রকিবুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : দুর্নীতির একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবুল কালাম আজাদকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার (৪ মে) পাবনা জেলা সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. আক্তারুজ্জামান এ আদেশ দেন।
আবুল কালাম আজাদ শাহজাদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার হাসামপুর গ্রামের সমশের আলী মিয়ার ছেলে। এছাড়া পাবনা শহরের শালগাড়ীয়া সদর হাসপাতাল রোড এলাকায় তাদের একটি বাসা রয়েছে।
পাবনা দুদকের কোর্ট পরিদর্শক আশরাফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে দুদকের পক্ষ থেকে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে রবিবার (৩ মে) রাতে পাবনা শহরের শালগাড়ীয়া এলাকায় নিজ বাসা থেকে দুদকের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর জানান, জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০২৩ সালে আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়। পরে ২০২৪ সালের ৮ মে আবুল কালাম আজাদ, তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুন ও ছেলে ফজলে রাব্বি রিয়নকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।
তারা ওই বছরের ৩ জুলাই সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে দুদক দাবি করে, আবুল কালাম আজাদ ১ কোটি ৩২ লাখ ৪৬ হাজার টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন এবং এ সংক্রান্ত তথ্য গোপন করেছেন। যা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
দুদকের তথ্যমতে, তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুন স্বামীর অবৈধ আয়ের মাধ্যমে ১ কোটি ৫৬ লাখ ৮৩ হাজার ৪৮৩ টাকার এবং ছেলে ফজলে রাব্বি রিয়ন ১ কোটি ১৫ লাখ ৩৬ হাজার ৯৪১ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া আবুল কালাম আজাদের শ্যালক জামাল উদ্দিন ফকিরের বিরুদ্ধেও ৯৯ লাখ ৭৪ হাজার ১৮২ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা রয়েছে।
এসব অভিযোগে ২০২৫ সালের ১১ মার্চ আবুল কালাম আজাদ, তার স্ত্রী ও ছেলেকে আসামি করে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে ২২ অক্টোবর তার শ্যালকের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা করা হয়। একটি মামলায় আবুল কালাম আজাদ একক আসামি হলেও বাকি তিনটি মামলায় তাকে সহযোগী আসামি করা হয়েছে।
দুদক পাবনা সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক শহীদুল আলম সরকার বলেন, “আবুল কালাম আজাদকে প্রথম মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য মামলাগুলোর তদন্ত কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।”

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ মে ২০২৬
রকিবুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : দুর্নীতির একাধিক মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবুল কালাম আজাদকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সোমবার (৪ মে) পাবনা জেলা সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক মো. আক্তারুজ্জামান এ আদেশ দেন।
আবুল কালাম আজাদ শাহজাদপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার হাসামপুর গ্রামের সমশের আলী মিয়ার ছেলে। এছাড়া পাবনা শহরের শালগাড়ীয়া সদর হাসপাতাল রোড এলাকায় তাদের একটি বাসা রয়েছে।
পাবনা দুদকের কোর্ট পরিদর্শক আশরাফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে দুদকের পক্ষ থেকে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এর আগে রবিবার (৩ মে) রাতে পাবনা শহরের শালগাড়ীয়া এলাকায় নিজ বাসা থেকে দুদকের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর জানান, জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০২৩ সালে আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়। পরে ২০২৪ সালের ৮ মে আবুল কালাম আজাদ, তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুন ও ছেলে ফজলে রাব্বি রিয়নকে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়।
তারা ওই বছরের ৩ জুলাই সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে দুদক দাবি করে, আবুল কালাম আজাদ ১ কোটি ৩২ লাখ ৪৬ হাজার টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন এবং এ সংক্রান্ত তথ্য গোপন করেছেন। যা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
দুদকের তথ্যমতে, তার স্ত্রী মর্জিনা খাতুন স্বামীর অবৈধ আয়ের মাধ্যমে ১ কোটি ৫৬ লাখ ৮৩ হাজার ৪৮৩ টাকার এবং ছেলে ফজলে রাব্বি রিয়ন ১ কোটি ১৫ লাখ ৩৬ হাজার ৯৪১ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন। এছাড়া আবুল কালাম আজাদের শ্যালক জামাল উদ্দিন ফকিরের বিরুদ্ধেও ৯৯ লাখ ৭৪ হাজার ১৮২ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা রয়েছে।
এসব অভিযোগে ২০২৫ সালের ১১ মার্চ আবুল কালাম আজাদ, তার স্ত্রী ও ছেলেকে আসামি করে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়। পরে ২২ অক্টোবর তার শ্যালকের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা করা হয়। একটি মামলায় আবুল কালাম আজাদ একক আসামি হলেও বাকি তিনটি মামলায় তাকে সহযোগী আসামি করা হয়েছে।
দুদক পাবনা সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক শহীদুল আলম সরকার বলেন, “আবুল কালাম আজাদকে প্রথম মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য মামলাগুলোর তদন্ত কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।”

আপনার মতামত লিখুন