নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার চাষাড়া এলাকায় শুভ চন্দ্র দাস (৩০) হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ও তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ হকার্স মার্কেটের পেছনে দুর্গামলের সামনে রাস্তা থেকে শুভ চন্দ্র দাসের গুলিবিদ্ধ ও চাকুর আঘাতে রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত শুভ চন্দ্র দাস নারায়ণগঞ্জ সদর থানার গলাচিপা এলাকার বাসিন্দা এবং তার পিতার নাম শ্রী হরি চন্দ্র দাস।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা করেন। মামলাটি সদর মডেল থানার মামলা নং-০৮, তারিখ ০৫/০৯/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ; এতে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের পর নারায়ণগঞ্জ জেলার নবাগত পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) মোঃ হাসিনুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয়ে তদন্ত চালিয়ে ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও ঘটনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অনিক ও সুমন শুভকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার দিন ১০টি ইয়াবা ট্যাবলেটের বিনিময়ে শুভর সহযোগী সোহানকে ব্যবহার করে তাকে ঘটনাস্থলে ডেকে আনা হয়।
পরে অনিক ও অহিদের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল শুভকে হত্যায় অংশ নেয় বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য পাওয়া গেছে। এ সময় অনিক ও অহিদ শুভকে গুলি করে এবং দলের অন্য সদস্যরা চাকু দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—
১. মোঃ সুমন ওরফে মাইগ্যা সুমন (৪৫), পিতা- কালু মিয়া, মাতা- মৃত ফরিদা বেগম, স্থায়ী ঠিকানা- আমলাপাড়া মাদ্রাসাপাড়া, থানা- নারায়ণগঞ্জ সদর, জেলা- নারায়ণগঞ্জ। বর্তমানে বন্দর থানাধীন খানবাড়ি মোড়স্থ সুফিয়ানের বাড়ির ৫ম তলা ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া।
২. সিয়াম আহমেদ সিজান (২১), পিতা- মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মাতা- শাহনাজ বেগম, সাং- আমলাপাড়া, ২১ নং কেবি সাহা বাইলেন, থানা- নারায়ণগঞ্জ সদর, জেলা- নারায়ণগঞ্জ।
৩. মোঃ সোহান (২৪), পিতা- মৃত সমর্চান সরদার, মাতা- মৃত শেফালী বেগম, সাং- আমলাপাড়া, ২১ নং কেবি সাহা বাইলেন, থানা- নারায়ণগঞ্জ সদর, জেলা- নারায়ণগঞ্জ।
পুলিশের অভিযানে আসামিদের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ও তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেপ্তার এবং হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্রসহ অন্যান্য আলামত উদ্ধারে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান ও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার চাষাড়া এলাকায় শুভ চন্দ্র দাস (৩০) হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ও তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ হকার্স মার্কেটের পেছনে দুর্গামলের সামনে রাস্তা থেকে শুভ চন্দ্র দাসের গুলিবিদ্ধ ও চাকুর আঘাতে রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত শুভ চন্দ্র দাস নারায়ণগঞ্জ সদর থানার গলাচিপা এলাকার বাসিন্দা এবং তার পিতার নাম শ্রী হরি চন্দ্র দাস।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা করেন। মামলাটি সদর মডেল থানার মামলা নং-০৮, তারিখ ০৫/০৯/২০২৬ খ্রিস্টাব্দ; এতে দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের পর নারায়ণগঞ্জ জেলার নবাগত পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিবি) মোঃ হাসিনুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সমন্বয়ে তদন্ত চালিয়ে ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও ঘটনার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অনিক ও সুমন শুভকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার দিন ১০টি ইয়াবা ট্যাবলেটের বিনিময়ে শুভর সহযোগী সোহানকে ব্যবহার করে তাকে ঘটনাস্থলে ডেকে আনা হয়।
পরে অনিক ও অহিদের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল শুভকে হত্যায় অংশ নেয় বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তথ্য পাওয়া গেছে। এ সময় অনিক ও অহিদ শুভকে গুলি করে এবং দলের অন্য সদস্যরা চাকু দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—
১. মোঃ সুমন ওরফে মাইগ্যা সুমন (৪৫), পিতা- কালু মিয়া, মাতা- মৃত ফরিদা বেগম, স্থায়ী ঠিকানা- আমলাপাড়া মাদ্রাসাপাড়া, থানা- নারায়ণগঞ্জ সদর, জেলা- নারায়ণগঞ্জ। বর্তমানে বন্দর থানাধীন খানবাড়ি মোড়স্থ সুফিয়ানের বাড়ির ৫ম তলা ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া।
২. সিয়াম আহমেদ সিজান (২১), পিতা- মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মাতা- শাহনাজ বেগম, সাং- আমলাপাড়া, ২১ নং কেবি সাহা বাইলেন, থানা- নারায়ণগঞ্জ সদর, জেলা- নারায়ণগঞ্জ।
৩. মোঃ সোহান (২৪), পিতা- মৃত সমর্চান সরদার, মাতা- মৃত শেফালী বেগম, সাং- আমলাপাড়া, ২১ নং কেবি সাহা বাইলেন, থানা- নারায়ণগঞ্জ সদর, জেলা- নারায়ণগঞ্জ।
পুলিশের অভিযানে আসামিদের ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল ও তিনটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেপ্তার এবং হত্যায় ব্যবহৃত অস্ত্রসহ অন্যান্য আলামত উদ্ধারে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অভিযান ও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মতামত লিখুন