সদর উপজেলার প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে পাঠাগার স্থাপনের উদ্যোগ
শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা, সৃজনশীলতা বিকাশ এবং বিদ্যালয়ে আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন। এরই অংশ হিসেবে ৬০ নম্বর গোয়ালবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু করা হয়েছে ‘স্বপ্নের সিঁড়ি পাঠাগার’।
সম্প্রতি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পাঠাগারটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিন।
উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এ পাঠাগারে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি গল্প, ছড়া, সাহিত্য ও জ্ঞানমূলক বিভিন্ন বই রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়ায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে তাদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অবস্থানকালকে আরও আনন্দময় ও উপভোগ্য করে তুলতে পাঠাগারটি রঙিন ও নান্দনিকভাবে সাজানো হয়েছে। এর ফলে পড়াশোনার পাশাপাশি অবসর সময়ে শিক্ষার্থীরা বই পড়ার সুযোগ পাবে এবং ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে উঠবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ‘স্বপ্নের সিঁড়ি পাঠাগার’ কার্যক্রমটি পর্যায়ক্রমে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সম্প্রসারণ করা হবে। এর মাধ্যমে শিশুদের বইমুখী করার পাশাপাশি তাদের জ্ঞান, মননশীলতা ও সৃজনশীল চিন্তাশক্তির বিকাশ ঘটানোর লক্ষ্য রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ছোটবেলা থেকেই শিশুদের বই পড়ার সুযোগ করে দেওয়া হলে তাদের চিন্তাশক্তি ও কল্পনাশক্তির বিকাশ ঘটে। তাই বিদ্যালয়ভিত্তিক এমন পাঠাগার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জ্ঞানমনস্ক, সৃজনশীল ও মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সদর উপজেলার প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে পাঠাগার স্থাপনের উদ্যোগ
শিক্ষার্থীদের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা, সৃজনশীলতা বিকাশ এবং বিদ্যালয়ে আনন্দময় শিক্ষার পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা প্রশাসন। এরই অংশ হিসেবে ৬০ নম্বর গোয়ালবন্দ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চালু করা হয়েছে ‘স্বপ্নের সিঁড়ি পাঠাগার’।
সম্প্রতি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে পাঠাগারটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম ফয়েজ উদ্দিন।
উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত এ পাঠাগারে পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি গল্প, ছড়া, সাহিত্য ও জ্ঞানমূলক বিভিন্ন বই রাখা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বই পড়ায় উৎসাহিত করার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে তাদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের অবস্থানকালকে আরও আনন্দময় ও উপভোগ্য করে তুলতে পাঠাগারটি রঙিন ও নান্দনিকভাবে সাজানো হয়েছে। এর ফলে পড়াশোনার পাশাপাশি অবসর সময়ে শিক্ষার্থীরা বই পড়ার সুযোগ পাবে এবং ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে উঠবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ‘স্বপ্নের সিঁড়ি পাঠাগার’ কার্যক্রমটি পর্যায়ক্রমে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সম্প্রসারণ করা হবে। এর মাধ্যমে শিশুদের বইমুখী করার পাশাপাশি তাদের জ্ঞান, মননশীলতা ও সৃজনশীল চিন্তাশক্তির বিকাশ ঘটানোর লক্ষ্য রয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ছোটবেলা থেকেই শিশুদের বই পড়ার সুযোগ করে দেওয়া হলে তাদের চিন্তাশক্তি ও কল্পনাশক্তির বিকাশ ঘটে। তাই বিদ্যালয়ভিত্তিক এমন পাঠাগার ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে জ্ঞানমনস্ক, সৃজনশীল ও মানবিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন