ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে মোজতবা খামেনির নাম। তিনি সাবেক সুপ্রিম লিডার আলি খামেনি-এর দ্বিতীয় সন্তান।
রোববার (৮ মার্চ) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত সোয়া ৩টার দিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতৃত্ব নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা পরিষদ এসেম্বলি অফ এক্সপার্ট ভোটাভুটির মাধ্যমে তাকে নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে নির্বাচন করে।
ইরানের এই পরিষদটি ৮৮ জন ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব নিয়ে গঠিত। সর্বশেষ ভোটাভুটিতে তারা মোজতবা খামেনিকে দেশের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বেছে নেয় এবং নতুন নেতার প্রতি সবাইকে সমর্থন জানানোর আহ্বান জানায়।
খামেনির মৃত্যুর পর নেতৃত্ব পরিবর্তন
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ওই হামলায় তার স্ত্রী, মেয়ে এবং আরও কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাও প্রাণ হারান বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়।
রাজনীতিতে প্রভাব থাকলেও আনুষ্ঠানিক পদে ছিলেন না
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, মোজতবা খামেনি কখনো কোনো সরকারি দায়িত্ব পালন করেননি এবং কোনো নির্বাচনে অংশও নেননি। তবে তার বাবা ক্ষমতায় থাকার সময় ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে তার যথেষ্ট প্রভাব ছিল।
বিশেষ করে ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভুলোশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)–এর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে ধারণা করা হয়।
আগে থেকেই উত্তরসূরি হিসেবে আলোচনা
তার বাবা বয়সে বৃদ্ধ হয়ে পড়ার পর থেকেই অনেক বিশ্লেষক তাকে ভবিষ্যৎ সুপ্রিম লিডার হিসেবে সম্ভাব্য উত্তরসূরি মনে করতেন। বর্তমানে ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনি অবশ্য এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কখনো মন্তব্য করেননি।
ট্রাম্পের আপত্তি
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন, মোজতবা খামেনি সুপ্রিম লিডার হলে তা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। তিনি আরও বলেন, ইরানের নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি সম্পৃক্ত করা উচিত।
তবে ট্রাম্পের ওই মন্তব্যকে উপেক্ষা করে ইরানের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্ট আলি খামেনির ছেলেকেই দেশের নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে নির্বাচিত করেছে।
সূত্র: আল-জাজিরা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬
ইরানের নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে মোজতবা খামেনির নাম। তিনি সাবেক সুপ্রিম লিডার আলি খামেনি-এর দ্বিতীয় সন্তান।
রোববার (৮ মার্চ) বাংলাদেশ সময় দিবাগত রাত সোয়া ৩টার দিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়। দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতৃত্ব নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা পরিষদ এসেম্বলি অফ এক্সপার্ট ভোটাভুটির মাধ্যমে তাকে নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে নির্বাচন করে।
ইরানের এই পরিষদটি ৮৮ জন ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব নিয়ে গঠিত। সর্বশেষ ভোটাভুটিতে তারা মোজতবা খামেনিকে দেশের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে বেছে নেয় এবং নতুন নেতার প্রতি সবাইকে সমর্থন জানানোর আহ্বান জানায়।
খামেনির মৃত্যুর পর নেতৃত্ব পরিবর্তন
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হন ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ওই হামলায় তার স্ত্রী, মেয়ে এবং আরও কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাও প্রাণ হারান বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়।
রাজনীতিতে প্রভাব থাকলেও আনুষ্ঠানিক পদে ছিলেন না
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, মোজতবা খামেনি কখনো কোনো সরকারি দায়িত্ব পালন করেননি এবং কোনো নির্বাচনে অংশও নেননি। তবে তার বাবা ক্ষমতায় থাকার সময় ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে তার যথেষ্ট প্রভাব ছিল।
বিশেষ করে ইরানের শক্তিশালী সামরিক বাহিনী ইসলামিক রেভুলোশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)–এর সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে ধারণা করা হয়।
আগে থেকেই উত্তরসূরি হিসেবে আলোচনা
তার বাবা বয়সে বৃদ্ধ হয়ে পড়ার পর থেকেই অনেক বিশ্লেষক তাকে ভবিষ্যৎ সুপ্রিম লিডার হিসেবে সম্ভাব্য উত্তরসূরি মনে করতেন। বর্তমানে ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনি অবশ্য এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কখনো মন্তব্য করেননি।
ট্রাম্পের আপত্তি
এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন, মোজতবা খামেনি সুপ্রিম লিডার হলে তা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। তিনি আরও বলেন, ইরানের নতুন নেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি সম্পৃক্ত করা উচিত।
তবে ট্রাম্পের ওই মন্তব্যকে উপেক্ষা করে ইরানের অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্ট আলি খামেনির ছেলেকেই দেশের নতুন সুপ্রিম লিডার হিসেবে নির্বাচিত করেছে।
সূত্র: আল-জাজিরা

আপনার মতামত লিখুন