অগ্নিশিখা অনলাইন
অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত যুক্তরাজ্যের কনস্যুলেট বন্ধ ঘোষণা করেছে ইসরায়েল। কনস্যুলেটের অধিকাংশ কূটনীতিকই নিজ দেশে ফিরে যাবেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েল। তবে যুক্তরাজ্য জোর দিয়ে বলেছে, কনস্যুলেট ‘বন্ধ হচ্ছে না’। এটি এখন থেকে ‘যুক্তরাজ্য মিশন’ হিসেবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। খবর বিবিসির।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার লিখেছেন, ‘আমরা পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাইনি।’ তিনি জানান, পূর্ব জেরুজালেমে যুক্তরাজ্যের কনসাল জেনারেলসহ ২০ জন কূটনীতিক ইসরায়েল ত্যাগ করবেন। সাত সদস্যের একটি টাস্কফোর্স ‘খুবই সীমিত পরিসরে কার্যক্রম পরিচালনা করতে’ ওই ভবনে অবস্থান করতে পারবে।
এর জবাবে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড জানিয়েছেন, নিরাপত্তার কারণে কিছু কর্মীকে ‘সাময়িকভাবে সরিয়ে নেয়া হয়েছে’। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই মিশনটি ‘ফিলিস্তিনি জনগণের সঙ্গে কাজ করে যাবে’।
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলিদের অবৈধ বস্তি স্থাপনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের অংশ হিসেবে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্যের সরকার। তার পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে গত সেপ্টেম্বরে যুক্তরাজ্যের কনস্যুলেটটি বন্ধের ঘোষণা দেয় ইসরায়েল। নিজ উদ্যোগে কনস্যুলেট বন্ধের জন্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) পর্যন্ত সময় দেয় দেশটি।
সেই সীমা পার হওয়ার আগে কনস্যুলেট বন্ধ না করার জন্য ইসরায়েলকে রাজি করাতে শেষ মুহূর্তের প্রচেষ্টা চালিয়েছিল যুক্তরাজ্য সরকার। তবে তাতে কাজ হয়নি।
১৮৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কনস্যুলেটটি জেরুজালেমের পাশাপাশি পশ্চিম তীর ও গাজায় ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক পরিচালনার কাজ করে আসছে। এটি তেল আবিবে অবস্থিত যুক্তরাজ্য দূতাবাস থেকে সম্পূর্ণ আলাদা, যা মূলত ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের প্রধান কূটনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।

শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
অগ্নিশিখা অনলাইন
অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেমে অবস্থিত যুক্তরাজ্যের কনস্যুলেট বন্ধ ঘোষণা করেছে ইসরায়েল। কনস্যুলেটের অধিকাংশ কূটনীতিকই নিজ দেশে ফিরে যাবেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েল। তবে যুক্তরাজ্য জোর দিয়ে বলেছে, কনস্যুলেট ‘বন্ধ হচ্ছে না’। এটি এখন থেকে ‘যুক্তরাজ্য মিশন’ হিসেবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। খবর বিবিসির।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সার লিখেছেন, ‘আমরা পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে নিয়ে যেতে চাইনি।’ তিনি জানান, পূর্ব জেরুজালেমে যুক্তরাজ্যের কনসাল জেনারেলসহ ২০ জন কূটনীতিক ইসরায়েল ত্যাগ করবেন। সাত সদস্যের একটি টাস্কফোর্স ‘খুবই সীমিত পরিসরে কার্যক্রম পরিচালনা করতে’ ওই ভবনে অবস্থান করতে পারবে।
এর জবাবে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড জানিয়েছেন, নিরাপত্তার কারণে কিছু কর্মীকে ‘সাময়িকভাবে সরিয়ে নেয়া হয়েছে’। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই মিশনটি ‘ফিলিস্তিনি জনগণের সঙ্গে কাজ করে যাবে’।
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলিদের অবৈধ বস্তি স্থাপনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের অংশ হিসেবে নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাজ্যের সরকার। তার পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে গত সেপ্টেম্বরে যুক্তরাজ্যের কনস্যুলেটটি বন্ধের ঘোষণা দেয় ইসরায়েল। নিজ উদ্যোগে কনস্যুলেট বন্ধের জন্য বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) পর্যন্ত সময় দেয় দেশটি।
সেই সীমা পার হওয়ার আগে কনস্যুলেট বন্ধ না করার জন্য ইসরায়েলকে রাজি করাতে শেষ মুহূর্তের প্রচেষ্টা চালিয়েছিল যুক্তরাজ্য সরকার। তবে তাতে কাজ হয়নি।
১৮৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কনস্যুলেটটি জেরুজালেমের পাশাপাশি পশ্চিম তীর ও গাজায় ফিলিস্তিনিদের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সম্পর্ক পরিচালনার কাজ করে আসছে। এটি তেল আবিবে অবস্থিত যুক্তরাজ্য দূতাবাস থেকে সম্পূর্ণ আলাদা, যা মূলত ইসরায়েলের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের প্রধান কূটনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।

আপনার মতামত লিখুন