ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তেহরানে অবস্থিত ইমাম হোসেইন বিশ্ববিদ্যালয়ের সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে দেশটি। প্রতিষ্ঠানটি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র বলে দাবি করেছে তারা।
আইডিএফের বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়টি আইআরজিসির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজা হাসানি আহানগারের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি ও এর কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর একাধিক দেশের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
ইসরায়েলের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়টি মূলত একটি একাডেমিক ও গবেষণা কেন্দ্র হলেও সেখানে অস্ত্র উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হতো।
তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত উইন্ড টানেল, রাসায়নিক অস্ত্র গবেষণার সঙ্গে যুক্ত একটি কেমিস্ট্রি সেন্টার এবং অস্ত্র উন্নয়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল সুবিধাগুলো লক্ষ্য করা হয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আরও জানায়, এসব হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইরানের অস্ত্র উৎপাদন ও উন্নয়ন সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত করা।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তেহরানে অবস্থিত ইমাম হোসেইন বিশ্ববিদ্যালয়ের সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে দেশটি। প্রতিষ্ঠানটি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র বলে দাবি করেছে তারা।
আইডিএফের বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়টি আইআরজিসির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজা হাসানি আহানগারের নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া প্রতিষ্ঠানটি ও এর কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর একাধিক দেশের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
ইসরায়েলের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়টি মূলত একটি একাডেমিক ও গবেষণা কেন্দ্র হলেও সেখানে অস্ত্র উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালিত হতো।
তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলায় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জন্য ব্যবহৃত উইন্ড টানেল, রাসায়নিক অস্ত্র গবেষণার সঙ্গে যুক্ত একটি কেমিস্ট্রি সেন্টার এবং অস্ত্র উন্নয়নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল সুবিধাগুলো লক্ষ্য করা হয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আরও জানায়, এসব হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইরানের অস্ত্র উৎপাদন ও উন্নয়ন সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত করা।

আপনার মতামত লিখুন