রাজধানীর উত্তরায় ‘টাইগার রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বার’-এ তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা।
সাংবাদিকদের অভিযোগ, বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও পত্রিকার পক্ষ থেকে চারজন সাংবাদিক সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহের জন্য ওই বারে যান। সেখানে প্রবেশের পর বার কর্তৃপক্ষ তাদের কাছে বারে প্রবেশের পারমিট আছে কি না জানতে চান।
একজন সাংবাদিকের দাবি, তার গলায় সংশ্লিষ্ট পত্রিকার পরিচয়পত্র ঝোলানো ছিল। বারটির ম্যানেজার পরিচয়পত্রটি হাতে নিয়ে দেখেন। পরিচয়পত্রে রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য উল্লেখ থাকলেও এরপরও তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের ভাষ্য, ম্যানেজার বারবার তাদের কাছে পারমিট আছে কি না জানতে চান এবং একপর্যায়ে উত্তেজিত আচরণ করেন। এতে সাংবাদিকরা বিব্রত ও অপমানিত বোধ করেন বলে জানান।
এ সময় সেখানে কয়েকজন যুবক মদ কেনার উদ্দেশ্যে আসেন বলেও সাংবাদিকরা দাবি করেন। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের মধ্যে কয়েকজন সরে যান বলে অভিযোগ। ঘটনাটি দেখে সাংবাদিকরা বারে মদ বিক্রির বৈধতা ও লাইসেন্স সংক্রান্ত বিষয় তদন্তের দাবি জানান।
সাংবাদিকদের অভিযোগ, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ সেখানে কী ধরনের আচরণের শিকার হচ্ছেন—তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বারের বৈধ কাগজপত্র, মদ বিক্রির অনুমোদন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও উত্তরা বিভাগের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাংবাদিকরা।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাজধানীর উত্তরায় ‘টাইগার রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বার’-এ তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা।
সাংবাদিকদের অভিযোগ, বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও পত্রিকার পক্ষ থেকে চারজন সাংবাদিক সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহের জন্য ওই বারে যান। সেখানে প্রবেশের পর বার কর্তৃপক্ষ তাদের কাছে বারে প্রবেশের পারমিট আছে কি না জানতে চান।
একজন সাংবাদিকের দাবি, তার গলায় সংশ্লিষ্ট পত্রিকার পরিচয়পত্র ঝোলানো ছিল। বারটির ম্যানেজার পরিচয়পত্রটি হাতে নিয়ে দেখেন। পরিচয়পত্রে রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য উল্লেখ থাকলেও এরপরও তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের ভাষ্য, ম্যানেজার বারবার তাদের কাছে পারমিট আছে কি না জানতে চান এবং একপর্যায়ে উত্তেজিত আচরণ করেন। এতে সাংবাদিকরা বিব্রত ও অপমানিত বোধ করেন বলে জানান।
এ সময় সেখানে কয়েকজন যুবক মদ কেনার উদ্দেশ্যে আসেন বলেও সাংবাদিকরা দাবি করেন। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের মধ্যে কয়েকজন সরে যান বলে অভিযোগ। ঘটনাটি দেখে সাংবাদিকরা বারে মদ বিক্রির বৈধতা ও লাইসেন্স সংক্রান্ত বিষয় তদন্তের দাবি জানান।
সাংবাদিকদের অভিযোগ, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে যদি গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষ সেখানে কী ধরনের আচরণের শিকার হচ্ছেন—তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে।
ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বারের বৈধ কাগজপত্র, মদ বিক্রির অনুমোদন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন তারা। একই সঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও উত্তরা বিভাগের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন সাংবাদিকরা।

আপনার মতামত লিখুন