উচ্চ মানের ছবি তৈরি হচ্ছে... অপেক্ষা করুন
অগ্নিশিখা অনলাইন ||
টাঙ্গাইল প্রতিনিধি : ২৪শে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময়ে হাসিনা সরকারের পক্ষ থেকে সাংবাদিকদেরকে রাজপথে না থাকার জন্য নিষেধ করা হয়। সারা দেশে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও ছাত্রলীগ-আওয়ামী লীগ দ্বারা গণমাধ্যম কর্মীরা নানা ভাবে হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তাঁর মধ্যে টাঙ্গাইল জেলা ৯ জন মিডিয়া কর্মী রয়েছেন। গেজেট অনুসারে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কার প্রাপ্ত চলচ্চিত্র পরিচালক ও সাংবাদিক মোঃ রিয়াজুল মওলা রিজু, দৈনিক আজকের সংবাদের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি তুহিন, দৈনিক এই আমার দেশের জেলা প্রতিনিধি বোরহান তালুকদার, দৈনিক প্রতিদিনের কাগজের জেলা প্রতিনিধি মো: রুবেল মিয়া, স্থানীয় সংবাদপত্র দৈনিক মজলুমের কন্ঠের মো: তোফাজ্জল হোসেন, নাগরিক টিভি জেলা প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল নোমান, সময় টিভির ক্যামেরাম্যান আব্দুর রাশেদ, আনন্দ টিভির জেলা প্রতিনিধি মেহেদী হাসান চৌধুরী, যমুনা টিভির ক্যামেরা ম্যান জুয়েল রানা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অকুতোভয় দু’সাহসী কিছু সাংবাদিকরা ছাত্র-জনতার সহযোগিতায় রাষ্ট্রের কল্যাণে আন্দোলনের খবর সংগ্রহে ব্যস্ত থাকেন। এবং জুলাই অভ্যুত্থানের সফলতার পেছনে গণমাধ্যম কর্মীদের অবদান ছিল প্রসংশনীয়। মফস্বল সাংবাদিকদের সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত গভীর। টাঙ্গাইল অঞ্চলের খবর এসকল গণমাধ্যম কর্মীরা সাহসিকতার সাথে সংগ্রহ করে বিভিন্ন সামাজিক ও গণমাধ্যমে প্রেরণ করেন। ইন্টারনেট বন্ধের পরও দমে যায়নি এ সকল সাংবাদ কর্মীরা নানা প্রতিকুলতা উপেক্ষা করে দেশবাসীর নিকট আন্দোলনের খবর পৌঁছিয়েছেন। আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের পাশে থেকে প্রেরণা ও সাহস জুগিয়েছেন অকুতোভয় সাংবাদিকেরা। স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ কর্মীদের চক্ষুশূলে পরিণত হয় গণমাধ্যম কর্মীরা। ০৫ আগস্টের পরে সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট ব্যবস্থা গ্রহণের করলেও অনেক সংবাদকর্মীরাই তা পাননি। টাঙ্গাইল সিভিল সার্জন অফিসের পরিসংখ্যানবিদ মো: মোস্তাফিজ রহমান জানান, জেলায় ৯জন লেখক ও সংবাদ কর্মীর সরকারি ভাবে গেজেট ভুক্ত রয়েছেন।