নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর দিকনির্দেশনায় এবং নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো: সাজেদুর রহমানের নেতৃত্বে একটি সফল অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
গতকাল শনিবার (০৯ মে) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৫৫ মিনিটে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন চাষাড়া মোড় এলাকায় ভুয়া র্যাব পরিচয়ে প্রতারণা করা একটি চক্রের দুই সদস্যকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো— ১। আক্তারুজ্জামান (৪৬), পিতা: মো: আতর আলী, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার বাসিন্দা, বর্তমানে ঢাকার হাতিরঝিল এলাকায় বসবাসরত। ২। মো: আমিরুল ইসলাম রাসেল (৩২), পিতা: তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার বাসিন্দা।
অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে একটি ছাই রঙের ব্যাগ, একটি ওয়্যারলেস সেট, একটি জোড়া হ্যান্ডকাফ এবং র্যাবের চারটি কালো কটি উদ্ধার ও জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, আটককৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে যে তারা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া র্যাব পরিচয়, পোশাক, হ্যান্ডকাফ ও ওয়্যারলেস ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎসহ বিভিন্ন প্রতারণামূলক কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।
এছাড়া তারা জানায়, তাদের ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-চ-১৪-৪৫৭২) রয়েছে, যা বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে প্রতারণার কাজে ব্যবহার করা হতো।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আটককৃতদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সীর দিকনির্দেশনায় এবং নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো: সাজেদুর রহমানের নেতৃত্বে একটি সফল অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
গতকাল শনিবার (০৯ মে) সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টা ৫৫ মিনিটে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন চাষাড়া মোড় এলাকায় ভুয়া র্যাব পরিচয়ে প্রতারণা করা একটি চক্রের দুই সদস্যকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলো— ১। আক্তারুজ্জামান (৪৬), পিতা: মো: আতর আলী, কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানার বাসিন্দা, বর্তমানে ঢাকার হাতিরঝিল এলাকায় বসবাসরত। ২। মো: আমিরুল ইসলাম রাসেল (৩২), পিতা: তাজুল ইসলাম, কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম থানার বাসিন্দা।
অভিযানকালে তাদের কাছ থেকে একটি ছাই রঙের ব্যাগ, একটি ওয়্যারলেস সেট, একটি জোড়া হ্যান্ডকাফ এবং র্যাবের চারটি কালো কটি উদ্ধার ও জব্দ করা হয়।
পুলিশ জানায়, আটককৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে যে তারা একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্য। তারা দীর্ঘদিন ধরে ভুয়া র্যাব পরিচয়, পোশাক, হ্যান্ডকাফ ও ওয়্যারলেস ব্যবহার করে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎসহ বিভিন্ন প্রতারণামূলক কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল।
এছাড়া তারা জানায়, তাদের ব্যবহৃত একটি মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-চ-১৪-৪৫৭২) রয়েছে, যা বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে প্রতারণার কাজে ব্যবহার করা হতো।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে এবং আটককৃতদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন