ঢাকা জজ কোর্ট সংলগ্ন ঐতিহাসিক ভিক্টোরিয়া পার্কে অসহায়, ভাসমান ও দরিদ্র মানুষের জন্য ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছেন এডভোকেট কাজী পনির। তার নিজস্ব উদ্যোগে আয়োজিত এই মানবিক কর্মসূচিতে সুবিধাবঞ্চিত বহু মানুষ অংশগ্রহণ করেন এবং একসাথে ইফতার করেন।
এডভোকেট কাজী পনির ছাত্রজীবন থেকেই মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করে আসছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নীরবে বিভিন্ন সেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন। বিশেষ করে শীত মৌসুমে শীতবস্ত্র বিতরণসহ অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য নানা সামাজিক কার্যক্রমে তিনি নিয়মিতভাবে অংশগ্রহণ করে থাকেন।
এ বিষয়ে এডভোকেট কাজী পনির বলেন, “ছাত্রজীবন থেকেই মানবসেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত আছি। এসব কাজ করে আমি আত্মিক তৃপ্তি পাই। এতদিন প্রচারবিমুখ থেকে কাজ করার চেষ্টা করেছি। তবে সমাজের সচ্ছল ও বিত্তবান মানুষ যদি এসব উদ্যোগে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন, তাহলে আরও বেশি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব হবে।”
তিনি আরও বলেন, সমাজের বিত্তবান মানুষরা এগিয়ে এলে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে পরিচালনা করা সম্ভব।
এ উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তারা বলেন, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এমন মানবিক উদ্যোগ সমাজে সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ মার্চ ২০২৬
ঢাকা জজ কোর্ট সংলগ্ন ঐতিহাসিক ভিক্টোরিয়া পার্কে অসহায়, ভাসমান ও দরিদ্র মানুষের জন্য ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছেন এডভোকেট কাজী পনির। তার নিজস্ব উদ্যোগে আয়োজিত এই মানবিক কর্মসূচিতে সুবিধাবঞ্চিত বহু মানুষ অংশগ্রহণ করেন এবং একসাথে ইফতার করেন।
এডভোকেট কাজী পনির ছাত্রজীবন থেকেই মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করে আসছেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নীরবে বিভিন্ন সেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছেন। বিশেষ করে শীত মৌসুমে শীতবস্ত্র বিতরণসহ অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য নানা সামাজিক কার্যক্রমে তিনি নিয়মিতভাবে অংশগ্রহণ করে থাকেন।
এ বিষয়ে এডভোকেট কাজী পনির বলেন, “ছাত্রজীবন থেকেই মানবসেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত আছি। এসব কাজ করে আমি আত্মিক তৃপ্তি পাই। এতদিন প্রচারবিমুখ থেকে কাজ করার চেষ্টা করেছি। তবে সমাজের সচ্ছল ও বিত্তবান মানুষ যদি এসব উদ্যোগে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন, তাহলে আরও বেশি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো সম্ভব হবে।”
তিনি আরও বলেন, সমাজের বিত্তবান মানুষরা এগিয়ে এলে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে পরিচালনা করা সম্ভব।
এ উদ্যোগের প্রশংসা করেছেন সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। তারা বলেন, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এমন মানবিক উদ্যোগ সমাজে সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন