ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অগ্নিশিখা

আবারও আলোচনায় বসতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান



আবারও আলোচনায় বসতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেও এই সপ্তাহের শেষ দিকে আবারও আলোচনায় বসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। গত শনিবার ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত বৈঠক কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করে।তবুও শান্তি আলোচনার চেষ্টা চালাচ্ছে উভয়পক্ষের কূটনৈতিকরা। 

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, উভয় পক্ষ পুনরায় আলোচনা শুরুর বিষয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে এবং শুক্রবার থেকে রবিবারের মধ্যে বৈঠক হতে পারে, যদিও এখনো নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

এই সম্ভাবনার ইঙ্গিত পাওয়ায় আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে এবং দাম কমে ১০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। তবে পরিস্থিতি এখনো অস্থির রয়ে গেছে।

হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। প্রণালিতে কার্যত নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে ইরান, আর যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরানের বন্দরগামী জাহাজ চলাচলে বাধা দিচ্ছে। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে এবং প্রয়োজনে আরও পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মতপার্থক্য এখনো শান্তি আলোচনার প্রধান বাধা হিসেবে রয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র চাইছে ইরান তার সমৃদ্ধ পারমাণবিক উপাদান সরিয়ে ফেলুক এবং অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা বন্ধে কঠোর নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক।

এদিকে, এই সংঘাতের প্রভাব বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও পড়ছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো সতর্ক করে বলছে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটবে এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন

অগ্নিশিখা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


আবারও আলোচনায় বসতে পারে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান

প্রকাশের তারিখ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেও এই সপ্তাহের শেষ দিকে আবারও আলোচনায় বসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। গত শনিবার ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত বৈঠক কোনো সমঝোতা ছাড়াই শেষ হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোতে অবরোধ আরোপ করে।তবুও শান্তি আলোচনার চেষ্টা চালাচ্ছে উভয়পক্ষের কূটনৈতিকরা। 

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, উভয় পক্ষ পুনরায় আলোচনা শুরুর বিষয়ে আগ্রহ দেখাচ্ছে এবং শুক্রবার থেকে রবিবারের মধ্যে বৈঠক হতে পারে, যদিও এখনো নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

এই সম্ভাবনার ইঙ্গিত পাওয়ায় আন্তর্জাতিক তেলের বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে এবং দাম কমে ১০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে। তবে পরিস্থিতি এখনো অস্থির রয়ে গেছে।

হরমুজ প্রণালিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে। প্রণালিতে কার্যত নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে ইরান, আর যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে ইরানের বন্দরগামী জাহাজ চলাচলে বাধা দিচ্ছে। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রেখেছে এবং প্রয়োজনে আরও পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে।

পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে মতপার্থক্য এখনো শান্তি আলোচনার প্রধান বাধা হিসেবে রয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্র চাইছে ইরান তার সমৃদ্ধ পারমাণবিক উপাদান সরিয়ে ফেলুক এবং অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা বন্ধে কঠোর নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হোক।

এদিকে, এই সংঘাতের প্রভাব বৈশ্বিক অর্থনীতিতেও পড়ছে। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো সতর্ক করে বলছে, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটবে এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।



অগ্নিশিখা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মোর্শেদ আলম
সম্পাদক কর্তৃক “তুহিন প্রেস”, ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় । সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ করিম চেম্বার (৪র্থ তলা) ৯৯ মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
কপিরাইট © ২০২৬ অগ্নিশিখা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত