ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ১২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রতি বৃহস্পতিবার নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলার প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
অভিযানের আওতায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ, শ্রেণিকক্ষের আশপাশ, মাঠসহ বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে মশার প্রজননস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে—এমন জমে থাকা পানি, পরিত্যক্ত পাত্র ও আবর্জনা অপসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে শুধু চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করাই এ কার্যক্রমের অন্যতম লক্ষ্য। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সচেতন করা এবং নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতেও উৎসাহিত করা হচ্ছে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। বিদ্যালয়ভিত্তিক নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং পুরো এলাকায় মশার প্রজননস্থল কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত বিভিন্ন রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ১২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রতি বৃহস্পতিবার নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে উপজেলার প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
অভিযানের আওতায় বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ, শ্রেণিকক্ষের আশপাশ, মাঠসহ বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কার করা হয়। একই সঙ্গে মশার প্রজননস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে—এমন জমে থাকা পানি, পরিত্যক্ত পাত্র ও আবর্জনা অপসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ন্ত্রণে শুধু চিকিৎসার ওপর নির্ভর না করে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা ও মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের মাধ্যমে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করাই এ কার্যক্রমের অন্যতম লক্ষ্য। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পরিচ্ছন্নতা বিষয়ে সচেতন করা এবং নিজ নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখার অভ্যাস গড়ে তুলতেও উৎসাহিত করা হচ্ছে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে ধারাবাহিকভাবে এ ধরনের কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। বিদ্যালয়ভিত্তিক নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং পুরো এলাকায় মশার প্রজননস্থল কমিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন