ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষিত আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিকে সমর্থন জানিয়েছে পূর্ব এশিয়ার দেশ উত্তর কোরিয়া। দেশটির সরকার আনুষ্ঠানিক বার্তায় নতুন নেতৃত্বের প্রতি অভিনন্দন জানিয়ে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে পাঠানো বার্তায় বলা হয়, ইরানের নতুন নেতৃত্বের অধীনে দেশটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও স্বাধীন নীতির পথে এগিয়ে যাবে বলে তারা বিশ্বাস করে। একই সঙ্গে তেহরান ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে রাজনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে ইরান ও উত্তর কোরিয়া একে অপরের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলা এবং সামরিক ও কৌশলগত বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার ইতিহাস রয়েছে।
এর আগে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর তার দ্বিতীয় সন্তান মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর বিভিন্ন দেশ থেকে তাকে অভিনন্দন ও সমর্থনের বার্তা পাঠানো হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, উত্তর কোরিয়ার এই সমর্থন মধ্যপ্রাচ্য ও পূর্ব এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন বার্তা দিতে পারে। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও সামরিক যোগাযোগ ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মার্চ ২০২৬
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষিত আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিকে সমর্থন জানিয়েছে পূর্ব এশিয়ার দেশ উত্তর কোরিয়া। দেশটির সরকার আনুষ্ঠানিক বার্তায় নতুন নেতৃত্বের প্রতি অভিনন্দন জানিয়ে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।
উত্তর কোরিয়ার পক্ষ থেকে পাঠানো বার্তায় বলা হয়, ইরানের নতুন নেতৃত্বের অধীনে দেশটি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও স্বাধীন নীতির পথে এগিয়ে যাবে বলে তারা বিশ্বাস করে। একই সঙ্গে তেহরান ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে রাজনৈতিক ও কৌশলগত সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘদিন ধরেই আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে ইরান ও উত্তর কোরিয়া একে অপরের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা মোকাবিলা এবং সামরিক ও কৌশলগত বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতার ইতিহাস রয়েছে।
এর আগে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মৃত্যুর পর তার দ্বিতীয় সন্তান মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর বিভিন্ন দেশ থেকে তাকে অভিনন্দন ও সমর্থনের বার্তা পাঠানো হচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, উত্তর কোরিয়ার এই সমর্থন মধ্যপ্রাচ্য ও পূর্ব এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন বার্তা দিতে পারে। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও সামরিক যোগাযোগ ভবিষ্যতে আরও বৃদ্ধি পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন