ভোলাকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে স্থলপথে যুক্ত করতে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে সড়ক ও সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মঙ্গলবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের কাঁচপুরে ‘ঢাকা-ইলিশা ফেরি সার্ভিস’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, ভোলা দীর্ঘদিন ধরে দেশের মূল ভূখণ্ড থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। জনগণের যোগাযোগের সুবিধা বাড়াতে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে সড়ক ও সেতু নির্মাণের মাধ্যমে ভোলাকে স্থলপথে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে মানুষের যোগাযোগের সুবিধার্থে পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকা-ইলিশা ফেরি সার্ভিস চালু করা হয়েছে।
তিনি জানান, বর্তমানে ‘বেগম সুফিয়া কামাল’ ও ‘বেগম রোকেয়া’ নামে দুটি ফেরি এ রুটে চলাচল করছে। পরীক্ষামূলকভাবে কয়েকদিন ফেরি চলাচলের পর যাত্রী, ব্যক্তিগত গাড়ি, পিকআপ ও পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যে এ রুট নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ও সাড়া পাওয়া গেছে।
শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, ফেরির সংখ্যা বাড়ানো, সেবার মান উন্নয়ন, যাত্রী ও যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা এবং যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা চলছে। মানুষের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে এ রুটের সেবাকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ঢাকার চক্রাকার নৌ-রুট ও ওয়াটার বাস সার্ভিস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব সেবাকে আরও যাত্রীবান্ধব করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নির্দিষ্ট সময়ে নৌযান চলাচল, আরামদায়ক পরিবেশ এবং নৌপথের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ নিশ্চিত করা গেলে এসব রুট আরও জনপ্রিয় হবে। একই সঙ্গে পরিচালনাগত লোকসানও কমানো সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান এ টি এম আব্দুল বারী, পরিচালক (প্রশাসন) মো. রবিউল আলম, পরিচালক (বাণিজ্য) এস এম আশিকুজ্জামানসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ভোলাকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে স্থলপথে যুক্ত করতে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে সড়ক ও সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
মঙ্গলবার বিকেলে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের কাঁচপুরে ‘ঢাকা-ইলিশা ফেরি সার্ভিস’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
নৌপরিবহন মন্ত্রী বলেন, ভোলা দীর্ঘদিন ধরে দেশের মূল ভূখণ্ড থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছে। জনগণের যোগাযোগের সুবিধা বাড়াতে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে সড়ক ও সেতু নির্মাণের মাধ্যমে ভোলাকে স্থলপথে যুক্ত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এরই মধ্যে মানুষের যোগাযোগের সুবিধার্থে পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকা-ইলিশা ফেরি সার্ভিস চালু করা হয়েছে।
তিনি জানান, বর্তমানে ‘বেগম সুফিয়া কামাল’ ও ‘বেগম রোকেয়া’ নামে দুটি ফেরি এ রুটে চলাচল করছে। পরীক্ষামূলকভাবে কয়েকদিন ফেরি চলাচলের পর যাত্রী, ব্যক্তিগত গাড়ি, পিকআপ ও পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের মধ্যে এ রুট নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ও সাড়া পাওয়া গেছে।
শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, ফেরির সংখ্যা বাড়ানো, সেবার মান উন্নয়ন, যাত্রী ও যানবাহন চলাচলে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা এবং যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের বিষয়ে আলোচনা চলছে। মানুষের চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে এ রুটের সেবাকে আরও কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ঢাকার চক্রাকার নৌ-রুট ও ওয়াটার বাস সার্ভিস প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব সেবাকে আরও যাত্রীবান্ধব করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নির্দিষ্ট সময়ে নৌযান চলাচল, আরামদায়ক পরিবেশ এবং নৌপথের সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ নিশ্চিত করা গেলে এসব রুট আরও জনপ্রিয় হবে। একই সঙ্গে পরিচালনাগত লোকসানও কমানো সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) চেয়ারম্যান এ টি এম আব্দুল বারী, পরিচালক (প্রশাসন) মো. রবিউল আলম, পরিচালক (বাণিজ্য) এস এম আশিকুজ্জামানসহ সংস্থাটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন