খুলনা মহানগরীতে দীর্ঘদিনের আতঙ্কের নাম হুমা বাহিনীর প্রধান শুটার গজাল ইমন। একাধিক হত্যা মামলার এই আলোচিত আসামী অবশেষে ধরা পড়েছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের জালে।
ডিবি সূত্র জানায়, খুলনার একাধিক আলোচিত হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িয়ে আছে গজাল ইমনের নাম। এছাড়াও রয়েছে আড়ংঘাটার সুজন সরকার যাকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগ রয়েছে, দৌলতপুরের যুবদল নেতা মাহবুব হত্যা, আড়ংঘাটার সাংবাদিক এমদাদুল হক হত্যা, ইউপি সদস্য আরিফ হত্যা, সোহেল হত্যা, যুবদল নেতা রাশু হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি তিনি।
সবচেয়ে আলোচিত ছিল কুয়েটের এক কর্মচারীর বাড়ি এবং এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ‘সিনেমা স্টাইলে’ গুলি চালানোর ঘটনা। সেই ভয়াবহ মুহূর্তের সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করে। ফুটেজে স্পষ্টভাবে দেখা যায়, তার নেতৃত্বেই সংঘবদ্ধভাবে চালানো হয় গুলিবর্ষণ।
স্থানীয়দের ভাষ্য, গজাল ইমন ও তার বাহিনীর ভয়ে দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্কে দিন কাটিয়েছে পুরো এলাকা। সন্ধ্যার পর অনেকেই ঘর থেকে বের হতেও সাহস পেতেন না।
তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গ্রেফতারের পর তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একজন ‘শুটার’ ধরা পড়েছে-কিন্তু খুলনার মানুষের প্রশ্ন, এর পেছনের পুরো নেটওয়ার্ক কি ভাঙা যাবে?
আরও চাঞ্চল্যকর তথ্যসহ নিউজ আসছে পরের প্রতিবেদনে....

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬
খুলনা মহানগরীতে দীর্ঘদিনের আতঙ্কের নাম হুমা বাহিনীর প্রধান শুটার গজাল ইমন। একাধিক হত্যা মামলার এই আলোচিত আসামী অবশেষে ধরা পড়েছে মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের জালে।
ডিবি সূত্র জানায়, খুলনার একাধিক আলোচিত হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িয়ে আছে গজাল ইমনের নাম। এছাড়াও রয়েছে আড়ংঘাটার সুজন সরকার যাকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগ রয়েছে, দৌলতপুরের যুবদল নেতা মাহবুব হত্যা, আড়ংঘাটার সাংবাদিক এমদাদুল হক হত্যা, ইউপি সদস্য আরিফ হত্যা, সোহেল হত্যা, যুবদল নেতা রাশু হত্যাসহ একাধিক মামলার আসামি তিনি।
সবচেয়ে আলোচিত ছিল কুয়েটের এক কর্মচারীর বাড়ি এবং এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ‘সিনেমা স্টাইলে’ গুলি চালানোর ঘটনা। সেই ভয়াবহ মুহূর্তের সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করে। ফুটেজে স্পষ্টভাবে দেখা যায়, তার নেতৃত্বেই সংঘবদ্ধভাবে চালানো হয় গুলিবর্ষণ।
স্থানীয়দের ভাষ্য, গজাল ইমন ও তার বাহিনীর ভয়ে দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্কে দিন কাটিয়েছে পুরো এলাকা। সন্ধ্যার পর অনেকেই ঘর থেকে বের হতেও সাহস পেতেন না।
তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, গ্রেফতারের পর তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
একজন ‘শুটার’ ধরা পড়েছে-কিন্তু খুলনার মানুষের প্রশ্ন, এর পেছনের পুরো নেটওয়ার্ক কি ভাঙা যাবে?
আরও চাঞ্চল্যকর তথ্যসহ নিউজ আসছে পরের প্রতিবেদনে....

আপনার মতামত লিখুন