রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকায় ভিক্ষাবৃত্তির উদ্দেশ্যে ৭ বছর বয়সী শিশু নেয়ামুলের অঙ্গহানি মামলায় ৫ জন আসামিকে যাবজ্জীবন (আমৃত্যু) কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন পর ভিকটিম নেয়ামুলকে সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় তার পিতা মোঃ উমেদ আলীর জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১ জানায়, ২০১০ সালের ৬ সেপ্টেম্বর কামরাঙ্গীরচর থানার এলাকায় সংঘটিত এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় শরিফুল ইসলাম ওরফে কোরবান আলীসহ ৫ জন মিলে শিশু নেয়ামুলকে অপহরণ করে নির্মমভাবে অঙ্গহানি করে। ভিক্ষাবৃত্তিতে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে ধারালো ব্লেড দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়।
ঘটনার পর ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে র্যাব-১ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং পরবর্তীতে হাইকোর্টের নির্দেশে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে। তদন্তে জড়িত আসামিদের গ্রেফতার করা হয় এবং তাদের মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
এ ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয় এবং আন্তর্জাতিক মহলেও বিষয়টি গুরুত্ব পায়। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম সিএনএন ও বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের সহায়তায় শিশু নেয়ামুলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে তিনি সুস্থ হয়ে দেশে ফেরেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে গত ২ এপ্রিল ২০২৬ ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ মামলার রায় ঘোষণা করে ৫ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে। পরবর্তীতে ৯ এপ্রিল আদালত র্যাব হেফাজতে থাকা নেয়ামুলকে তার পিতার কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেয়।
এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (৫ মে) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে র্যাব-১ উত্তরা কার্যালয়ে মানবাধিকার কর্মী ও সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে ভিকটিম নেয়ামুলকে তার পিতার জিম্মায় বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকায় ভিক্ষাবৃত্তির উদ্দেশ্যে ৭ বছর বয়সী শিশু নেয়ামুলের অঙ্গহানি মামলায় ৫ জন আসামিকে যাবজ্জীবন (আমৃত্যু) কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন পর ভিকটিম নেয়ামুলকে সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় তার পিতা মোঃ উমেদ আলীর জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-১ জানায়, ২০১০ সালের ৬ সেপ্টেম্বর কামরাঙ্গীরচর থানার এলাকায় সংঘটিত এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় শরিফুল ইসলাম ওরফে কোরবান আলীসহ ৫ জন মিলে শিশু নেয়ামুলকে অপহরণ করে নির্মমভাবে অঙ্গহানি করে। ভিক্ষাবৃত্তিতে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে ধারালো ব্লেড দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম করা হয়।
ঘটনার পর ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করলে র্যাব-১ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং পরবর্তীতে হাইকোর্টের নির্দেশে মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে। তদন্তে জড়িত আসামিদের গ্রেফতার করা হয় এবং তাদের মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।
এ ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয় এবং আন্তর্জাতিক মহলেও বিষয়টি গুরুত্ব পায়। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম সিএনএন ও বাংলাদেশ হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের সহায়তায় শিশু নেয়ামুলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের জনস হপকিন্স হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসা শেষে তিনি সুস্থ হয়ে দেশে ফেরেন।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে গত ২ এপ্রিল ২০২৬ ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪ মামলার রায় ঘোষণা করে ৫ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে। পরবর্তীতে ৯ এপ্রিল আদালত র্যাব হেফাজতে থাকা নেয়ামুলকে তার পিতার কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেয়।
এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (৫ মে) বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে র্যাব-১ উত্তরা কার্যালয়ে মানবাধিকার কর্মী ও সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে ভিকটিম নেয়ামুলকে তার পিতার জিম্মায় বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন