মো নজরুল ইসলাম : ঢাকা জেলার সাভার উপজেলায় আশুলিয়ায় থানার শিমুলিয়া ইউনিয়নে বন্ধু পারভেজকে বাসায় ডেকে এনে কুপিয়ে হত্যা করেছে শাহাদাৎ নামের অন্য এক বন্ধু। এ ঘটনার পরপরই ঘাতক শাহাদাৎ পালিয়ে যাওয়ায় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার বাবা, মা ও ভাইকে আটক করে।
সোমবার (১১ মে) দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম।
এর আগে রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের কোনাপাড়া এলাকায় হাজী জয়নালের ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরেই এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিবেশ তৈরি হয়।
নিহত পারভেজ হোসেন (২৬) শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার রাণীগাঁও গ্রামের আজাহার আলীর ছেলে। সে আশুলিয়ার গোহাইলবাড়ি মেশিনপাড় এলাকায় স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করতো বলে জানা যায়।
ঘাতক শাহাদাৎ হোসেন (২৫) গাইবান্ধা জেলার সদর থানার কলাইহাটি কুমাড়পাড়া এলাকার আলমগীর হোসেনের ছেলে। তারা সকলেই আশুলিয়ার কোনাপাড়া এলাকার হাজী জয়নালের বাড়িতে ভাড়া বাসায় থাকতো।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বন্ধু পারভেজকে নিজ বাসায় দাওয়াত করে ডেকে আনেন শাহাদাৎ। পরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে শাহাদাত উত্তেজিত হয়ে তার ঘরে থাকা ধারালো দাঁ দিয়ে বন্ধু পারভেজকে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। পরে আশপাশের লোকজন গুরুতর আহত পারভেজকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঘাতক শাহাদাতের বাবা আলমগীর হোসেন, মা শাহিদা আক্তার এবং ভাই শাহিন হোসেনকে আটক করে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন লাস উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ঘাতকের মা, বাবা এবং ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। সেই সাথে ঘাতক শাহাদাৎ কে গ্রেফতারের জন্যে চেষ্টা চলছে বলেও তিনি জানান।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
মো নজরুল ইসলাম : ঢাকা জেলার সাভার উপজেলায় আশুলিয়ায় থানার শিমুলিয়া ইউনিয়নে বন্ধু পারভেজকে বাসায় ডেকে এনে কুপিয়ে হত্যা করেছে শাহাদাৎ নামের অন্য এক বন্ধু। এ ঘটনার পরপরই ঘাতক শাহাদাৎ পালিয়ে যাওয়ায় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার বাবা, মা ও ভাইকে আটক করে।
সোমবার (১১ মে) দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম।
এর আগে রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়নের কোনাপাড়া এলাকায় হাজী জয়নালের ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরেই এলাকায় চাঞ্চল্যকর পরিবেশ তৈরি হয়।
নিহত পারভেজ হোসেন (২৬) শেরপুর জেলার নকলা উপজেলার রাণীগাঁও গ্রামের আজাহার আলীর ছেলে। সে আশুলিয়ার গোহাইলবাড়ি মেশিনপাড় এলাকায় স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করতো বলে জানা যায়।
ঘাতক শাহাদাৎ হোসেন (২৫) গাইবান্ধা জেলার সদর থানার কলাইহাটি কুমাড়পাড়া এলাকার আলমগীর হোসেনের ছেলে। তারা সকলেই আশুলিয়ার কোনাপাড়া এলাকার হাজী জয়নালের বাড়িতে ভাড়া বাসায় থাকতো।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রবিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে বন্ধু পারভেজকে নিজ বাসায় দাওয়াত করে ডেকে আনেন শাহাদাৎ। পরে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে শাহাদাত উত্তেজিত হয়ে তার ঘরে থাকা ধারালো দাঁ দিয়ে বন্ধু পারভেজকে কুপিয়ে জখম করে পালিয়ে যায়। পরে আশপাশের লোকজন গুরুতর আহত পারভেজকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঘাতক শাহাদাতের বাবা আলমগীর হোসেন, মা শাহিদা আক্তার এবং ভাই শাহিন হোসেনকে আটক করে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আশুলিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন লাস উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ঘাতকের মা, বাবা এবং ভাইকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। সেই সাথে ঘাতক শাহাদাৎ কে গ্রেফতারের জন্যে চেষ্টা চলছে বলেও তিনি জানান।

আপনার মতামত লিখুন