ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অগ্নিশিখা

জুলাইয়ে টাঙ্গাইলের সংবাদ কর্মীদের অবদার ছিল অনস্বীকার্য



জুলাইয়ে টাঙ্গাইলের সংবাদ কর্মীদের অবদার ছিল অনস্বীকার্য

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : ২৪শে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময়ে হাসিনা সরকারের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদেরকে রাজপথে না থাকার জন্য নিষেধ করা হয়। সারা দেশে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগ দ্বারা গণমাধ্যম কর্মীরা নানা ভাবে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। 

তাঁর মধ্যে টাঙ্গাইল জেলা ৯ জন মিডিয়া কর্মী রয়েছেন। গেজেট অনুসারে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার প্রাপ্ত চলচ্চিত্র পরিচালক ও সাংবাদিক মোঃ রিয়াজুল মওলা রিজু, দৈনিক আজকের সংবাদের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি তুহিন, দৈনিক এই আমার দেশের জেলা প্রতিনিধি বোরহান তালুকদার, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের জেলা প্রতিনিধি মো: রুবেল মিয়া, স্থানীয় সংবাদপত্র দৈনিক মজলুমের কন্ঠের মো: তোফাজ্জল হোসেন, নাগরিক টিভি জেলা প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল নোমান, সময় টিভির ক্যামেরাম্যান আব্দুর রাশেদ, আনন্দ টিভির জেলা প্রতিনিধি মেহেদী হাসান চৌধুরী, যমুনা টিভির ক্যামেরা ম্যান জুয়েল রানা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অকুতোভয় দু’সাহসী কিছু সাংবাদিকরা ছাত্র-জনতার সহযোগিতায় রাষ্ট্রের কল্যাণে আন্দোলনের খবর সংগ্রহে ব্যস্ত থাকেন। এবং জুলাই অভ্যুত্থানের সফলতার পেছনে গণমাধ্যম কর্মীদের অবদান ছিল প্রসংশনীয়। মফস্বল সাংবাদিকদের সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত গভীর। 


 

টাঙ্গাইল অঞ্চলের খবর এসকল গণমাধ্যম কর্মীরা সাহসিকতার সাথে সংগ্রহ করে বিভিন্ন সামাজিক ও গণমাধ্যমে প্রেরণ করেন। ইন্টারনেট বন্ধের পরও দমে যায়নি এ সকল সাংবাদ কর্মীরা নানা প্রতিকুলতা উপেক্ষা করে দেশবাসীর নিকট আন্দোলনের খবর পৌঁছিয়েছেন। আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের পাশে থেকে প্রেরণা ও সাহস জুগিয়েছেন অকুতোভয় সাংবাদিকেরা। স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীদের চক্ষুশূলে পরিণত হয় গণমাধ্যম কর্মীরা। 

০৫ আগস্টের পরে সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট ব্যবস্থা গ্রহণের করলেও অনেক সংবাদকর্মীরাই তা পাননি। 

টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন অফিসের পরিসংখ্যানবিদ মো: মোস্তাফিজ রহমান জানান, জেলায় ৯জন লেখক ও সংবাদ কর্মীর সরকারি ভাবে গেজেট ভুক্ত রয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন

অগ্নিশিখা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


জুলাইয়ে টাঙ্গাইলের সংবাদ কর্মীদের অবদার ছিল অনস্বীকার্য

প্রকাশের তারিখ : ০১ জুলাই ২০২৬

featured Image

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : ২৪শে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময়ে হাসিনা সরকারের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদেরকে রাজপথে না থাকার জন্য নিষেধ করা হয়। সারা দেশে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগ দ্বারা গণমাধ্যম কর্মীরা নানা ভাবে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। 

তাঁর মধ্যে টাঙ্গাইল জেলা ৯ জন মিডিয়া কর্মী রয়েছেন। গেজেট অনুসারে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার প্রাপ্ত চলচ্চিত্র পরিচালক ও সাংবাদিক মোঃ রিয়াজুল মওলা রিজু, দৈনিক আজকের সংবাদের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি তুহিন, দৈনিক এই আমার দেশের জেলা প্রতিনিধি বোরহান তালুকদার, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের জেলা প্রতিনিধি মো: রুবেল মিয়া, স্থানীয় সংবাদপত্র দৈনিক মজলুমের কন্ঠের মো: তোফাজ্জল হোসেন, নাগরিক টিভি জেলা প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল নোমান, সময় টিভির ক্যামেরাম্যান আব্দুর রাশেদ, আনন্দ টিভির জেলা প্রতিনিধি মেহেদী হাসান চৌধুরী, যমুনা টিভির ক্যামেরা ম্যান জুয়েল রানা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অকুতোভয় দু’সাহসী কিছু সাংবাদিকরা ছাত্র-জনতার সহযোগিতায় রাষ্ট্রের কল্যাণে আন্দোলনের খবর সংগ্রহে ব্যস্ত থাকেন। এবং জুলাই অভ্যুত্থানের সফলতার পেছনে গণমাধ্যম কর্মীদের অবদান ছিল প্রসংশনীয়। মফস্বল সাংবাদিকদের সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত গভীর। 


 

টাঙ্গাইল অঞ্চলের খবর এসকল গণমাধ্যম কর্মীরা সাহসিকতার সাথে সংগ্রহ করে বিভিন্ন সামাজিক ও গণমাধ্যমে প্রেরণ করেন। ইন্টারনেট বন্ধের পরও দমে যায়নি এ সকল সাংবাদ কর্মীরা নানা প্রতিকুলতা উপেক্ষা করে দেশবাসীর নিকট আন্দোলনের খবর পৌঁছিয়েছেন। আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের পাশে থেকে প্রেরণা ও সাহস জুগিয়েছেন অকুতোভয় সাংবাদিকেরা। স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীদের চক্ষুশূলে পরিণত হয় গণমাধ্যম কর্মীরা। 

০৫ আগস্টের পরে সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট ব্যবস্থা গ্রহণের করলেও অনেক সংবাদকর্মীরাই তা পাননি। 

টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন অফিসের পরিসংখ্যানবিদ মো: মোস্তাফিজ রহমান জানান, জেলায় ৯জন লেখক ও সংবাদ কর্মীর সরকারি ভাবে গেজেট ভুক্ত রয়েছেন।


অগ্নিশিখা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মোর্শেদ আলম
সম্পাদক কর্তৃক “তুহিন প্রেস”, ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় । সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ করিম চেম্বার (৪র্থ তলা) ৯৯ মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
কপিরাইট © ২০২৬ অগ্নিশিখা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত