রোববার (১ নভেম্বর) দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১টার দিকে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে বিআরএম-৫ সীমান্ত পিলার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দক্ষিণে গফুর মেম্বারের প্রজেক্টসংলগ্ন নাফ নদীর তীরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসআরবি-১৫-এর সিপিসি-১ (টেকনাফ ক্যাম্প) ও ২ বিজিবি, টেকনাফ ব্যাটালিয়নের যৌথ আভিযানিক দল অভিযান চালালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় চারজনকে আটক করা হয়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন টেকনাফ পৌরসভার উত্তর জালিয়াপাড়ার আব্দুল খালেক (২৫) ও নুর ফয়সাল (২৫), ইসলামাবাদ এলাকার মিজানুর রহমান ওরফে মিজান উদ্দিন (২৪) এবং উখিয়ার থাইংখালী ১৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের হাফেজ আহমদ (২৯)।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা উদ্ধার করা বোট ব্যবহার করে মাদক ব্যবসা ও পরিবহনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের উদ্ধার করা ইয়াবা ও অন্যান্য আলামতসহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান ও অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে এসআরবি-১৫।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ নভেম্বর ২০২৬
রোববার (১ নভেম্বর) দুপুর আনুমানিক সাড়ে ১টার দিকে টেকনাফ সদর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে বিআরএম-৫ সীমান্ত পিলার থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দক্ষিণে গফুর মেম্বারের প্রজেক্টসংলগ্ন নাফ নদীর তীরে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
এসআরবি-১৫-এর সিপিসি-১ (টেকনাফ ক্যাম্প) ও ২ বিজিবি, টেকনাফ ব্যাটালিয়নের যৌথ আভিযানিক দল অভিযান চালালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় চারজনকে আটক করা হয়। পরে ঘটনাস্থল তল্লাশি করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন টেকনাফ পৌরসভার উত্তর জালিয়াপাড়ার আব্দুল খালেক (২৫) ও নুর ফয়সাল (২৫), ইসলামাবাদ এলাকার মিজানুর রহমান ওরফে মিজান উদ্দিন (২৪) এবং উখিয়ার থাইংখালী ১৪ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের হাফেজ আহমদ (২৯)।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা উদ্ধার করা বোট ব্যবহার করে মাদক ব্যবসা ও পরিবহনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের উদ্ধার করা ইয়াবা ও অন্যান্য আলামতসহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান ও অপরাধ দমনে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে এসআরবি-১৫।

আপনার মতামত লিখুন