শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে এসআরবি-১০। রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরসহ দায়িত্বপূর্ণ এলাকার প্রায় ১ হাজার ৮৪১টি পূজামণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ১টা ১৫ মিনিটের দিকে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শন করেন এসআরবি-১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাঃ আসাদুজ্জামান। এ সময় তিনি সাংবাদিক ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
এসআরবি-১০-এর বিশেষ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুর্গাপূজা ঘিরে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৫টি পিকআপ টহল দল ও ২৮টি মোটরসাইকেল টহল দল দায়িত্ব পালন করছে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে সদস্য মোতায়েন, প্রশিক্ষিত কমান্ডো, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট ও ড্রোন টিমের মাধ্যমে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
পূজামণ্ডপের আশপাশে টহল ও চেকপোস্ট কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে স্ট্রাইকিং ফোর্স। পাশাপাশি পূজামণ্ডপসংলগ্ন এলাকায় কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের দিন নৌ টহল পরিচালনারও পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সম্ভাব্য হুমকি শনাক্ত ও মোকাবিলায় এসআরবি-১০-এর গোয়েন্দা শাখা স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, সাম্প্রদায়িক উসকানি ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানতে পারে—এমন কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সাইবার মনিটরিং সেল সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাচ্ছে।
নিরাপত্তার পাশাপাশি জনসেবামূলক কার্যক্রমও হাতে নেওয়া হয়েছে। পূজামণ্ডপে আগত নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের সহায়তায় হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপ এলাকায় জরুরি সেবার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যানজট ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে এসআরবি-১০। এ ছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত ও মোবাইল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এসআরবি-১০ মনে করে, শারদীয় দুর্গাপূজা শুধু একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উৎসব নয়; বরং বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি, ঐক্য ও সৌহার্দ্যের প্রতীক। এ উৎসব নির্বিঘ্ন করতে বাহিনীর সদস্যরা পেশাদারত্ব, সততা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দায়িত্ব পালন করছেন।
নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজা উদযাপনে সর্বস্তরের নাগরিকদের সহযোগিতা কামনা করেছে এসআরবি-১০। একই সঙ্গে পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসন, দর্শনার্থী ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত গড়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬
শারদীয় দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে এসআরবি-১০। রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরসহ দায়িত্বপূর্ণ এলাকার প্রায় ১ হাজার ৮৪১টি পূজামণ্ডপ ও আশপাশের এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দুপুর ১টা ১৫ মিনিটের দিকে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির পরিদর্শন করেন এসআরবি-১০-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাঃ আসাদুজ্জামান। এ সময় তিনি সাংবাদিক ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
এসআরবি-১০-এর বিশেষ প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দুর্গাপূজা ঘিরে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১৫টি পিকআপ টহল দল ও ২৮টি মোটরসাইকেল টহল দল দায়িত্ব পালন করছে। পাশাপাশি সাদা পোশাকে সদস্য মোতায়েন, প্রশিক্ষিত কমান্ডো, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট ও ড্রোন টিমের মাধ্যমে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
পূজামণ্ডপের আশপাশে টহল ও চেকপোস্ট কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে স্ট্রাইকিং ফোর্স। পাশাপাশি পূজামণ্ডপসংলগ্ন এলাকায় কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের দিন নৌ টহল পরিচালনারও পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, সম্ভাব্য হুমকি শনাক্ত ও মোকাবিলায় এসআরবি-১০-এর গোয়েন্দা শাখা স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব, সাম্প্রদায়িক উসকানি ও ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানতে পারে—এমন কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে সাইবার মনিটরিং সেল সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাচ্ছে।
নিরাপত্তার পাশাপাশি জনসেবামূলক কার্যক্রমও হাতে নেওয়া হয়েছে। পূজামণ্ডপে আগত নারী, শিশু, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের সহায়তায় হেল্প ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ মণ্ডপ এলাকায় জরুরি সেবার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। যানজট ও জনসমাগম নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে এসআরবি-১০। এ ছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত ও মোবাইল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
এসআরবি-১০ মনে করে, শারদীয় দুর্গাপূজা শুধু একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়ের উৎসব নয়; বরং বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি, ঐক্য ও সৌহার্দ্যের প্রতীক। এ উৎসব নির্বিঘ্ন করতে বাহিনীর সদস্যরা পেশাদারত্ব, সততা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দায়িত্ব পালন করছেন।
নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ দুর্গাপূজা উদযাপনে সর্বস্তরের নাগরিকদের সহযোগিতা কামনা করেছে এসআরবি-১০। একই সঙ্গে পূজা উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় প্রশাসন, দর্শনার্থী ও গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত গড়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন