নির্মাণাধীন সিরাজগঞ্জ–বগুড়া রেলপথকে শহরের রায়পুর জংশনের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত করার দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠেছে সিরাজগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষ। আজ (৯ সেপ্টেম্বর) বুধবার সিরাজগঞ্জ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ হল রুমে “সিরাজগঞ্জ রেল বাঁচাও আন্দোলন”-এর উদ্যোগে এক মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা রায়পুর জংশনকে উত্তরাঞ্চলগামী রেল যোগাযোগের কেন্দ্রীয় হাব হিসেবে গড়ে তোলা এবং নির্মাণাধীন নতুন সিরাজগঞ্জ–বগুড়া রেলপথকে সরাসরি এই রায়পুর জংশনের সঙ্গে যুক্ত করার জোরালো দাবি জানান।
বক্তারা উল্লেখ করেন, উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগকে আরও দ্রুত ও সাশ্রয়ী করতে সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে এই রেলপথ যদি শহরের মূল কেন্দ্র রায়পুর জংশনকে বাইপাস করে করা হয়, তবে সিরাজগঞ্জবাসী সরাসরি রেল সেবার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে।
সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, রায়পুর জংশনকে মূল কেন্দ্রবিন্দু ধরে রুট পরিকল্পনা করা হলে শুধু সিরাজগঞ্জ শহরের সাধারণ মানুষই উপকৃত হবে না, বরং উত্তরাঞ্চলের সার্বিক রেল নেটওয়ার্ক অত্যন্ত সুসংগঠিত হবে। এতে করে ব্যবসায়ীদের পণ্য পরিবহন সহজ হবে এবং জেলার অর্থনৈতিক গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে।
“সিরাজগঞ্জ রেল বাঁচাও আন্দোলন”-এর নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে প্রকল্পের নকশা সংশোধন করে রায়পুর জংশনকে যুক্ত করার আহ্বান জানান এবং দাবি না মানা হলে পরবর্তীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন।
উক্ত সভায় স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা সংহতি প্রকাশ করে উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নির্মাণাধীন সিরাজগঞ্জ–বগুড়া রেলপথকে শহরের রায়পুর জংশনের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত করার দাবিতে সোচ্চার হয়ে উঠেছে সিরাজগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষ। আজ (৯ সেপ্টেম্বর) বুধবার সিরাজগঞ্জ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ হল রুমে “সিরাজগঞ্জ রেল বাঁচাও আন্দোলন”-এর উদ্যোগে এক মতবিনিময় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা রায়পুর জংশনকে উত্তরাঞ্চলগামী রেল যোগাযোগের কেন্দ্রীয় হাব হিসেবে গড়ে তোলা এবং নির্মাণাধীন নতুন সিরাজগঞ্জ–বগুড়া রেলপথকে সরাসরি এই রায়পুর জংশনের সঙ্গে যুক্ত করার জোরালো দাবি জানান।
বক্তারা উল্লেখ করেন, উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার রেল যোগাযোগকে আরও দ্রুত ও সাশ্রয়ী করতে সিরাজগঞ্জ-বগুড়া রেলপথের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে এই রেলপথ যদি শহরের মূল কেন্দ্র রায়পুর জংশনকে বাইপাস করে করা হয়, তবে সিরাজগঞ্জবাসী সরাসরি রেল সেবার সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে।
সভায় নেতৃবৃন্দ বলেন, রায়পুর জংশনকে মূল কেন্দ্রবিন্দু ধরে রুট পরিকল্পনা করা হলে শুধু সিরাজগঞ্জ শহরের সাধারণ মানুষই উপকৃত হবে না, বরং উত্তরাঞ্চলের সার্বিক রেল নেটওয়ার্ক অত্যন্ত সুসংগঠিত হবে। এতে করে ব্যবসায়ীদের পণ্য পরিবহন সহজ হবে এবং জেলার অর্থনৈতিক গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে।
“সিরাজগঞ্জ রেল বাঁচাও আন্দোলন”-এর নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে প্রকল্পের নকশা সংশোধন করে রায়পুর জংশনকে যুক্ত করার আহ্বান জানান এবং দাবি না মানা হলে পরবর্তীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দেন।
উক্ত সভায় স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা সংহতি প্রকাশ করে উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন