রাজধানীর খিলগাঁও থানা এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে কিশোর গ্যাং, মাদক ব্যবসা ও অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দা ও সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে। অভিযোগ রয়েছে, একাধিকবার থানা প্রশাসনকে অবহিত করা হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৫ আগস্টের পর থেকে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে থাকে। অলিগলি ও বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের প্রকাশ্য মহড়া, অস্ত্রধারীদের চলাফেরা এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের আড্ডা নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
অভিযোগ রয়েছে, থানা প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ জানানো হলেও অনেক ক্ষেত্রে তা আমলে নেওয়া হচ্ছে না। এমনকি জরুরি ফোনকলও রিসিভ না করার অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা। তবে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করলে দ্রুত সাড়া পাওয়া যায়—এ বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।
গত ১৬ এপ্রিল খিলগাঁও থানাধীন আদর্শবাগ ও রজনীগন্ধা রোড এলাকায় এক সাংবাদিকের ওপর কিশোর গ্যাংয়ের হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিক সহায়তা পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করা হলেও এখনো পর্যন্ত দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থানা পুলিশের এক কর্মকর্তা দাবি করেন, জনবল স্বল্পতা ও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে সব অভিযোগে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয় না। তবে তিনি স্বীকার করেন, মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা অনেক সময় উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনার ওপর নির্ভরশীল।
এদিকে এলাকাবাসীর একটি অংশের অভিযোগ, কিছু অসাধু কর্মকর্তা অর্থের বিনিময়ে অপরাধীদের প্রশ্রয় দিচ্ছেন এবং অভিযোগকারীদের তথ্য ফাঁসের মতো গুরুতর অনিয়ম ঘটছে, যা জননিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। তারা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং প্রয়োজন হলে গোয়েন্দা সংস্থা ও বিশেষ বাহিনীর মাধ্যমে অভিযান জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তা পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, সৎ ও দক্ষ পুলিশ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রশাসনকে শক্তিশালী করা এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণই পারে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে।
(চলবে: পরবর্তী পর্বে কিশোর গ্যাং ও সংশ্লিষ্টদের তালিকা প্রকাশ করা হবে)

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
রাজধানীর খিলগাঁও থানা এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে কিশোর গ্যাং, মাদক ব্যবসা ও অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বাসিন্দা ও সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে। অভিযোগ রয়েছে, একাধিকবার থানা প্রশাসনকে অবহিত করা হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৫ আগস্টের পর থেকে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে থাকে। অলিগলি ও বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের প্রকাশ্য মহড়া, অস্ত্রধারীদের চলাফেরা এবং চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের আড্ডা নিয়মিত ঘটনায় পরিণত হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।
অভিযোগ রয়েছে, থানা প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ জানানো হলেও অনেক ক্ষেত্রে তা আমলে নেওয়া হচ্ছে না। এমনকি জরুরি ফোনকলও রিসিভ না করার অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা। তবে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করলে দ্রুত সাড়া পাওয়া যায়—এ বিষয়টি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এলাকাবাসী।
গত ১৬ এপ্রিল খিলগাঁও থানাধীন আদর্শবাগ ও রজনীগন্ধা রোড এলাকায় এক সাংবাদিকের ওপর কিশোর গ্যাংয়ের হামলার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় থানায় একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তাৎক্ষণিক সহায়তা পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করা হলেও এখনো পর্যন্ত দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক থানা পুলিশের এক কর্মকর্তা দাবি করেন, জনবল স্বল্পতা ও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে সব অভিযোগে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয় না। তবে তিনি স্বীকার করেন, মাঠপর্যায়ের পুলিশ সদস্যরা অনেক সময় উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনার ওপর নির্ভরশীল।
এদিকে এলাকাবাসীর একটি অংশের অভিযোগ, কিছু অসাধু কর্মকর্তা অর্থের বিনিময়ে অপরাধীদের প্রশ্রয় দিচ্ছেন এবং অভিযোগকারীদের তথ্য ফাঁসের মতো গুরুতর অনিয়ম ঘটছে, যা জননিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয় সাংবাদিক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা বলছেন, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠতে পারে। তারা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং প্রয়োজন হলে গোয়েন্দা সংস্থা ও বিশেষ বাহিনীর মাধ্যমে অভিযান জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তা পাওয়া যায়নি।
এলাকাবাসীর দাবি, সৎ ও দক্ষ পুলিশ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রশাসনকে শক্তিশালী করা এবং অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণই পারে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে।
(চলবে: পরবর্তী পর্বে কিশোর গ্যাং ও সংশ্লিষ্টদের তালিকা প্রকাশ করা হবে)

আপনার মতামত লিখুন