ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শুনারা গ্রামে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে তরুণ ও যুবসমাজকে রক্ষা করতে এক অভূতপূর্ব সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন সর্বস্তরের মানুষ। ‘মাদককে না বলুন, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ুন’—এই অঙ্গীকার সামনে রেখে শুনারা গ্রামবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছে বিশাল জনসচেতনতামূলক সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য র্যালি।
গত শুক্রবার (০৪ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এই মহাসমাবেশে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মুরুব্বি, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক-রাজনৈতিক নেতারাসহ সর্বস্তরের শত শত মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। সমাবেশ থেকে সরাইল এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে স্পষ্ট ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করা হয়।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন আলমগীর রিংকু।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুল জব্বার চেয়ারম্যান। প্রধান বক্তা ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‘বিশিষ্ট সাংবাদিক কামাল পাঠান- সভাপতি মুক্তির পথ সরাইল উপজেলা,,, তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “মাদক একটি পরিবার, সমাজ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশকে এক নিমেষে ধ্বংস করে দেয়। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এই বিষাক্ত ছোবল থেকে বাঁচাতে হলে প্রতি ঘরে ঘরে সামাজিক দুর্গ গড়ে তুলতে হবে।”
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন ইউনূস মিয়া, উপজেলা খেলাফত সভাপতি পারভেজ আলম এবং স্থানীয় মেম্বার সরোজ আলী। অনুষ্ঠানে তরুণদের প্রতিনিধি হিসেবে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক প্রতিরোধের ডাক দেন মোঃ সোহাগ মিয়া।
পুরো আয়োজনের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ সংগ্রহ ও মিডিয়া কভারেজে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন ‘মুক্তির পথ’ মাদকবিরোধী সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জাতীয় দৈনিক ‘জনতার খবর’-এর সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার সাংবাদিক মোঃ বাদশা মিয়া। এ সময় সরাইল থানার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মাদকমুক্ত শুনারা গ্রাম গড়ার এই লড়াইয়ে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্যের মাধ্যমে দৃঢ় সমর্থন জানান এলাকার মুরুব্বি ও সরদারবৃন্দ—মন মিয়া সরদার, এলেম মিয়া সরদার, সোহেল মাস্টার, মাওলানা কাউছার, মুসা মিয়া, মোনহার মিয়া, বোরহানউজ্জামান স্যার, আলী মিয়া সরদার এবং ওবায়দুল সরদার।
সামাজিক এই আন্দোলনে শুনারা গ্রামের প্রতিটি পাড়া থেকে প্রতিনিধিবর্গ সরাসরি অংশ নেন। ছোট শুনারা: ওবায়দুল ও জিন্নাত আলী বড়পাড়া: জমির মুন্সি, উত্তরপাড়া: হাকিম ও মন
কান্দাপাড়া: আলী মিয়া ও জামাল মিয়া
পশ্চিমপাড়া: মুসা মিয়া ও কাউছার হুজুর। দক্ষিণপাড়া: সোহাগ মিয়া ও কামাল,, সমাবেশ শেষে একটি বিশাল সচেতনতামূলক র্যালি বের হয়ে গ্রামের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালি থেকে মাদক কেনাবেচা ও সেবনের বিরুদ্ধে তীব্র হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। শুনারা গ্রামকে সম্পূর্ণরূপে মাদকমুক্ত না করা পর্যন্ত এই সামাজিক আন্দোলন অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শুনারা গ্রামে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে তরুণ ও যুবসমাজকে রক্ষা করতে এক অভূতপূর্ব সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন সর্বস্তরের মানুষ। ‘মাদককে না বলুন, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ুন’—এই অঙ্গীকার সামনে রেখে শুনারা গ্রামবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছে বিশাল জনসচেতনতামূলক সমাবেশ ও বর্ণাঢ্য র্যালি।
গত শুক্রবার (০৪ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এই মহাসমাবেশে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মুরুব্বি, জনপ্রতিনিধি, সামাজিক-রাজনৈতিক নেতারাসহ সর্বস্তরের শত শত মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। সমাবেশ থেকে সরাইল এলাকায় মাদকের বিরুদ্ধে স্পষ্ট ‘জিরো টলারেন্স’ ঘোষণা করা হয়।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনায় ছিলেন আলমগীর রিংকু।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সমাজসেবক আব্দুল জব্বার চেয়ারম্যান। প্রধান বক্তা ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ‘বিশিষ্ট সাংবাদিক কামাল পাঠান- সভাপতি মুক্তির পথ সরাইল উপজেলা,,, তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “মাদক একটি পরিবার, সমাজ ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশকে এক নিমেষে ধ্বংস করে দেয়। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এই বিষাক্ত ছোবল থেকে বাঁচাতে হলে প্রতি ঘরে ঘরে সামাজিক দুর্গ গড়ে তুলতে হবে।”
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য রাখেন ইউনূস মিয়া, উপজেলা খেলাফত সভাপতি পারভেজ আলম এবং স্থানীয় মেম্বার সরোজ আলী। অনুষ্ঠানে তরুণদের প্রতিনিধি হিসেবে মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর সামাজিক প্রতিরোধের ডাক দেন মোঃ সোহাগ মিয়া।
পুরো আয়োজনের বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ সংগ্রহ ও মিডিয়া কভারেজে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন ‘মুক্তির পথ’ মাদকবিরোধী সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং জাতীয় দৈনিক ‘জনতার খবর’-এর সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার সাংবাদিক মোঃ বাদশা মিয়া। এ সময় সরাইল থানার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ও স্থানীয় সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মাদকমুক্ত শুনারা গ্রাম গড়ার এই লড়াইয়ে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্যের মাধ্যমে দৃঢ় সমর্থন জানান এলাকার মুরুব্বি ও সরদারবৃন্দ—মন মিয়া সরদার, এলেম মিয়া সরদার, সোহেল মাস্টার, মাওলানা কাউছার, মুসা মিয়া, মোনহার মিয়া, বোরহানউজ্জামান স্যার, আলী মিয়া সরদার এবং ওবায়দুল সরদার।
সামাজিক এই আন্দোলনে শুনারা গ্রামের প্রতিটি পাড়া থেকে প্রতিনিধিবর্গ সরাসরি অংশ নেন। ছোট শুনারা: ওবায়দুল ও জিন্নাত আলী বড়পাড়া: জমির মুন্সি, উত্তরপাড়া: হাকিম ও মন
কান্দাপাড়া: আলী মিয়া ও জামাল মিয়া
পশ্চিমপাড়া: মুসা মিয়া ও কাউছার হুজুর। দক্ষিণপাড়া: সোহাগ মিয়া ও কামাল,, সমাবেশ শেষে একটি বিশাল সচেতনতামূলক র্যালি বের হয়ে গ্রামের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র্যালি থেকে মাদক কেনাবেচা ও সেবনের বিরুদ্ধে তীব্র হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়। শুনারা গ্রামকে সম্পূর্ণরূপে মাদকমুক্ত না করা পর্যন্ত এই সামাজিক আন্দোলন অব্যাহত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন আয়োজকরা।

আপনার মতামত লিখুন