ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অগ্নিশিখা

বেইলি রোড ট্র্যাজেডি: ১৩ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা


প্রকাশ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ডাউনলোড কার্ড | ভুল রিপোর্ট
নিউজ পাঠান

বেইলি রোড ট্র্যাজেডি: ১৩ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সেই ভবনের বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের স্বত্ত্বাধিকারীসহ ২২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করে পলাতক ১৩ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

রোববার (১৯ এপ্রিল) শুনানি শেষে এই আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত।

প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক জিন্নাত আলী জানান, ২২ জনের মধ্যে ৯ জন আদালতে হাজির ছিলেন। অন্য ১৩ জন অনুপস্থিত থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন আদালত।

এর আগে, আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির সাতটি ধারার অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় গত ২ এপ্রিল মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক শাহ জালাল মুন্সী এ অভিযোগপত্র জমা দেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করে সরকারের বিভিন্ন অনুমোদনহীন ও অবৈধভাবে হোটেল ব্যবসা পরিচালনাসহ হোটেলে গ্যাস সিলিন্ডার ও ইলেকট্রিক ওভেন ব্যবহার করেন। যে কারণে ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ১০টায় ঘটা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪৬ জন নিহত হন। এর মধ্যে ৩ জন সম্পূর্ণরূপে আগুনে পুড়ে মারা যান।


আপনার মতামত লিখুন

অগ্নিশিখা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


বেইলি রোড ট্র্যাজেডি: ১৩ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় সেই ভবনের বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের স্বত্ত্বাধিকারীসহ ২২ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করে পলাতক ১৩ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

রোববার (১৯ এপ্রিল) শুনানি শেষে এই আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত।

প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক জিন্নাত আলী জানান, ২২ জনের মধ্যে ৯ জন আদালতে হাজির ছিলেন। অন্য ১৩ জন অনুপস্থিত থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশ দেন আদালত।

এর আগে, আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির সাতটি ধারার অপরাধ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় গত ২ এপ্রিল মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) পরিদর্শক শাহ জালাল মুন্সী এ অভিযোগপত্র জমা দেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করে সরকারের বিভিন্ন অনুমোদনহীন ও অবৈধভাবে হোটেল ব্যবসা পরিচালনাসহ হোটেলে গ্যাস সিলিন্ডার ও ইলেকট্রিক ওভেন ব্যবহার করেন। যে কারণে ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ১০টায় ঘটা অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪৬ জন নিহত হন। এর মধ্যে ৩ জন সম্পূর্ণরূপে আগুনে পুড়ে মারা যান।



অগ্নিশিখা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মোর্শেদ আলম
সম্পাদক কর্তৃক “তুহিন প্রেস”, ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় । সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ করিম চেম্বার (৪র্থ তলা) ৯৯ মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
কপিরাইট © ২০২৬ অগ্নিশিখা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত