীন নাসিক ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের শান্তিনগর আশ্রায়ন প্রকল্প সংলগ্ন শীতলক্ষ্যা নদীর পাড় এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত জুয়েল ওরফে বালু জুয়েল (৪২) স্থানীয় বাসিন্দা ছিলেন।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সীমান্ত, খোকন, ফাহিম, আকাশ ও আশিকসহ একদল দুষ্কৃতিকারী দেশীয় ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জুয়েলের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করা হয়।
স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হত্যাকাণ্ডের সংবাদ পাওয়ার পরপরই বন্দর থানা পুলিশ দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই আসামি—আকাশ (২৩), পিতা: বাচ্চু মিয়া এবং আশিক (২৪), পিতা: মৃত রফিককে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় বন্দর থানায় একটি নিয়মিত হত্যা মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বন্দর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত আলোচিত জুয়েল ওরফে বালু জুয়েল হত্যা মামলার এজাহারনামীয় দুই আসামিকে গ্রেফতার করেছে বন্দর থানা পুলিশ।
নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর দিকনির্দেশনায় এবং বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম মোস্তফা আশরাফ উদ্দিন-এর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে পরিচালিত অভিযানে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মে দুপুরে বন্দর থানাধীন নাসিক ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের শান্তিনগর আশ্রায়ন প্রকল্প সংলগ্ন শীতলক্ষ্যা নদীর পাড় এলাকায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত জুয়েল ওরফে বালু জুয়েল (৪২) স্থানীয় বাসিন্দা ছিলেন।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সীমান্ত, খোকন, ফাহিম, আকাশ ও আশিকসহ একদল দুষ্কৃতিকারী দেশীয় ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জুয়েলের ওপর হামলা চালায়। এ সময় তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করা হয়।
স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে প্রথমে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
হত্যাকাণ্ডের সংবাদ পাওয়ার পরপরই বন্দর থানা পুলিশ দ্রুত অভিযান পরিচালনা করে ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই আসামি—আকাশ (২৩), পিতা: বাচ্চু মিয়া এবং আশিক (২৪), পিতা: মৃত রফিককে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, এ ঘটনায় বন্দর থানায় একটি নিয়মিত হত্যা মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন