ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অগ্নিশিখা

এসএমসি ছাড়াই আসবাব বিক্রি, প্রশ্নের মুখে প্রধান শিক্ষক



এসএমসি ছাড়াই আসবাব বিক্রি, প্রশ্নের মুখে প্রধান শিক্ষক

রকিবুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের হাসনা মুজিব লুৎফা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির (এসএমসি) রেজুলেশন ও শিক্ষা অফিসের অনুমতি ছাড়াই গোপনে আসবাবপত্র বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার স্কুল চলাকালীন সময়েই লোকচক্ষুর আড়ালে বিদ্যালয়ের গুদামে সংরক্ষিত প্রায় ১৫-২০টি পুরাতন লোহার সিট, হাই বেঞ্চ, চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এসব পরিত্যক্ত আসবাব বিক্রির অর্থ প্রতিষ্ঠানের হিসাবভুক্ত না করে প্রধান শিক্ষক নিজেই আত্মসাৎ করেছেন।

বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী আমিনুর রহমান বলেন, “ওইদিন শিক্ষকরা ক্লাসে ব্যস্ত থাকার সময় প্রধান শিক্ষক গুদাম থেকে পুরাতন ভাঙা লোহার টেবিল, চেয়ার, সিট ও হাই বেঞ্চ বের করে দেন। তবে সেগুলো বিক্রি করা হয়েছে নাকি মেরামতের জন্য নেওয়া হয়েছে-এ বিষয়ে আমি নিশ্চিত নই।”

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিমের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা অরুণ দত্ত বলেন, “ঘটনাটি সম্পর্কে আমাকে কিছু জানানো হয়নি। বিষয়টি সত্য হলে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিস্তারিত জেনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।”

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ফজলুর রহমান বলেন, “সরকারি সম্পদ এভাবে বিক্রি করার কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

আপনার মতামত লিখুন

অগ্নিশিখা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


এসএমসি ছাড়াই আসবাব বিক্রি, প্রশ্নের মুখে প্রধান শিক্ষক

প্রকাশের তারিখ : ১৬ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

রকিবুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের হাসনা মুজিব লুৎফা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিমের বিরুদ্ধে স্কুল ম্যানেজিং কমিটির (এসএমসি) রেজুলেশন ও শিক্ষা অফিসের অনুমতি ছাড়াই গোপনে আসবাবপত্র বিক্রির অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত ৭ এপ্রিল মঙ্গলবার স্কুল চলাকালীন সময়েই লোকচক্ষুর আড়ালে বিদ্যালয়ের গুদামে সংরক্ষিত প্রায় ১৫-২০টি পুরাতন লোহার সিট, হাই বেঞ্চ, চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এসব পরিত্যক্ত আসবাব বিক্রির অর্থ প্রতিষ্ঠানের হিসাবভুক্ত না করে প্রধান শিক্ষক নিজেই আত্মসাৎ করেছেন।

বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী আমিনুর রহমান বলেন, “ওইদিন শিক্ষকরা ক্লাসে ব্যস্ত থাকার সময় প্রধান শিক্ষক গুদাম থেকে পুরাতন ভাঙা লোহার টেবিল, চেয়ার, সিট ও হাই বেঞ্চ বের করে দেন। তবে সেগুলো বিক্রি করা হয়েছে নাকি মেরামতের জন্য নেওয়া হয়েছে-এ বিষয়ে আমি নিশ্চিত নই।”

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিমের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা অরুণ দত্ত বলেন, “ঘটনাটি সম্পর্কে আমাকে কিছু জানানো হয়নি। বিষয়টি সত্য হলে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। বিস্তারিত জেনে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।”

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ফজলুর রহমান বলেন, “সরকারি সম্পদ এভাবে বিক্রি করার কোনো সুযোগ নেই। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তদন্ত সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

ঘটনাটি এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং দ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


অগ্নিশিখা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মোর্শেদ আলম
সম্পাদক কর্তৃক “তুহিন প্রেস”, ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় । সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ করিম চেম্বার (৪র্থ তলা) ৯৯ মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
কপিরাইট © ২০২৬ অগ্নিশিখা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত