সৌদি আরবে ভিসা ও আকামা দেওয়ার কথা বলে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আল জামান সবুজকে আটক করেছে সৌদি পুলিশ। গত ২৭ আগস্ট সৌদি আরবের আবহা শহর থেকে কয়েকজন নারীসহ তাকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আটক সবুজ চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ১ নম্বর কাশিনগর ইউনিয়নের জয়মঙ্গলপুর গ্রামের কুয়েতপ্রবাসী মিজানুর রহমানের বড় ছেলে।
অভিযোগ রয়েছে, সৌদি আরবে হোটেল ব্যবসার জন্য নতুন ভিসা দেওয়ার কথা বলে শতাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়েছেন সবুজ। এছাড়া ভিসা, আকামা ও ব্যবসায়িক অংশীদার করার কথা বলেও প্রবাসীদের কাছ থেকে লাখ লাখ সৌদি রিয়াল আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, সবুজের এসব কর্মকাণ্ডে তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও মধ্যস্থতা করেছেন। তার বাবা, মা ও দুই ভাই বর্তমানে কুয়েতে অবস্থান করছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
অভিযোগকারী কয়েকজনের ভাষ্য, কুয়েতে অবস্থানরত পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে বিদেশে নেওয়া ও ভিসা করে দেওয়ার কথা বলে অর্থ নেওয়া হয়েছে। এতে অনেক পরিবার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে সবুজের বিরুদ্ধে নারীসংক্রান্ত অভিযোগসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে বলেও দাবি করেছেন স্থানীয়রা। এর আগে কুয়েতে অবস্থানকালে চোরাকারবারের অভিযোগে তাকে আটক করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ঘটনায় কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করা হয়েছে। পাশাপাশি কুমিল্লার পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত কুয়েতের রাষ্ট্রদূতের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া কুয়েতে অবস্থানরত সবুজের পরিবারের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধেও ভিসা জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পৃথক অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সবুজ ও তার পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সৌদি আরবে ভিসা ও আকামা দেওয়ার কথা বলে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আল জামান সবুজকে আটক করেছে সৌদি পুলিশ। গত ২৭ আগস্ট সৌদি আরবের আবহা শহর থেকে কয়েকজন নারীসহ তাকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
আটক সবুজ চৌদ্দগ্রাম উপজেলার ১ নম্বর কাশিনগর ইউনিয়নের জয়মঙ্গলপুর গ্রামের কুয়েতপ্রবাসী মিজানুর রহমানের বড় ছেলে।
অভিযোগ রয়েছে, সৌদি আরবে হোটেল ব্যবসার জন্য নতুন ভিসা দেওয়ার কথা বলে শতাধিক ব্যক্তির কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়েছেন সবুজ। এছাড়া ভিসা, আকামা ও ব্যবসায়িক অংশীদার করার কথা বলেও প্রবাসীদের কাছ থেকে লাখ লাখ সৌদি রিয়াল আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগীদের দাবি, সবুজের এসব কর্মকাণ্ডে তার পরিবারের কয়েকজন সদস্যও মধ্যস্থতা করেছেন। তার বাবা, মা ও দুই ভাই বর্তমানে কুয়েতে অবস্থান করছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
অভিযোগকারী কয়েকজনের ভাষ্য, কুয়েতে অবস্থানরত পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে বিদেশে নেওয়া ও ভিসা করে দেওয়ার কথা বলে অর্থ নেওয়া হয়েছে। এতে অনেক পরিবার আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এদিকে সবুজের বিরুদ্ধে নারীসংক্রান্ত অভিযোগসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে বলেও দাবি করেছেন স্থানীয়রা। এর আগে কুয়েতে অবস্থানকালে চোরাকারবারের অভিযোগে তাকে আটক করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এ ঘটনায় কুমিল্লার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করা হয়েছে। পাশাপাশি কুমিল্লার পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত কুয়েতের রাষ্ট্রদূতের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া কুয়েতে অবস্থানরত সবুজের পরিবারের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধেও ভিসা জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পৃথক অভিযোগ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত সবুজ ও তার পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন