ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা, বাংলাদেশ    বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অগ্নিশিখা

শাহজালালে থার্ড টার্মিনালের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু ১৬ ডিসেম্বর: বিমানমন্ত্রী



শাহজালালে থার্ড টার্মিনালের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু ১৬ ডিসেম্বর: বিমানমন্ত্রী

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বর উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

তিনি আজ মঙ্গলবার তৃতীয় টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, আমরা এই টার্মিনালটি উদ্বোধন করতে চাই। আপনারা জানেন যে, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে এই টার্মিনালটা উদ্বোধন করা হয়েছিল, শুধু বিল্ডিংটা উদ্বোধন করা হয়েছিল। কিন্তু এটি চালুর যে উদ্যোগ, সেটি নেয়া হয়নি। এই টার্মিনালে ইন্টারনেট নেই, মেশিনপত্রের ব্যবস্থাপনা নেই এবং এটি কীভাবে উদ্বোধন হবে, তার কোনো চিন্তাভাবনা ছিল না।

তিনি আরও বলেন, রেভিনিউ শেয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ বাংলাদেশিরা পাবে, বাকি ৮৫ শতাংশ জাপানি কোম্পানি পাবে-এমনটি কথা ছিল। আমার বারবার মিটিং করে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রেভিনিউ ২৭ শতাংশ আনতে সক্ষম হয়েছি। ২৭ শতাংশ আনতে পারলে আমাদের ঋণটা পরিশোধ করা যাবে। আপনারা জানেন, এটি জাইকার ঋণে করা হয়েছে।

অন্যান খাতের আয় থেকে এই টার্মিনালের ঋণের কিস্তি ইতোমধ্যে দেয়া শুরু হয়েছে জানিয়ে রশিদুজ্জামান মিল্লাত আরও বলেন, টার্মিনালটির কিস্তি দেয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। এই কিস্তিটা আমাদের সিভিল এভিয়েশনের আয় থেকে দিতে হচ্ছে। আমরা ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা ইতোমধ্যে দিয়েছি এবং ডিসেম্বরে আরও ৯০০ কোটি টাকা দিতে হবে। এই টার্মিনালটা চালু না করা গেলে এভাবেই অন্যান্য খাত থেকে আমাদের ঋণ শোধ করতে হবে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ১৬ ডিসেম্বরে আংশিক হলেও যাতে আমরা এটি চালু করতে পারি

আপনার মতামত লিখুন

অগ্নিশিখা

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


শাহজালালে থার্ড টার্মিনালের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু ১৬ ডিসেম্বর: বিমানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বর উদ্বোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

তিনি আজ মঙ্গলবার তৃতীয় টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, আমরা এই টার্মিনালটি উদ্বোধন করতে চাই। আপনারা জানেন যে, বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে এই টার্মিনালটা উদ্বোধন করা হয়েছিল, শুধু বিল্ডিংটা উদ্বোধন করা হয়েছিল। কিন্তু এটি চালুর যে উদ্যোগ, সেটি নেয়া হয়নি। এই টার্মিনালে ইন্টারনেট নেই, মেশিনপত্রের ব্যবস্থাপনা নেই এবং এটি কীভাবে উদ্বোধন হবে, তার কোনো চিন্তাভাবনা ছিল না।

তিনি আরও বলেন, রেভিনিউ শেয়ারিংয়ের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ বাংলাদেশিরা পাবে, বাকি ৮৫ শতাংশ জাপানি কোম্পানি পাবে-এমনটি কথা ছিল। আমার বারবার মিটিং করে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রেভিনিউ ২৭ শতাংশ আনতে সক্ষম হয়েছি। ২৭ শতাংশ আনতে পারলে আমাদের ঋণটা পরিশোধ করা যাবে। আপনারা জানেন, এটি জাইকার ঋণে করা হয়েছে।

অন্যান খাতের আয় থেকে এই টার্মিনালের ঋণের কিস্তি ইতোমধ্যে দেয়া শুরু হয়েছে জানিয়ে রশিদুজ্জামান মিল্লাত আরও বলেন, টার্মিনালটির কিস্তি দেয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। এই কিস্তিটা আমাদের সিভিল এভিয়েশনের আয় থেকে দিতে হচ্ছে। আমরা ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা ইতোমধ্যে দিয়েছি এবং ডিসেম্বরে আরও ৯০০ কোটি টাকা দিতে হবে। এই টার্মিনালটা চালু না করা গেলে এভাবেই অন্যান্য খাত থেকে আমাদের ঋণ শোধ করতে হবে। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি ১৬ ডিসেম্বরে আংশিক হলেও যাতে আমরা এটি চালু করতে পারি


অগ্নিশিখা

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ মোর্শেদ আলম
সম্পাদক কর্তৃক “তুহিন প্রেস”, ২১৯/২, ফকিরাপুল (১ম গলি), ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয় । সম্পাদকীয় কার্যালয়ঃ করিম চেম্বার (৪র্থ তলা) ৯৯ মতিঝিল, ঢাকা-১০০০।
কপিরাইট © ২০২৬ অগ্নিশিখা । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত