রাজধানীর রামপুরা বউবাজার এলাকায় স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়েছেন কণ্ঠশিল্পী শায়রিন। গুরুতর আহত অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি নির্যাতনের অভিযোগ তুলে বিচার দাবি করেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভিডিওতে শায়রিন অভিযোগ করেন, তার স্বামী তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন এবং দেয়ালের সঙ্গে মাথা ধাক্কা দিলে তিনি রক্তাক্ত হন। পরে তাকে বাসার ভেতরে রেখে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে চলে যান বলেও দাবি করেন তিনি।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে শায়রিন বলেন, সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে দীর্ঘদিন ধরে সংসার টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছেন। তবে ধারাবাহিক নির্যাতনের পর আর নীরব থাকতে পারেননি।
তিনি আরও জানান, তার স্বামী দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার পর দেশে ফেরেন। এরপর থেকেই পারিবারিক কলহ ও নির্যাতনের ঘটনা বাড়তে থাকে বলে অভিযোগ তার।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীর বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন নেটিজেনরা। একই সঙ্গে নারী নির্যাতনের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।
বিশ্লেষকদের মতে, পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। সামাজিক ও পারিবারিক চাপে অনেক নারী নির্যাতনের শিকার হলেও প্রকাশ্যে আসেন না। তাই নারী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবার ও সমাজ—উভয় পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি বলে মনে করছেন তারা।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ মে ২০২৬
রাজধানীর রামপুরা বউবাজার এলাকায় স্বামীর নির্যাতনের শিকার হয়েছেন কণ্ঠশিল্পী শায়রিন। গুরুতর আহত অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় তিনি নির্যাতনের অভিযোগ তুলে বিচার দাবি করেন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
ভিডিওতে শায়রিন অভিযোগ করেন, তার স্বামী তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন এবং দেয়ালের সঙ্গে মাথা ধাক্কা দিলে তিনি রক্তাক্ত হন। পরে তাকে বাসার ভেতরে রেখে বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে চলে যান বলেও দাবি করেন তিনি।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে শায়রিন বলেন, সন্তানদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে দীর্ঘদিন ধরে সংসার টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেছেন। তবে ধারাবাহিক নির্যাতনের পর আর নীরব থাকতে পারেননি।
তিনি আরও জানান, তার স্বামী দীর্ঘদিন প্রবাসে থাকার পর দেশে ফেরেন। এরপর থেকেই পারিবারিক কলহ ও নির্যাতনের ঘটনা বাড়তে থাকে বলে অভিযোগ তার।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত স্বামীর বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন নেটিজেনরা। একই সঙ্গে নারী নির্যাতনের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও কার্যকর পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন নাগরিকরা।
বিশ্লেষকদের মতে, পারিবারিক সহিংসতার ঘটনা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। সামাজিক ও পারিবারিক চাপে অনেক নারী নির্যাতনের শিকার হলেও প্রকাশ্যে আসেন না। তাই নারী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পরিবার ও সমাজ—উভয় পর্যায়ে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি বলে মনে করছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন