ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের কেশবপুর হাজরাপাড়া গ্রামে সাপের কামড়ে কেয়া খাতুন (১০) নামে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। কেয়া খাতুন কেশবপুর হাজরাপাড়া গ্রামের ঠান্ডু মোল্লার মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে কেয়া নিজ শয়নকক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে ঘুমের মধ্যে একটি বিষধর সাপ তাকে কামড় দেয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।
পরে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই সঙ্গে সাপের কামড়ের পর দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পরিবর্তে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেওয়ার বিষয়ে সচেতনতার প্রয়োজনীয়তার কথাও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তবে কী ধরনের সাপের কামড়ে তার মৃত্যু হয়েছে, তা সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক বা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি: ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের কেশবপুর হাজরাপাড়া গ্রামে সাপের কামড়ে কেয়া খাতুন (১০) নামে তৃতীয় শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। কেয়া খাতুন কেশবপুর হাজরাপাড়া গ্রামের ঠান্ডু মোল্লার মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে কেয়া নিজ শয়নকক্ষে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে ঘুমের মধ্যে একটি বিষধর সাপ তাকে কামড় দেয় বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।
পরে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একই সঙ্গে সাপের কামড়ের পর দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার পরিবর্তে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নেওয়ার বিষয়ে সচেতনতার প্রয়োজনীয়তার কথাও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তবে কী ধরনের সাপের কামড়ে তার মৃত্যু হয়েছে, তা সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক বা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন