নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ডিজিএফআই সদস্য পরিচয়ে এক সিএনজি চালককে অপহরণ, মারধর ও দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। এ সময় একটি পাজেরো গাড়ি থেকে আহত অবস্থায় ওই সিএনজি চালককে উদ্ধার করা হয়। অভিযানে দুইটি ওয়াকিটকি, একটি হ্যান্ডকাপ, ডিজিএফআই ইন্সপেক্টর পরিচয়ের ভিজিটিং কার্ডসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি. রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে ভুক্তভোগী আলাউদ্দিন (৩৮), পিতা-কালু মিয়া, মাতা-আয়েশা বেগম, সাং-মদিনাবাগ ২ নম্বর রোড (কদমতলী থানা সংলগ্ন), থানা-কদমতলী, জেলা-ঢাকা, সাইনবোর্ড সিএনজি স্ট্যান্ডে অবস্থান করছিলেন। এ সময় একটি পুরাতন পাজেরো গাড়িতে করে কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ডিজিএফআই সদস্য পরিচয় দিয়ে হ্যান্ডকাপ, ওয়াকিটকি ও লাঠি প্রদর্শন করে তাকে সিএনজি থেকে নামতে বলে।
একপর্যায়ে তারা লাঠি দিয়ে সিএনজির সামনের গ্লাসে আঘাত করে ভেঙে ফেলে এবং জোরপূর্বক আলাউদ্দিনকে পাজেরো গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। পরে বিভিন্ন স্থানে ঘোরানোর সময় তাকে মারধর ও মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।
ঘটনার খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানার টহল পুলিশ অভিযান শুরু করে। পরে ৪ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১২টা ৪০ মিনিটে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ভূইঘরস্থ জেলা পাসপোর্ট অফিসের পাশে মৌচাকগামী ফিডার রোডের মাথায় সন্দেহজনক পাজেরো গাড়িটি আটক করা হয়। এ সময় গাড়ির ভেতর থেকে আহত অবস্থায় আলাউদ্দিনকে উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে গাড়িতে থাকা তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন— মাহাবুব আলম রায়হান (৩৬), পিতা-নুর ইসলাম, মাতা-রেহেনা পারভীন সামসুন নাহার। স্থায়ী ঠিকানা: (i) মালতীনগড়, থানা ও জেলা-বগুড়া; (ii) ছাতনী, থানা-আদমদিঘী, জেলা-বগুড়া; (iii) মালসন, থানা-আদমদিঘী, জেলা-বগুড়া; (iv) নওজোড়, পোস্ট-তিলকপুর, থানা-আক্কেলপুর, জেলা-জয়পুরহাট। বর্তমান ঠিকানা: সাহেবপাড়া, বিসমিল্লাহ টাওয়ার (লিফট-৭), থানা-সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা-নারায়ণগঞ্জ।
সাদ্দাম কাজী (৩৫), পিতা-মৃত দুলাল কাজী, মাতা-রওশন কাজী। ঠিকানা: সানারপাড় (রহিম মার্কেট, কাজী ম্যানশন), থানা-সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা-নারায়ণগঞ্জ।
নাসির (৩৬), পিতা-আব্দুস সালাম, মাতা-নার্গিস বেগম। স্থায়ী ঠিকানা: বুড়ীপাড়া, পঞ্চসার, থানা ও জেলা-মুন্সিগঞ্জ। বর্তমান ঠিকানা: ভূইগড় পূর্বপাড়া, থানা-ফতুল্লা, জেলা-নারায়ণগঞ্জ।
পুলিশের অভিযানের সময় আসামিদের একজন অজ্ঞাতনামা সহযোগী কৌশলে পালিয়ে যায়।
গ্রেপ্তারকৃতদের হেফাজত ও পাজেরো গাড়ি তল্লাশি করে দুইটি ওয়াকিটকি, একটি হ্যান্ডকাপ, ডিজিএফআই ইন্সপেক্টর পরিচয়ের একটি ভিজিটিং কার্ড, একটি vivo মোবাইল ফোন, একটি পাজেরো জিপ গাড়ি এবং একটি লাঠি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা নং-১৪, তারিখ ০৪/০৯/২০২৬ খ্রি., ধারা-১৭০/১৭১/৩৬৫/৩৮৫/৪২৭, পেনাল কোড ১৮৬০ অনুযায়ী মামলা রুজু করা হয়েছে।
পলাতক অজ্ঞাতনামা সহযোগীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ডিজিএফআই সদস্য পরিচয়ে এক সিএনজি চালককে অপহরণ, মারধর ও দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ফতুল্লা মডেল থানা পুলিশ। এ সময় একটি পাজেরো গাড়ি থেকে আহত অবস্থায় ওই সিএনজি চালককে উদ্ধার করা হয়। অভিযানে দুইটি ওয়াকিটকি, একটি হ্যান্ডকাপ, ডিজিএফআই ইন্সপেক্টর পরিচয়ের ভিজিটিং কার্ডসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি. রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে ভুক্তভোগী আলাউদ্দিন (৩৮), পিতা-কালু মিয়া, মাতা-আয়েশা বেগম, সাং-মদিনাবাগ ২ নম্বর রোড (কদমতলী থানা সংলগ্ন), থানা-কদমতলী, জেলা-ঢাকা, সাইনবোর্ড সিএনজি স্ট্যান্ডে অবস্থান করছিলেন। এ সময় একটি পুরাতন পাজেরো গাড়িতে করে কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের ডিজিএফআই সদস্য পরিচয় দিয়ে হ্যান্ডকাপ, ওয়াকিটকি ও লাঠি প্রদর্শন করে তাকে সিএনজি থেকে নামতে বলে।
একপর্যায়ে তারা লাঠি দিয়ে সিএনজির সামনের গ্লাসে আঘাত করে ভেঙে ফেলে এবং জোরপূর্বক আলাউদ্দিনকে পাজেরো গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়। পরে বিভিন্ন স্থানে ঘোরানোর সময় তাকে মারধর ও মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী।
ঘটনার খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানার টহল পুলিশ অভিযান শুরু করে। পরে ৪ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক ১২টা ৪০ মিনিটে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের ভূইঘরস্থ জেলা পাসপোর্ট অফিসের পাশে মৌচাকগামী ফিডার রোডের মাথায় সন্দেহজনক পাজেরো গাড়িটি আটক করা হয়। এ সময় গাড়ির ভেতর থেকে আহত অবস্থায় আলাউদ্দিনকে উদ্ধার করা হয়।
অভিযানে গাড়িতে থাকা তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন— মাহাবুব আলম রায়হান (৩৬), পিতা-নুর ইসলাম, মাতা-রেহেনা পারভীন সামসুন নাহার। স্থায়ী ঠিকানা: (i) মালতীনগড়, থানা ও জেলা-বগুড়া; (ii) ছাতনী, থানা-আদমদিঘী, জেলা-বগুড়া; (iii) মালসন, থানা-আদমদিঘী, জেলা-বগুড়া; (iv) নওজোড়, পোস্ট-তিলকপুর, থানা-আক্কেলপুর, জেলা-জয়পুরহাট। বর্তমান ঠিকানা: সাহেবপাড়া, বিসমিল্লাহ টাওয়ার (লিফট-৭), থানা-সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা-নারায়ণগঞ্জ।
সাদ্দাম কাজী (৩৫), পিতা-মৃত দুলাল কাজী, মাতা-রওশন কাজী। ঠিকানা: সানারপাড় (রহিম মার্কেট, কাজী ম্যানশন), থানা-সিদ্ধিরগঞ্জ, জেলা-নারায়ণগঞ্জ।
নাসির (৩৬), পিতা-আব্দুস সালাম, মাতা-নার্গিস বেগম। স্থায়ী ঠিকানা: বুড়ীপাড়া, পঞ্চসার, থানা ও জেলা-মুন্সিগঞ্জ। বর্তমান ঠিকানা: ভূইগড় পূর্বপাড়া, থানা-ফতুল্লা, জেলা-নারায়ণগঞ্জ।
পুলিশের অভিযানের সময় আসামিদের একজন অজ্ঞাতনামা সহযোগী কৌশলে পালিয়ে যায়।
গ্রেপ্তারকৃতদের হেফাজত ও পাজেরো গাড়ি তল্লাশি করে দুইটি ওয়াকিটকি, একটি হ্যান্ডকাপ, ডিজিএফআই ইন্সপেক্টর পরিচয়ের একটি ভিজিটিং কার্ড, একটি vivo মোবাইল ফোন, একটি পাজেরো জিপ গাড়ি এবং একটি লাঠি উদ্ধার করে জব্দ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় মামলা নং-১৪, তারিখ ০৪/০৯/২০২৬ খ্রি., ধারা-১৭০/১৭১/৩৬৫/৩৮৫/৪২৭, পেনাল কোড ১৮৬০ অনুযায়ী মামলা রুজু করা হয়েছে।
পলাতক অজ্ঞাতনামা সহযোগীকে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন