নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার আসামি মো. দিপুকে (৩২) বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১১)।
র্যাবের তথ্যমতে, নারায়ণগঞ্জের বন্দর ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল দিপু ও তার বাহিনী। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, জমি দখল এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তারসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ আছে, নতুন কোনো স্থাপনা নির্মাণের সময় তার বাহিনীকে মোটা অঙ্কের চাঁদা দিতে হতো। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে কাজ বন্ধ করে দেওয়া ও মারধরের ঘটনাও ঘটতো নিয়মিত।
এছাড়া শীতলক্ষ্যা নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন পয়েন্টে পণ্যবাহী ট্রলার ও বাল্কহেড থেকে তার বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত চাঁদা আদায় করত বলে জানা গেছে। স্থানীয় ছোট-বড় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও ভয়ভীতি দেখিয়ে নিয়মিত মাসোহারা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
র্যাব আরও জানায়, দিপু তার বাহিনীর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পৈতৃক জমি ও ভিটেমাটি জোরপূর্বক দখল করত। অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নামমাত্র মূল্যে জমি লিখে নেওয়া কিংবা পেশিশক্তি ব্যবহার করে উচ্ছেদ করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এলাকায় আধিপত্য বজায় রাখতে আগ্নেয়াস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করত দিপু।
এছাড়াও দিপুর ছত্রছায়ায় বন্দর ও মদনপুর এলাকায় মাদক ব্যবসার একটি বড় নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে। তার তত্ত্বাবধানে গাঁজা, ইয়াবা ও ফেন্সিডিল কেনাবেচা হতো বলে জানায় র্যাব। তার এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমেও সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
র্যাব-১১ সূত্রে জানা যায়, শীর্ষ সন্ত্রাসী দিপু ও তার সহযোগীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (১০ মার্চ ২০২৬) রাত সাড়ে ১১টার দিকে র্যাব-১১ এর সিপিএসসি’র একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার পূর্ব চাঁনপুর গ্রামে তার নিজ বাড়িতে অভিযান চালায়।
অভিযানকালে দিপুকে একটি বিদেশি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, একটি চাইনিজ কুড়াল, দুটি চাকু এবং বেশ কিছু লোহার পাইপসহ গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত দিপুর পিতা আবু কালাম এবং মাতা শাহনাজ বেগম। তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের পূর্ব চাঁনপুর এলাকার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে বন্দর থানায় অস্ত্র, ডাকাতি ও চাঁদাবাজিসহ অন্তত ১৮টি মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে বন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার আসামি মো. দিপুকে (৩২) বিদেশি পিস্তল ও গুলিসহ গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১১)।
র্যাবের তথ্যমতে, নারায়ণগঞ্জের বন্দর ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল দিপু ও তার বাহিনী। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজি, জমি দখল এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তারসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ আছে, নতুন কোনো স্থাপনা নির্মাণের সময় তার বাহিনীকে মোটা অঙ্কের চাঁদা দিতে হতো। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে কাজ বন্ধ করে দেওয়া ও মারধরের ঘটনাও ঘটতো নিয়মিত।
এছাড়া শীতলক্ষ্যা নদীর তীরবর্তী বিভিন্ন পয়েন্টে পণ্যবাহী ট্রলার ও বাল্কহেড থেকে তার বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত চাঁদা আদায় করত বলে জানা গেছে। স্থানীয় ছোট-বড় ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও ভয়ভীতি দেখিয়ে নিয়মিত মাসোহারা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
র্যাব আরও জানায়, দিপু তার বাহিনীর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পৈতৃক জমি ও ভিটেমাটি জোরপূর্বক দখল করত। অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে নামমাত্র মূল্যে জমি লিখে নেওয়া কিংবা পেশিশক্তি ব্যবহার করে উচ্ছেদ করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এলাকায় আধিপত্য বজায় রাখতে আগ্নেয়াস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের ব্যবহার করত দিপু।
এছাড়াও দিপুর ছত্রছায়ায় বন্দর ও মদনপুর এলাকায় মাদক ব্যবসার একটি বড় নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে। তার তত্ত্বাবধানে গাঁজা, ইয়াবা ও ফেন্সিডিল কেনাবেচা হতো বলে জানায় র্যাব। তার এসব অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড নিয়ে বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমেও সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
র্যাব-১১ সূত্রে জানা যায়, শীর্ষ সন্ত্রাসী দিপু ও তার সহযোগীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার (১০ মার্চ ২০২৬) রাত সাড়ে ১১টার দিকে র্যাব-১১ এর সিপিএসসি’র একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার পূর্ব চাঁনপুর গ্রামে তার নিজ বাড়িতে অভিযান চালায়।
অভিযানকালে দিপুকে একটি বিদেশি পিস্তল, এক রাউন্ড গুলি, একটি চাইনিজ কুড়াল, দুটি চাকু এবং বেশ কিছু লোহার পাইপসহ গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত দিপুর পিতা আবু কালাম এবং মাতা শাহনাজ বেগম। তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের পূর্ব চাঁনপুর এলাকার বাসিন্দা। তার বিরুদ্ধে বন্দর থানায় অস্ত্র, ডাকাতি ও চাঁদাবাজিসহ অন্তত ১৮টি মামলা রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে বন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র্যাব।

আপনার মতামত লিখুন